Asian Games: অনূর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপের পর এশিয়ান গেমসে সোনা জয়েও ভূমিকা তিতাসের, ঝুলনকে পিছনে ফেললেন কীভাবে?
Asian Games: তিতাস সাধু। ৮ মাসের মধ্যেই দেশের হয়ে দুটি গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্টের ফাইনালে বল হাতে কামাল দেখালেন চুঁচুড়ার এই পেসার। এশিয়ান গেমসের ফাইনালে আজ হাংঝৌয়ে তিতাস ১টি মেডেন-সহ ৪ ওভারে ৬ রান দিয়ে নিলেন তিন উইকেট।
ভারত টস জিতে ব্যাট করতে নেমে খুব বড় স্কোর খাড়া করতে পারেনি। তার ওপর প্রথম ওভারেই দীপ্তি শর্মা ১২ রান খরচ করায় চাপে পড়েছিল হরমনপ্রীত কৌরের দল। কিন্তু অধিনায়কের আস্থার মর্যাদা দিয়ে প্রথম স্পেলেই ম্য়াচের ভাগ্য নির্ধারণ করলেন তিতাস।

শ্রীলঙ্কার প্রথম তিন ব্যাটারকেই সাজঘরে পাঠান তিতাস। বিশেষজ্ঞদের মতে, সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ছিল অধিনায়ক চামারি আতাপাত্তুর উইকেট তুলে নেওয়াটা। ১৩ রানে দুটি এবং ১৪ রানের মাথায় আরও একটি উইকেট হারানোতেই কোণঠাসা হয়ে পড়ে শ্রীলঙ্কা। এরপর নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের সৌজন্যে ১৯ রানে জয় ছিনিয়ে ঐতিহাসিক সোনা জেতে ভারত।
কমনওয়েলথ গেমসে কাছাকাছি পৌঁছেও সোনা অধরা থেকে গিয়েছিল, রুপো জিতেই সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছিল হরমনপ্রীত কৌরদের। চলতি বছর টি ২০ বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল থেকে বিদায় নিতে হয়েছিল। কিন্তু আজ এশিয়ান গেমসে সোনা জয় ভারতীয় দলের আত্মবিশ্বাস বাড়াল।
মেগ ল্যানিংয়ের পর বিশ্বের দ্বিতীয় মহিলা ক্রিকেটার হিসেবে হরমনপ্রীত দেশকে শততম টি ২০ ম্যাচে নেতৃত্ব দিলেন। আর তা স্মরণীয় হয়ে রইল সোনা জয়ের মাধ্যমে। যাতে বড় অবদান রাখলেন তিতাস সাধু। গত ২৯ জানুয়ারি দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে ভারতের মেয়েরা অনূর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপ জেতেন।

সেই ফাইনালেও তিতাস সাধু ম্যাচের সেরা পারফর্মার হয়েছিলেন। বোলিং ওপেন করে ৪ ওভারে মাত্র ৬ রান খরচ করে তুলে নিয়েছিলেন ২ উইকেট। তিতাসের গোল্ডেন আর্ম যে ফাইনালের মতো বড় ম্যাচে গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাক্টর হয়ে উঠছে তার প্রমাণ মিলল এদিন। সবচেয়ে বড় কথা, নিজের দ্বিতীয় আন্তর্জাতিকে কুল থেকে যেভাবে ওই স্পেল করলেন তা প্রশংসনীয়।
তিতাস আইডল মানেন ঝুলন গোস্বামীকে। তাঁকেও এদিন পিছনে ফেলে দিলেন তিতাস। ভারতীয় মহিলা ক্রিকেটারদের মধ্যে টি ২০ আন্তর্জাতিকে কম রান খরচ করার নিরিখে সেরা বোলিং রুমেলি ধরের। ২০০৯ সালে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে টনটনে রুমেলির বোলিং ফিগার ছিল ৪ ওভার ২ মেডেন, ৪ রানের বিনিময়ে ২ উইকেট।
তাঁর পরেই এখন যুগ্মভাবে রইলেন রাধা যাদব ও তিতাস। ২০১৯ সালে প্রভিডেন্সে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে ২টি মেডেন-সহ ৪ ওভারে ৬ রান দিয়ে ২ উইকেট নিয়েছিলেন রাধা। তিতাসের বোলিং ফিগার ৪-১-৬-৩। ২০১২ সালে নর্থ সাউন্ডে ঝুলন গোস্বামী ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে ১টি মেডেন-সহ ৪ ওভারে ৭ রান দিয়ে তিন উইকেট নিয়েছিলেন।












Click it and Unblock the Notifications