Jaynagar Rape-Murder Case: ধর্ষণের ঘটনায় অগ্নিগর্ভ জয়নগর, জ্বলছে পুলিশ ফাঁড়ি! পাল্টা লাঠিচার্জ পুলিশের
Jaynagar Rape-Murder Case: অগ্নিগর্ভ জয়নগরের মহিষমারি এলাকা। চতুর্থ শ্রেণির নাবালিকা স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণ ও খুনের অভিযোগ উঠেছে। মৃতদেহ উদ্ধারের পরেই জনরোষ শুরু হয়ে যায়। তার থেকে পুলিশের উপর জনতার ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয় পুলিশ ক্যাম্পে। এলাকার মহাকুমা শাসকও মানুষের তাড়া খেয়ে পালিয়ে বাঁচেন বলে শোনা গিয়েছে।
শনিবার সকাল থেকেই পরিস্থিতি ক্রমশ উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। মৃতদেহ উদ্ধারের পর সাধারণ মানুষ ক্ষেপে যায়। পুলিশি নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ তুলতে থাকেন। এক সময় গ্রামে আসা পুলিশ কর্মীদের তাড়া করেন স্থানীয় বাসিন্দারা। ক্ষোভ গিয়ে পড়ে পুলিশের উপর।

শুক্রবার দুপুর থেকে নিখোঁজ ছিল ওই ছাত্রী। পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করা হয়। পুলিশ সেই বিষয়ে কোনও গুরুত্বই দেয়নি বলে অভিযোগ। শুক্রবার রাতেই মৃতদেহ উদ্ধার হয়। তারপর শুরু হয়ে যায় এলাকায় উত্তেজনা। পুলিশ ব্যবস্থা নিলে এই ঘটনা ঘটত না। কিন্তু পুলিশ জয়নগর থানায় যেতে বলেছিল। এমন অভিযোগ স্থানীয় বাসিন্দাদের। পুলিশের উপর ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ হতে শুরু করে।
এলাকার পুলিশ ক্যাম্পে হামলা চালানো হয় প্রথমে। সেটিতে ভাঙচুর করা হয়। আগুন লাগিয়ে দেওয়ার কথাও শোনা গিয়েছে। পুলিশ ফাঁড়িতে সাধারণ মানুষ চড়াও হয়। পুলিশকে দেখেই মারমুখি হয়ে ওঠে সাধারণ মানুষ বাঁশ, লাঠি, ঝাঁটা, রড নিয়ে পুলিশ ফাঁড়ি ঘেরাও করা হয়। সাধারণ মানুষকে থামানোর চেষ্টা করেছিল পুলিশ। মহকুমা শাসক ঘটনাস্থলে এসেছিলেন।
কিন্তু উত্তেজিত জনতাকে প্রশমিত করা সম্ভব হয়নি। শেষপর্যন্ত বিশাল পুলিশ বাহিনী ও র্যাফ ঘটনাস্থলে আসে। রীতিমতো খণ্ডযুদ্ধ পরিস্থিতি শুরু হয়। সাধারণ মানুষকে দূরে সরাতে কাঁদানে গ্যাস ছোঁড়া হয় বলে খবর। লাঠিচার্জ করা হয়। প্রাথমিকভাবে উত্তেজিত জনতাকে সরানো গিয়েছে। কিন্তু ক্ষোভ কোনওভাবেই কমানো সম্ভব হয়নি।












Click it and Unblock the Notifications