ঘোর অনিশ্চিয়তার মুখে শ্রীলঙ্কার মাটিতে এশিয়া কাপ, পরবর্তী বিকল্প হিসেবে এগিয়ে বাংলাদেশ
ঘোর অনিশ্চিয়তার মুখে শ্রীলঙ্কার মাটিতে এশিয়া কাপ, পরবর্তী বিকল্প হিসেবে এগিয়ে বাংলাদেশ
অর্থনৈতিক বিপর্যয় থেকে বেরিয়ে আসার কোনও এখনও খুঁজে বের করতে পারেনি শ্রীলঙ্কা। দেশে অর্থনৈতিক সংকট এবং রাজনৈতিক অচলাবস্থার কারণে শ্রীলঙ্কার পরিস্থিতি অগ্নিগর্ভ। দেয়ালে পিঠ ঠেকে গিয়েছে মানুষের। রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ, বিক্ষোভ সমস্ত কিছু চলছে। সরকার উৎখাত হয়েছে। তবে, বিভিন্ন কারণে অগ্নিগর্ভ শ্রীলঙ্কাকে বাঁচার শক্তি নতুন করে প্রদান করছে খেলার প্রতি এই দ্বীপরাষ্ট্রের ভালবাসা। বিশেষ করে ক্রিকেটের প্রতি। তাই শোচনীয় পরিস্থিতির মধ্যেও শ্রীলঙ্কা সফরে রয়েছে অস্ট্রেলিয়া এবং সিংহলি দলটির খেলা দেখার জন্য উপচে পড়ছে ভিড়।

অর্থনৈতিক এবং রাজনৈতিক চাপানউতরের মধ্যেও কয়েক দিন আগে শ্রীলঙ্কা ক্রিকেটের সচিব মোহন ডি সিলভা জানিয়েছিলেন, তাঁরা আশাবাদী এই পরিস্থিতিতেই এশিয়া কাপ আয়োজনের বিষয়ে এবং এই টুর্নামেন্ট আয়োজনে অর্থনৈতিক সংকট কোনও প্রভাব ফেলবে না বলেই মনে করেছিলেন তিনি। তবে এই অবস্থায় এশিয়া কাপের মতো হাইপ্রোফাইল টুর্নামেন্ট আয়োজন করা কঠিন হয়ে যাবে। বিশেষ করে বিদেশি খেলোয়াড়দের নিরাপত্তা বড় একটা ফ্যাক্টর। এখন যে পরিস্থিতি দাঁড়িয়েছে, তাতে এশিয়া কাপ ২০২২ আয়োজন করা শ্রীলঙ্কায় সম্ভব নয়। কিন্তু ক্রিকবাজকে সম্প্রতি মোহন ডি সিলভা জানিয়েছেন, এশিয়া কাপ আমাদের দেশে আয়োজন করা হবে কি না, সেই বিষয়টা এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের (এসিসি) ওপর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। তবে এসিসির সভাপতি জয় শাহকে ইভেন্টটি আয়োজনের জন্য শ্রীলঙ্কার প্রস্তুতি সম্পর্কে জানিয়েছেন বোর্ডের সভাপতি।
এই অবস্থায় শ্রীলঙ্কায় এই টুর্নামেন্ট আয়োজন করা না হলে তা আয়োজনের দায়িত্ব পেতে পারে বাংলাদেশ। বাংলাদেশ এর আগে ২০১২ থেকে ২০১৬ পর্যন্ত টানা তিন আসর এশিয়া কাপের আয়োজন করেছিল। ২০১৪ সালে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপও আয়োজিত হয়েছি পদ্মা নদীর তীরে। ২৭ অগস্ট থেকে এ বারের এশিয়া কাপ শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। কিন্তু যদি আয়োজক দেশ বদলে যায় তা হলে সূচিরও পরিবর্তন হতে পারে। তবে, সরকারী ভাবে এখনও কোনও কিছুই এশিয়া ক্রিকেট কাউন্সিলের পক্ষ থেকে জানানো হয়নি।












Click it and Unblock the Notifications