• search

রোহিঙ্গা শিবির থেকে তাঁর অভিজ্ঞতা তুলে ধরলেন প্রিয়াঙ্কা, দেখুন সেই ছবি ও ভিডিও

Subscribe to Oneindia News
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS
For Daily Alerts

    ইউনিসেফের শুভেচ্ছাদূত প্রিয়াঙ্কা চোপড়া, সম্প্রতি রোহিঙ্গা শরণার্থীদের ক্যাম্পে গিয়েছিলেন। সেখান থেকে তিনি সোশাল মিডিয়ায় তাঁর অভিজ্ঞতা তুলে ধরেছেন। রোহিঙ্গাদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য সারা বিশ্বকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন। রোহিঙ্গাদের বিভিন্ন শিবিরের তাঁর প্রতিদিনের অভিজ্ঞতার কথা বিভিন্ন ছবি এবং ভিডিওর মাধ্যমে তুলে ধরেছেন এই অভিনেত্রী।

    রোহিঙ্গা শিবির থেকে তাঁর অভিজ্ঞতা তুলে ধরলেন প্রিয়াঙ্কা, দেখুন সেই ছবি ও ভিডিও

    সফরের প্রথমে তিনি যান জামতলির রোহিঙ্গা শিবিরের 'মহিলা বান্ধব' এলাকায়। তিনি জানিয়েছেন রোহিঙ্গাদের শিবিরে সাধারণত যেরকম হইহট্টোগোল, প্রচুর মানুষের ভিড়, প্রকৃতপক্ষে উপচে পড়া ভিড় থাকে এই এলাকাটা তার থেকে আলাদা। বরং অদ্ভূত শান্তি রয়েছে এখানটাতে।

    As I walk into the Women Friendly Space at the Jamtoli Camp, I am instantly struck by a certain calmness. These camps are loud & crowded, actually overcrowded, and so to find a quiet oasis, in this case a small hut with a tarp roof and thatched bamboo walls, is surprising. But for the girls in this camp, this is what they call their “house of peace.” It’s a place they can come and just be. A place to interact with friends, seek counselling, learn about hygiene, or learn life skills like art and music. There are approx 50 Women Friendly Spaces in the camps, just like this one, that on any given day see 50-70 Rohingya girls seeking these safe havens. The centers open at 9am, but there is seldom a day when the women aren’t lined up early, waiting for the doors to open. It is here that I met three 18 year old young women, in particular, who’s stories really shook me - their names have been omitted to protect their identities. They recounted lives of pain and suffering so horrifying...it’s difficult to fathom. One scarred with memories of houses in her village being burned - she and her parents traveled for two days to get here, passing hundreds of decapitated and dismembered bodies along the way. Another shared stories of young girls being pulled from their homes to be raped and tortured. They even tried to kill her and cut her with a knife, but she fought back. How did you manage to be so brave, I asked her...she replied, “If you’re born you will die, so I’m not scared of dying today.” In what world is it normal for an 18 year old girl to have this perspective on life?! The third young woman traveled for nearly two weeks on foot through the forest, where her youngest brother died along the way. There was lots of rape and torture back home she told me, and some women’s breasts were even cut off. While their lives are safer now, they are all still struggling. They know that with an education they can get a job and create better lives for their family, like buying protein for their meals, and clean drinking water. It’s literally as basic as that. Please help however you can, no donation is too small...go to www.supportunicef.org #childrenuprooted @unicef

    A post shared by Priyanka Chopra (@priyankachopra) on May 23, 2018 at 11:37am PDT

    একটি ত্রিপল ছাওয়া বাঁশের তৈরী ছোট কুঁড়েঘর। প্রিয়াঙ্কা জানিয়েছেন সেটাই ক্যাম্পের মেয়েদের 'শান্তির ঘর'। সেখানে রোহিঙ্গা মহিলারা নিজেদের মতো করে সময় কাটান। বান্ধবীদের সঙ্গে আড্ডা, গল্পগুজব, শলা-পরামর্শ, স্বাস্থ্যবিধি সম্পর্কে আলোচনার পাশাপাশি নিজেদের মধ্যে নাচ-গানও চলে। প্রিয়াঙঅকার পোস্ট করা একটি ছবিতে তাঁকেও সেসব কাজকর্মে অংশ নিতে দেখা গিয়েছে। শরণার্থী শিবিরের ছোট্ট মেয়েদের 'টি পার্টি' তিনি প্রচুর মজা করেছেন।

    কোয়ান্টিকো-তে অভিনয়ের সুবাদে তাঁর এখন বিশ্বজোড়া পরিচয়। কিন্তু রোহিঙ্গা শিবিরে তিনি যেন তারকা নন, শিবিরের আর পাঁচজন মহিলার সঙ্গে তিনি স্বচ্ছন্দে মিশে গেছিলেন। শিবির থেকেই তিনি জানান, ওই ক্যাম্পে আনুমানিক ৫০ টি 'মহিলা বান্ধব' স্থান আছে। কিন্তু তা যথেষ্ট নয়। কারণ প্রতিদিন সেসব জায়গায় গড়ে ৫০ থেকে ৭০ জন করে রোহিঙ্গা মহিলা আশ্রয় নেন।

    I was quite literally knocked off my feet...a spontaneous, unfiltered moment with these amazing kids, who I spent a couple of hours with laughing and learning. It was as if for those few hours we all forgot where we were, and let ourselves be kids again (me included). One of the last stops on my field visit was at a @unicef Learning Center in the Balukhali Camp. Here, children are given a basic education of math, English, and Burmese through a colorful and engaging curriculum of song, drama, role playing. The age of the children in this classroom ranges between 7-10 years old, and for many of these kids this is their first school experience. There are over 400,000 children at these camps, but currently only 1/3 have access to education because of the lack of space and teachers. Given everything these kids have been through, their was no shortage of excitement or hope when I asked the kids what they wanted to be when they grow up. Whether it be a journalist, doctor, school teacher, or in the military, receiving an education means they’re getting a chance to create the future they aspire for themselves. The children are also taught basic hygiene, which is very important in a camp such as this, because of wide spread diseases like cholera and watery diarrhoea. Basics, like how to properly wash your hands, has actually helped to significantly reduce illnesses, and what’s amazing is that these kids go home and teach their parents and siblings the good health practices they’ve learned. Its initiatives like this that are setting these kids up for a brighter future. As I sit amongst them, singing along, the lyrics have more meaning than ever... “deep in my heart, I still believe, we shall overcome one day! .” I know they will. For those who’ve asked how they can contribute, here’s the answer... help every child get an education by logging on to www.supportunicef.org #childrenuprooted @unicef @unicefbangladesh

    A post shared by Priyanka Chopra (@priyankachopra) on May 24, 2018 at 2:22am PDT

    তাদের প্রত্যেকের কাছেই হৃদয় বিদারক সব কাহিনী রয়েছে। প্রিয়াঙ্কা জানিয়েছেন, এক মেয়ের গ্রামের বাড়িঘর জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছিল। সেখান থেকে সে ও তার বাবা-মা দু'দিন পর শিবিরে এসে পৌঁছান। পথের শয়ে শয়ে মুন্ডহীন বা ক্ষতবিক্ষত লাশ পেরোতে হয়েছে তাঁদের। আরেকটি মেয়েকে বাড়ি থেকে টেনে হিঁচড়ে বের করে ধর্ষণ ও নিদারুন অত্যাচার করা হয়। এমনকী এরপর তাকে মেরে ফেলার চেষ্টাও করা হয়, ছুরির আঘাতও পড়েছিল। কিন্তু তাও সে তাদের সঙ্গে লড়াই চালিয়ে গিয়েছে। কোনমতে নিজেকে মুক্ত করে পালিয়ে এসেছে। আরেক যুবতীকে বনের মধ্য দিয়ে প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে পায়ে হেঁটে আসতে হয়েছে। পথে মারা গিয়েছে তার ছোট ভাই। ধর্ষণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন শিবিরের অনেক মহিলাই।

    This is little Shohida (8 months old), who stole my heart with her infectious smile. It’s a poignant reminder of the dichotomy of life...here she was getting all the help she needed, when just a few months before, her mother, Alada (who was only 19 years old at the time) walked for 15 days, while 6 months pregnant with her ,to get across the border. It shows us that there is hope left in this world. When you’re dealing with a mass exodus of thousands of people, who have been displaced from their homes and are desperate for refuge, the need for proper health and nutrition takes center stage...especially for women and children. On the various Unicef Field Visits I have taken, I am always surprised by the simple yet effective solutions that @unicef and their partners develop to deal with the most dire and pressing situations and issues. This is something I experienced again today during my visit to the Nutrition Centre at the Jamtoli camp in Cox’s Bazar. More than 60,000 babies have been born in the camps over the past 8 months, so this center is an essential resource for new mothers to learn about proper feeding and nutrition. It all begins with the MUAC, a process where the child’s middle upper arm is measured to ascertain their nutrition level. From there, aids create a program for the child and a nutrient rich, ready-to-eat peanut paste is portioned out for each child based on the severity of malnutrition. At the Center mother’s are also taught basic hygiene and good health practices when they are in their homes. The world needs to care. We need to care. Please lend your support at www.supportunicef.org #childrenuprooted @unicef @unicefbangladesh

    A post shared by Priyanka Chopra (@priyankachopra) on May 23, 2018 at 12:32pm PDT

    অবশ্য এই সব নিরাশাজনক কাহিনীর মধ্য থেকেই আশা খুঁজেছেন প্রিয়াঙ্কা চোপড়া। তিনি বলেছেন আট মাস বয়সী শহিদার কথা। কয়েক মাস আগে শহিদার মা ১৯ বছর বয়সী আলাদা, ছয় মাসের গর্ভবতী অবস্থায় সীমান্ত পেরিয়ে ১৫ দিন ধরে হেঁটে শিবিরে এসেছিলেন। শহিদা এখন শিবিরে নানারকম সুবিধা পাচ্ছেন। শহিদার কাহিনী বলে প্রিয়াঙ্কা জানিয়েছেন, 'এর থেকেই বোঝা যায়, এই পৃথিবীতে এখনও আশা আছে।' পাশাপাশি তিনি সোশাল মিডিয়ায় রোহিঙ্গাদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য জনগণের কাছে আবেদনও জানিয়েছেন।

    English summary
    Priyanka Chopra shared her experience in Rohingya camp, through photos and videos in social media.

    Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
    সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

    Notification Settings X
    Time Settings
    Done
    Clear Notification X
    Do you want to clear all the notifications from your inbox?
    Settings X
    We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more