Champions Trophy 2025: পাকিস্তানের স্টেডিয়ামগুলি বেহাল, করাচির অবস্থা শোচনীয়, চিন্তায় পিসিবি
Champions Trophy 2025: চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির আয়োজন করতে গিয়ে ল্যাজেগোবরে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড। পাকিস্তানের যে স্টেডিয়ামগুলিতে খেলা হবে, সর্বত্র চলছে সংস্কারকাজ।
আইসিসি যে নির্ধারিত সময়সীমা দিয়েছিল তার মধ্যে সংস্কার কাজ শেষ হওয়া কার্যত অসম্ভব। এমনই দাবি পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম দ্য ডনের।

ভারতের ম্যাচগুলি, একটি সেমিফাইনাল ও ফাইনাল দুবাইয়ে হবে। পাকিস্তানে খেলা হবে করাচি, লাহোর ও রাওয়ালপিন্ডিতে। গতকাল রাওয়ালপিন্ডি স্টেডিয়ামে পরিদর্শনে গিয়ে পিসিবি চেয়ারম্যান মহসীন নাকভি দাবি করেছেন, ৩১ জানুয়ারির মধ্যেই সব স্টেডিয়ামে সংস্কারকাজ শেষে সেগুলি আইসিসির হাতে তুলে দেওয়া যাবে।
চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির আগে পাকিস্তান নিউজিল্যান্ড ও দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে ত্রিদেশীয় সিরিজ খেলবে। যা শুরু ৮ ফেব্রুয়ারি। প্রথম দুটি ম্যাচ হবে লাহোরে। ফাইনাল-সহ ২টি ম্যাচ হবে করাচিতে। ডনের প্রতিবেদনে উল্লেখ, করাচির স্টেডিয়ামের অবস্থা শোচনীয়।
স্টেডিয়ামগুলির সংস্কারকাজ দেখাশোনার দায়িত্বে থাকা জনৈক ব্যক্তি সংবাদসংস্থা পিটিআইকে বলেছেন, খেলা আয়োজনের জায়গায় হয়তো মাঠকে আনা যাবে। কিন্তু ত্রিদেশীয় সিরিজ ও চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে বিশ্বমানের অভিজ্ঞতা দেওয়ার যে আশ্বাস দিয়েছিল, তা রক্ষা করা যাবে কিনা সেটাই বড় চ্যালেঞ্জ।
করাচিতে স্টেডিয়াম সংস্কারের উপকরণ ও প্রয়োজনীয় ছাড়পত্র পেতে দেরি হচ্ছে বলে অভিযোগ আসছে। করাচির ন্যাশনাল স্টেডিয়ামে চারটি ফ্লোরের নতুন বিল্ডিং হচ্ছে। যেখানে প্লেয়ার ও অফিসিয়ালদের হসপিটালিটি এনক্লোজার থাকবে।
সম্প্রচারের গুণমান উন্নত করার পরিকাঠামো তৈরি করা হচ্ছে। ৩৫০টি এলইডি লাইট লাগানো হচ্ছে। দুটি ডিজিটাল স্ক্রিন লাগানো হচ্ছে। পাঁচ হাজার নতুন চেয়ার বসছে। গত সোমবার দেখা গিয়েছে নতুন হসপিটালিটি এনক্লোজারের কাজ শেষের পর্যায়ে। যদিও আলো লাগানোর কাজ-সহ অনেক কিছুই ৩১ জানুয়ারির মধ্যে শেষ হবে কিনা তা নিয়ে সংশয় থাকছে।
দুটি জায়ান্ট স্ক্রিন লাগানোর কাজ সবে শুরু হয়েছে। করাচি স্টেডিয়ামের প্রকল্পের ক্ষেত্রে পিসিবির ডিরেক্টর তথা নাকভি-ঘনিষ্ঠ বিলাল চৌহানের আশা, যথাসময়েই কাজ শেষ করা যাবে। ৬০০ জন দিনে কাজ করছেন। রাতে ৩০০ জন। লাহোরের বাসিন্দা প্রজেক্ট ম্যানেজার সকাল আটটায় আসছেন, ফিরতে ফিরতে রাত ২টো।
তবে নতুন বিল্ডিংয়ে যে প্যানেলগুলি বসানো হবে সেগুলি করাচি বন্দর থেকে ছাড়াই হয়েছিল রবিবার। পরের দিনই যুদ্ধকালীন তৎপরতায় তা বসানোর কাজ শুরু হয়। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করা বড় চ্যালেঞ্জ। সিভিল ওয়ার্ক শেষ হয়েছে, এটাই স্বস্তির। বাকিটা স্পষ্ট হবে ডেডলাইন শেষের দিনেই।












Click it and Unblock the Notifications