আকাশে ঘন কালো মেঘ, ফ্লাড সেন্টারে যাচ্ছে মানুষজন, রেমালের আতঙ্ক সুন্দরবনে
বিপর্যয় আসা এখন সময়ের অপেক্ষা। প্রহর গোনা শুরু হয়ে গিয়েছে। অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় রেমাল কতটা ক্ষয়ক্ষতি করবে? সেই সম্পর্কে চলছে চর্চা। উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনার সুন্দরবন লাগোয়া অঞ্চলের উপর ঝড়ের ব্যাপক প্রভাব পড়বে।
সেই কারণে বিভিন্ন এলাকার লোকজনকে নিরাপদে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। শনিবার থেকেই সেই কাজ চলছে। রবিবার সকাল থেকে প্রচার বেশি করা হচ্ছে। মাইকিং চলছে বিভিন্ন জায়গায়। ফ্লাড সেন্টার খোলা হয়েছে আগেই। এছাড়াও সাইক্লোন সেন্টারে মানুষজনদের নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা হয়েছে।

দক্ষিণ ২৪ পরগনার কাকদ্বীপ, সাগর, নামখানা, পাথরপ্রতিমা, ক্যানিং, মৌসুনি আইল্যান্ড সহ বিস্তীর্ণ এলাকার মানুষজন আতঙ্কে ভুগছেন। কারণ, গত কয়েক বছরের অতীত বলছে, ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে এই সব এলাকা সব থেকে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। নদীর জল বাঁধ ভেঙে গ্রামে ঢুকে পড়ে। বিঘের পর বিঘে এলাকার জমি বাড়ি সব জলের তলায় চলে যায়।
এই সব এলাকার মানুষদের নিরাপদে সরে যেতে বলা হয়েছে। যে সব এলাকা নীচু, সেখানে প্রচার চলছে। সাধারণ মানুষকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। স্কুলগুলিতে ক্যাম্প করা হয়েছে। ত্রাণ শিবির খোলার কাজ চলছে।
উত্তর ২৪ পরগনার সুন্দরবন লাগোয়া অঞ্চলেও প্রচার চলছে জোরকদমে। বসিরহাট, হিঙ্গলগঞ্জ, দেগঙ্গা সহ বিস্তীর্ণ এলাকায় ঝড়ের প্রভাব পড়বে। ফলে এইসব এলাকার মানুষদেরও নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
জানা গিয়েছে, পুর ও পঞ্চায়েত কর্মীদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। ইছামতী, বিদ্যাধরী নদীর জলতল বাড়ার আশঙ্কা অনেকটাই। এখন রেমালের প্রভাব কতটা পড়বে এই সব এলাকায়? সেই নিয়েই চর্চা চলছে।












Click it and Unblock the Notifications