অভিষেক ফিরতেই শতাধিক দোকান ছাই, পোড়েনি তৃণমূলের পতাকা! তদন্ত চেয়ে সরব ববি
Lok Sabha Vote 2024: তীব্র দাবদাহে পুড়ছে বাংলা। ভোটের বাংলার পরিবেশও উত্তপ্ত। ডায়মন্ড হারবার কেন্দ্রেও বাড়ছে রাজনৈতিক উত্তাপ। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে আজও নিশানা করলেন অভিজিৎ দাস (ববি)।
সাংসদ তথা এই কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী অভিষেক গতকাল পুজো দিয়েছিলেন বাখরাহাটের কাছারী মন্দিরে। রাতেই সেখানে শতাধিক দোকান পুড়ে ছাই, দাবি বিজেপি প্রার্থী অভিজিৎ দাস (ববি)-র।

প্রশাসনের তরফে আপাতত বন্ধ রাখা হয়েছে মন্দিরটি। ফলে দূর-দূরান্ত থেকে আসা পুণ্যার্থীরা হতাশ হয়েই বাড়ি ফিরেছেন। মন্দিরের কাছেই এত দোকান পুড়ে যাওয়ার পর মন্দির যে সাময়িক বন্ধ রাখা হয়েছে, সেই সিদ্ধান্তকে সমর্থন জানিয়ে অভিজিৎ বলেন, এর সঙ্গে রাজনীতি জড়ানো উচিত নয়।
অভিজিৎ আজ দলীয় কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। দ্রুত ক্ষতিপূরণের বন্দোবস্তের দাবি জানান। এরই ফাঁকে একটি চাঞ্চল্যকর বিষয় নজরে এনে তিনি তা জানান দক্ষিণ ২৪ পরগনার জেলাশাসককেও। যে দোকানগুলির টিন-সহ যাবতীয় কিছু পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছে, সেখানে কীভাবে অবিকৃত থেকে উড়তে পারে তৃণমূলের পতাকা? প্রশ্ন ববির।
অভিজিৎ বলেন, এই এলাকায় সনাতনী হিন্দুদের বসবাস। এখানে আমাদের সংগঠন ভালো। বাখরাহাটে পঞ্চায়েত ভোটে আমরা ভালো ফল করলেও গণনা কেন্দ্রে ভোট লুঠ করা হয়, মারধর করা হয় প্রার্থীদের। শওকত মোল্লার নির্দেশে তৃণমূলের দুষ্কৃতীরাই এ সব করেছিল।
অভিজিতের কথায়, সেই সময় আমি হুঁশিয়ারি দিয়েছিলাম হাইকোর্টে যাওয়ার। ফলে চাপে পড়ে আমাদের ২টি আসন ছাড়া হয়েছে বলে দেখানো হয়। গতকাল অভিষেক যখন এসেছিলেন তখন এখানে জয় শ্রীরাম ধ্বনি দেওয়া হয় বলে শুনেছি। তার জেরেই এই ঘটনা কিনা, তা খতিয়ে দেখুক প্রশাসন।
শওকতের লোকজন এই ঘটনা ঘটিয়ে, নির্দেশমতো কাজ হয়ে গিয়েছে বোঝাতে জঙ্গিদের মতো তৃণমূলের পতাকা লাগাল কিনা তাও তদন্তের আওতায় আনার দাবি জানান অভিজিৎ। তিনি বলেন, নির্বাচনী আচরণবিধি ভেঙে সরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যেও কয়েক কোটি টাকার ব্যানার, ফেস্টুন লাগানো হয়েছে। সেগুলি অবিলম্বে খোলার দাবি জানিয়েছি। এবার আমি প্রার্থী। যেভাবে এতদিন ভোট করিয়ে এসেছে তা হতে দেব না। ঠিকভাবে ভোট হলে অভিষেকের জামানত জব্দ হয়ে যাবে।












Click it and Unblock the Notifications