বিগ বস শেষ, তবুও চলছে ঋ-জয়জিতের অভিযোগ পাল্টা অভিযোগের খেলা!

বিগ বস বাংলা সিজন ২-এর চ্যাম্পিয়ন জয়জিৎ চক্রবর্তী। তবে জিতেও শান্তি নেই। ইতিমধ্যেই তাঁর চ্যাম্পিয়ন হওয়া নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। জেতার জন্য জয়জিৎ ভোট কিনেছেন বলে অভিযোগ তুলছেন অনেকেই। এই অনেকের মধ্যে অন্যতম বিগ বস বাংলা সিজন ২ এর সেকেন্ড রানার আপ ঋ।

বিগ বস -এর ফাইনালের দিনই ঋ আউট হয়ে বেরিয়ে আসার পর বলেছিলেন ফাইনালের শেষ দুইয়ে ডেফিনেটলি দুটো মেয়ের থাকা উচিত ছিল। জয়জিৎ সারা সিজনে কিছু করেনি ও জেতা তো নয়ই, দ্বিতীয় স্থানও ডিজার্ভ করে না।

বিগ বস শেষ, তবুও চলছে ঋ-জয়জিতের অভিযোগ পাল্টা অভিযোগের খেলা!

কিন্তু শেষমেষ জয়ী হলেন ঋয়ের মতে ননডিজার্ভিং সেই জয়জিৎই। আর তাতে স্বাভাবিকভাবে মোটেই খুশি নন ঋ। একটি সংবাদপত্রকে সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, "জয়জিৎ একেবারেই ডিজার্ভিং নয়, ও তো ভোট কিনেছে বলে শুনেছি। জয়জিৎ তো নিজেই বারবার বলত আমার ভোটব্যাঙ্ক আছে। কিসের ভিত্তিতে বলত বলুন তো?" [(ছবি) 'ঘুমকাতুরে' জয়জিতই বিগ বস বাংলা ২-এর চ্যাম্পিয়ান!]

পাশাপাশি ঋ এটাও বলেছেন, যদিও জয়জিৎ ভোট কিনেছেন তার হাতে নাতে কোনও প্রমান তার কাছে নেই। কেউ প্রমান করতে বললে তিনি প্রমাণও করতে পারবেন না, তাই এখন এসব কথা বলে লাভ নেই, জয়জিৎ যেভাবেই জিতুক, শেষ কথা ওর কাছে ট্রফি ও টাকা দুটোই আছে।

কিন্তু এবিষয়ে জয়জিৎ নিজে কি বলছেন? জয়জিতের কথায়, আমি কখনও জিতব সত্যিই ভাবিনি, আমি এর আগে বিগ বস কোনও দিনও দেখিওনি তাই বিষয়টা সম্পর্কে পাকা খেলোয়াড় শুরু থেকেই ছিলাম না। কিন্তু আমি আমার সেরাটা দিয়েছি। শুধু বলতে পারি, আমি ভদ্রলোকের মতো খেলেছি, কখনও কোনও ঝগড়ায় কারোর পরিবারকে টেনে আনিনি। তাই হয়তো দর্শকের আশীর্বাদ পেয়েছি।

বিগ বস শেষ, তবুও চলছে ঋ-জয়জিতের অভিযোগ পাল্টা অভিযোগের খেলা!

ভোট কেনার প্রসঙ্গে জয়জিতের বক্তব্য, "এটা এবং সোজা অঙ্কের হিসাব। ৪ জন ফাইনালে ছিল। আমি যদি ৩০ শতাংশ ভোট পাই তাহলে বাকি ৭০ শতাংশ বাকি ৩ জনে পেয়েছে। অর্থাৎ এই ৭০ শতাংশ মানুষ আমার বিরুদ্ধে নেগেটিভ ভোট দিয়েছেন। তাদের আমারকে ভাল লাগেনি। কিন্তু সোস্যাল মিডিয়ায় আমার পরিবার টেনে যেভাবে কথা বলা হচ্ছে তা সত্যিই কুরুচিকর। আমি ভোট কিনেছি বলে যারা অভিযোগ করছে তারা একেবারে মিথ্যা কথা বলছে।"

বিগ হস হাউজে তার ঘুমকাতুরে স্বভাব নিয়ে বারবার লোকের হাসির খোরাক হতে হয়েছে জয়জিৎকে। ঋ জয়জিৎকে নন ডিজার্ভিং আখ্যা দেওয়ার যুক্তি হিসাবে "ঘুমিয়ে ঘুমিয়েই ফাইনালে চলে গেল"-র তত্ত্ব খাঁড়া করেছেন। শুধু ঋ নয়, হাউজ মেটদের সবাই এমনকি জয়জিতের নিজের লবিও তা বলতে ছাড়ত না।

কিন্তু জয়জিতের কথায়, "আরে সারাদিন ঘুমবোটা কী করে। চোখ বন্ধ করার ৩০ সেকেন্ড বাদ থেকেই তো কুকুরের ঘেউ ঘেউ শব্দ পাওয়া যেত। তাছাড়া সবাই আমাকে ঘুমতে দেখেছে, কাজে ফাঁকি মারতে দেখেছে, মেয়েরা খালি চেঁচিয়ে গেল ছেলেদের লবি ওদের অপমান করেছে, আমাকে অপমান করা হয়নি? টেলিভিশনের পর্দায় বলা হয়েছে আমি নাকি বউয়ের পয়সায় খেয়ে বেঁচে আছি। আমি নাকি গুড ফর নাথিং। আমার ১৫০০০ এপিসোড টেলিভিশনে সম্প্রচার হয়েছে। তারপরও এসব কথা আমায় শুনে হজম করতে হয়েছে।"

ছেলেদের দলবাজির ঠেঁস দেওয়া হলেও দলবাজিটা মেয়েদের নিয়ে আগে শুরু করেছিল ঋ, অভিযোগ জয়জিতের। জয়জিতের কথায়, ছেলেদের মধ্যে একটা ভাল সম্পর্ক তৈরি হয়েছিল। সেটাকে লবির নাম দিয়েছে ঋ। মেয়েদের নিয়ে ও নিজেও দলবাজি করতে গিয়েছিল। কিন্তু ও ব্যর্থ হয়েছে। বাড়ি থেকে বেরিয়ে শিলাজিৎদাকে ফোন করে কথা বললাম। ঋয়ের সঙ্গে আর আমি কথাও বলতে চাই না।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+