Champions Trophy: দুবাইয়ের সুবিধার কথা মেনে নিলেন শামি, ফাইনালে উঠেই আইসিসির কাছে করলেন বিশেষ আবেদন
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বিগত কয়েক বছরে বেশ কিছু কঠোর নিয়ম কানুন প্রর্বতন করেছে আইসিসি। মূলত বেশি রান উঠার জন্য ব্যাটারদের সাহায্য করতে একাধিক নিয়ম চালু করেছে বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ামক সংস্থা। তিন বছর আগেই লালা লাগানোর উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে আইসিসি, কিন্তু এই নিয়মের অবলুপ্তির জন্য আইসিসিকে আবেদন করলেন মহম্মদ শামি।
২০২২ সালে বলে লালা লাগানোর উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ামক সংস্থা। পুরনো বলের এক পাশ উজ্জ্বল করার জন্য লালা ব্যবহার করলে পেসাররা ভালো রিভার্স সুইং করাতে পারেন। কিন্তু আইসিসির নিয়ম যে রিভার্স সুইং করার ক্ষেত্রে অন্তরায় হয়ে উঠছে তা মেনে নিলেন শামি। অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে সেমিফাইনালে উঠার পরই শামি আইসিসির কাছে পুরানো নিয়ম ফেরানোর জন্য আবেদন করলেন।

মঙ্গলবার ম্যাচ শেষে শামি বলেছেন, আমরা রিভার্স সুইং করার চেষ্টা করছি। কিন্তু সেটা বর্তামানে খুব ভালো করতে পারছি না কারণ তো এখন খেলার সময় বলে লালা ব্যবহার করতে পারি না আগে সেটা তরা যেত। এরপই আইসিসির কাছে আবেদন করে শামি বলেন, আমরা নিয়মিত লালা ব্যবহার করার অনুমতি দেওয়ার জন্য আবেদন করছি। নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হলে রিভার্স সুইং আরও আকর্ষণীয় হবে।
প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ৫ উইকেট নিয়েছেন শামি। অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ৪৮ রানে ৩ উইকেট নেন তারকা পেসার। তিন দিনে দুটো ম্যাচ খেলতে হয়েছে। চোট আঘাতের সমস্যা কাটিয়ে কীভাবে সাফল্য পাচ্ছেন, এই প্রসঙ্গে শামি বলেন, সবার আগে যেটা বুঝতে হবে কোথায় খেলছি, সেখানকার পিচের বিষয়ে একটা ধারণা পাওয়া যায়।
একইসঙ্গে শামি বলেন, আমি সবসময় পিচের কথা মাথায় রেখেই সেই অনুসারে প্রস্তুতি নিই। তাই ম্যাচ আর অনুশীলনের মধ্যে খুব বেশি কিছু পার্থক্য থাকে না। যতটা সম্ভব নিজেকে চাপমুক্ত ও সহজ রাখার চেষ্টা করি।
নিরাপত্তাজনিত কারণে ভারত পাকিস্তানে খেলতে যায়নি। আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে ভারতই একমাত্র দল যারা একটি মাত্র ভেন্যুতেই গোটা টুর্নাামেন্ট খেলছে। দুবাইতে ভারত গ্রুপ পর্বের সব ম্যাচ এমনকি সেমিফাইনালও দুবাইতে খেলেছে, আগামী রবিবার ফাইনাল ম্যাচও একই মাঠে খেলবে ভারত। একই মাঠে খেলার সুবিধা নিয়ে সমালোচনা শুরু হয়েছে। এই নিয়ে রোহিত-গম্ভীরদের উল্টোসুর শোনা গেল শামির গলায়।
শামি বলেছেন, একই মাঠে সব ম্যাচ খেললে কিছুটা তো সুবিধা হয়ই। পিচ, পরিবেশের বিষয়গুলি সম্পর্কে জানা থাকে। কিছু বিষয় আগে থেকে জানা থাকলে সেই অনুযায়ী নিজের বোলিংকেও মানিয়ে নিতে হয়। এক মাঠে সব ম্যাচ খেলাটা নিঃসন্দেহেই একটা প্লাস পয়েন্ট।












Click it and Unblock the Notifications