বারাসত থেকে ইডেন হয়ে জাতীয় দল, তবু মাটিতেই পা সুদীপের
বাংলা দলে স্বল্পভাষীর তকমা তাঁর গায়ে। তবে সুদীপের ব্যাট যখন কথা বলে তখন তা যেন খাপখোলা তলোয়ার। গত রনজি মরশুমে বাংলার জার্সি গায়ে পারফরমেন্সও ছিল চোখে পড়ার মত।
বাংলা দলে স্বল্পভাষীর তকমা তাঁর গায়ে। তবে সুদীপের ব্যাট যখন কথা বলে তখন তা যেন খাপখোলা তলোয়ার। গত রনজি মরশুমে বাংলার জার্সি গায়ে পারফরমেন্সও ছিল চোখে পড়ার মত। প্রথম শ্রেণির ৩২ ম্যাচে ঝোলায় রয়েছে ২৬১৬ রান, শতরান ৮ টি। ভারতীয় এ দলের সুযোগ পাওয়ার পরের দিনও রুটিনে কোনও বদল নেই। নিয়ম করেই হাজির হয়েছিলেন অনুশীলন সারতে। সেখানেই ওয়ান ইন্ডিয়া বাংলার সঙ্গে সরাসরি কথা বললেন সুদীপ চট্টোপাধ্যায়।

এত বড় সুযোগ কীভাবে কাজে লাগাতে চান?
নিঃসন্দেহে বড় সুযোগ। এটাকে সঠিক ভাবে কাজে লাগাতে হবে। চেষ্টা করব নিজের সেরাটা দিতে।
দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে যাওয়ার আগে কার কার থেকে টিপস নিতে চান?
প্রথমেই সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের সঙ্গে কথা বলতে চাই। এখনও অবধি কথা হয়নি। মহারাজদা আন্তর্জাতিক স্তরে যেভাবে পারফরম্যান্স দিয়েছেন তাতে তাঁর টিপস নিয়ে গেলে দক্ষিণ আফ্রিকায় নিজেকে সঠিকভাবে মেলে ধরতে পারব। এছাড়াও রয়েছেন ভিভিএস লক্ষ্মণ। বাংলা দলের ভিশন ২০-২০ -র ব্যাটিং কোচ লক্ষ্মণ। জুলাইয়ের ১৫ তারিখ নাগাদ বেঙ্গালুরুতে টুর্নামেন্ট খেলতে যাচ্ছে বাংলা দল। সেখানেই লক্ষ্মণ স্যারের ক্লাসও হবে। সেখানেই তাঁর থেকেও টিপস নিয়ে নেব।
বাংলার জার্সি গায়ে শেষ মরশুমটা কতটা সাহায্য করবে?
অবশ্যই করবে। প্রতিটা মরশুমই নতুন কিছু শিখিয়ে যায়। এই মরশুমও ব্যতিক্রম নয়। ২০১২ সালে বাংলার জার্সি গায়ে রনজি মরশুম শুরু করেছিলাম। তারপর এতগুলো বছর পেরিয়ে গত বছরের মরশুম। অনেকটা পরিণত করেছে ক্রিকেটার হিসেবে।অনেক কিছু শিখতে পেরেছি।
গত মরশুমে কী ক্রিকেটীয় ট্যেকনিকে কোনও পরিবর্তন করেছিলেন?
না ,সেরকমভাবে বিশেষ কিছু না। ভিশন ২০-২০-র থেকে ভিভিএস লক্ষ্মণ কিছু ছোট খাটো টিপস দিয়েছিলেন। কোচ সাইরাজ বাহুতুলেও দেখিয়ে দিতেন। কিন্তু মূলত নিজের টেকনিকেই টিকে থেকেছি।
বাংলা থেকে মনোজ তিওয়ারি সুযোগ পেয়ে পারফরমেন্স করেও চোটের কারণে ছিটকে গিয়েছিলেন। নিজের ফিটেনেসর ওপর কতটা জোর দিচ্ছেন?
ফিটনেস এখনকার স্পোর্টসে দারুণ গুরুত্বপূর্ণ। যে কোনও খেলাতেই পারফরমেন্সের মত একইরকম গুরুত্ব শারীরিক ও মানসিক শক্তি ও ফিটনেস। নিয়মিতই ফিটনেস ট্রেনিং করি। এখনও সেই রুটিনই পালন করব।
ক্রিকেটে আইডল হিসেবে কাকে মানেন?
অবশ্যই সচিন তেন্ডুলকর। ছোটবেলা থেকেই ওঁর খেলা দেখে বড় হয়ে উঠেছি। তবে কুমারা সঙ্গকারার খেলাও আমার খুব ভাল লাগে। বিশেষত ওঁর ব্যাটিং টেকনিক আমার খুব ভাল লাগে।
এখন ক্রিকেটে টেকনিকের কী আর ততটা জোর দেওয়া হয়?
এখন আন্তর্জাতিক মঞ্চে সফল অনেক ক্রিকেটারই ব্যকরণ মেনে টেকনিকে অতটা জোর দেননা, কিন্তু পারফরেমন্সই শেষ কথা। সেটা যদি টেকনিক মেনে আমি করতে পারি তাহলে কোথাও অসুবিধা হওয়ার কথা নয়।
বারাসত কলোনি মোড়ের সুদীপ চট্টোপাধ্যায় এখন বাগুহাটির বাসিন্দা। বাবা-মা বাবাই, বাংলা দলের নির্ভর যোগ্য সুদীপের দু চোখে স্বপ্ন, পা মাটিতে। সামনে সুযোগ কিন্তু পথটা কঠিন। সেই কঠিন পথ পেরিয়ে জাতীয় দলের স্বপ্নে বিভোর বাংলার এই তরুণ ক্রিকেটার।
-
নতুন নির্দেশিকায় কড়া কেন্দ্র, নিয়ম না মানলে খোয়া যেতে পারে এলপিজি কানেকশনও! -
শেষ মুহূর্তে ক্যানসেল? আর মিলবে না টাকা! টিকিট বাতিলে বড় বদল ভারতীয় রেলওয়ের, জানুন নতুন নিয়ম -
তৃতীয় প্রার্থী তালিকা প্রকাশ বিজেপির, অভয়ার মায়ের নাম ঘিরে বড় চমক পানিহাটিতে -
ভোটার তালিকায় গণ্ডগোল ঘিরে উদ্বেগ, দ্রুত ব্যবস্থা নিয়ে পরিস্থিতি সামাল কমিশনের -
রাজস্থানের পর মালিকানা হাতবদল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুরও, আইপিএলে তৈরি হল নয়া রেকর্ড -
হরমুজ খুলে দাও, পরমাণু কর্মসূচিতে লাগাম, ১৫ দফা শান্তি প্রস্তাবে ট্রাম্প, রাজি হবে কি তেহরান? -
ফের অসুস্থ সোনিয়া গান্ধী, দিল্লির হাসপাতালে ভর্তি, চিকিৎসকদের নজরে শারীরিক অবস্থা -
এলপিজি রিফিল বুকিংয়ের সময়সীমা পরিবর্তনের খবর কি সত্যি? আসল তথ্য জানাল কেন্দ্র -
হুমায়ুন-ওয়েইসির জোটের চোখ ১৮২টি আসনে, সংখ্যালঘু ভোট সুসংহত করাই মূল লক্ষ্য -
ভোটার তালিকায় ‘অদৃশ্য' নাম! কমিশনকে তোপ দাগলেন মমতা, উত্তরবঙ্গের মঞ্চে চড়ল রাজনৈতিক পারদ -
সব কেড়ে নিলেও মানুষ আমার পাশে, ময়নাগুড়ি থেকে বিজেপি ও কমিশনকে একসুরে নিশানা মমতার -
ভোটের আগে বড়সড় সাফল্য, বিহার থেকে বাংলায় অস্ত্র পাচার রুখল পুলিশ












Click it and Unblock the Notifications