সাংসদ হয়েও কেন আইপিএলে মেন্টর বা ধারাভাষ্যকার? প্রশ্নের বাউন্সার কীভাবে সামলালেন গৌতম গম্ভীর?

গৌতম গম্ভীরের নেতৃত্বে কলকাতা নাইট রাইডার্স দু-বার আইপিএল চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল। তারপর থেকে আর একবারও নাইটরা আইপিএল খেতাবের স্বাদ পায়নি। এবারের আইপিএলে নবাগত লখনউ সুপার জায়ান্টসের মেন্টরের ভূমিকা এখন পালন করছেন গম্ভীর। লোকেশ রাহুলের নেতৃত্বাধীন লখনউ এবার এলিমিনেটরে হেরে গিয়েছিল। তবে বেশ কিছু সময়ের জন্য পয়েন্ট তালিকার এক নম্বরে ছিল লখনউ। আইপিএল শেষের পর এবার গৌতম গম্ভীরকে সামলাতে হলো প্রশ্নের বাউন্সার।

গম্ভীরকে বাউন্সার

গম্ভীরকে বাউন্সার

কেন্দ্রে বিজেপি সরকারের ৮ বছর পূর্তি উপলক্ষে একটি কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন গম্ভীর। সেখানে তাঁকে প্রশ্ন করা হয়, সাংসদ হয়েও কেন তাঁকে ক্রিকেটের ধারাভাষ্যকার কিংবা আইপিএলের মেন্টরের ভূমিকায় দেখা যায়? গম্ভীর সুন্দর ব্যাখ্যা করে প্রশ্নের এই বাউন্সারটিকে সপাটে ওড়ালেন স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিমায়। তিনি বলেন, দরিদ্র মানুষজনের স্বার্থে জনকল্যাণমূলক কাজকর্ম চালিয়ে যেতেই এই ভূমিকাগুলি পালন করতে হয়।

(ছবি- গৌতম গম্ভীরের ইনস্টাগ্রাম)

সপাটে জবাব

সপাটে জবাব

গম্ভীর বলেন, আইপিএলের সঙ্গে যুক্ত থাকা বা ধারাভাষ্য দেওয়ার কাজ আমাকে করতে হয় তার কারণ, প্রতি মাসে ৫ হাজার মানুষের মুখে অন্ন তুলে দিতে আমার ২৫ লক্ষ টাকা খরচ হয়। এই খাতে বছরে ২.৭৫ কোটি টাকার প্রয়োজন। একটি লাইব্রেরি গড়ে তুলতেও আমি ২৫ লক্ষ টাকা খরচ করেছি। এই খরচগুলি করার জন্য এমপি ল্যাডে আমাকে হাত দিতে হয় না। নিজের পকেট থেকেই তা করি। এমপি ল্যাডের টাকা দিয়ে কিচেন চালানো বা অন্য জনকল্যাণমূলক কাজ চালানো যায় না। আমার বাড়িতে টাকার গাছও নেই যে ঝাড়া দিলেই পড়বে। ফলে এই কাজগুলি চালাতে হয় বলেই আমাকে আইপিএলের সঙ্গে যুক্ত হতে হয়েছে।

জনসেবার লক্ষ্যেই

লখনউ সুপার জায়ান্টসের মেন্টর আরও বলেন, আমি ক্রিকেটের সঙ্গে যুক্ত থাকার ফলে অর্থ উপার্জন করে তা দিয়ে ৫ হাজার মানুষের মুখে অন্ন তুলে দিতে পারছি, লাইব্রেরি তৈরি করতে পেরেছি। ফলে আমি ধারাভাষ্য দিই বা আইপিএলে মেন্টরের দায়িত্ব পালন করি এটা স্বীকার করতে আমার কোনও লজ্জাবোধ নেই। নির্দিষ্ট লক্ষ্যপূরণের জন্যই আমাকে এই পথ বেছে নিতে হয়েছে।

সাংসদের ভূমিকায়

সাংসদের ভূমিকায়

উল্লেখ্য, সাংসদ হিসেবে প্রথম থেকেই নানা জনকল্যাণমূলক কাজকর্ম চালিয়ে যাচ্ছেন গম্ভীর। বিজেপিতে যোগদানের পর পূর্ব দিল্লি কেন্দ্র থেকে তিনি সাংসদ নির্বাচিত হয়েছেন। গান্ধীনগরে তিনি একটি কিচেনের বন্দোবস্ত করেছেন। জন রসোই নামের এই কিচেনে ১ টাকার বিনিময়ে অন্নসংস্থানের ব্যবস্থা করেছেন গম্ভীর। করোনা অতিমারীর সময়ও গম্ভীর টানা জনসেবার কাজ চালিয়ে গিয়েছেন। খাবারের বন্দোবস্ত করার পাশাপাশি মানুষ যাতে টিকা পান, ওষুধ পান তা সুনিশ্চিত করেছেন। তারই ফাঁকে সামলাতে হয়েছে আইনি লড়াইও। নিজের সংসদ এলাকায় স্টেডিয়ামে ফ্লাডলাইট লাগানো-সহ ক্রিকেট পরিকাঠামোর উন্নতিতেও অনেক কাজ করেছেন গম্ভীর।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+