ICC Ratings: আইসিসির রিপোর্ট কার্ডে স্বস্তিতে বিসিসিআই, মান ডোবাল কোন স্টেডিয়াম?
ICC Ratings: ভারত দেশের মাটিতে নিউজিল্যান্ডের কাছে টেস্ট সিরিজে হোয়াইটওয়াশ হয়েছে। তার আগে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে জিতেছিল টেস্ট ও টি২০ সিরিজ।
এবার সামনে এলো এই সিরিজগুলির পিচ নিয়ে আইসিসির রিপোর্ট কার্ড। আইসিসির রেটিংয়ে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে স্বস্তির উল্লেখ থাকলেও মান ডোবাল কানপুর।

ভারত-বাংলাদেশ টেস্ট সিরিজের প্রথম ম্যাচটি হয়েছিল চেন্নাইয়ের চিপকে। এমএ চিদাম্বরম স্টেডিয়ামের উইকেটটিকে আইসিসির ম্যাচ রেফারি ভেরি গুড বলে অভিহিত করেছেন। অর্থাৎ এই উইকেটটি আইসিসির বিচারে খুব ভালো তকমা পেয়েছে।
ভারত-বাংলাদেশ টেস্টের দ্বিতীয় টেস্ট হয়েছিল কানপুরের গ্রিন পার্ক স্টেডিয়ামে। সেই পিচকে সন্তোষজনক বলে আখ্যায়িত করা হলেও আইসিসি ম্যাচ রেফারি জেফ ক্রো কানপুরের আউটফিল্ড নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। উল্লেখ্য, গ্রিন পার্কের নিকাশি ব্যবস্থা ছিল খুবই নিম্নমানের।
জানা গিয়েছে, গ্রিন পার্ক স্টেডিয়ামটি সরকারের অধীনস্থ। ম্যাচের আগে তা দেওয়া হয় উত্তরপ্রদেশ ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনকে। কানপুর টেস্টের ২ দিন নষ্ট হয়। ভারত ঝোড়ো ব্যাটিং করে জয় ছিনিয়ে নিয়েছিল। কিন্তু আউটফিল্ডের দুরবস্থা নজর এড়ায়নি ম্যাচ রেফারির।
ভারত-নিউজিল্যান্ড টেস্ট সিরিজের শুরু হয়েছিল বেঙ্গালুরুর চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে। বৃষ্টির কারণে পিচে আর্দ্রভাব ছিল। রোহিত শর্মা পিচের চরিত্র বুঝতে ভুল করেছিলেন। ভারতের প্রথম ইনিংস গুটিয়ে গিয়েছিল ৪৬ রানে। শেষ অবধি এই টেস্টে হেরে যায় ভারত। এই পিচটি সন্তোষজনক তকমা পেয়েছে।
পুণের মহারাষ্ট্র ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের স্টেডিয়াম ও মুম্বইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামের উইকেটকেও সন্তোষজনক বলে বর্ণনা করা হয়েছে আইসিসির রিপোর্টে। ওয়াংখেড়ে টেস্ট শেষ হতে পুরো তিন দিনও লাগেনি। আগাগোড়া পিচ নিয়ে চর্চা ছিল।
টেস্ট ম্যাচ আয়োজনের জন্য যে ভালো উইকেটের কথা বলা হয় ওয়াংখেড়েতে তা ছিল না। ঘূর্ণি উইকেট বানানো হয়েছিল। তবে স্বস্তি একটাই, এই পিচগুলি নিয়ে আইসিসির ম্যাচ রেফারি ডেভিড বুনের রিপোর্ট বিসিসিআইয়ের অস্বস্তি বাড়ায়নি।
গোয়ালিয়র, দিল্লি ও হায়দরাবাদে হয়েছিল ভারত-বাংলাদেশ টি২০ সিরিজের ম্য়াচগুলি। এই পিচগুলিকে ভেরি গুড বলে উল্লেখ করা হয়েছে আইসিসির রিপোর্টে।












Click it and Unblock the Notifications