Bangladesh: রাহুল আনন্দের বাড়িতে তাণ্ডব দুষ্কৃতীদের, 'জলের গান' কি থেমে গেল? প্রতিবাদে সোচ্চার শিল্পীরা
বাংলাদেশে যে অশান্তি তুঙ্গে সেটা একের পর এক ঘটনায় প্রকাশ্যে আসতে শুরু করেছে। এমনকী শিল্পীদের বাড়িতেও হামলা চলছে। গতকাল সৃজিত পত্নী মিথিলা ফেসবুক পোস্টে জানিয়েছিলেন কীভাবে রাস্তায় গাড়ি বারবার থামিয়ে তল্লাশি চালানো হয়েছে। তারপরেই আবার গতকাল রাতে বাংলাদেশের জনপ্রিয় বাংলা গানের ব্যান্ড জলেন গানের প্রধান শিল্পী রাহুল আনন্দের বাড়িতে তাণ্ডব চালায় দুষ্কৃতিরা।
গোটা বা়ড়ি ভেঙে তছনছ করে দেওয়া হয়েছে। শিল্পীর বাড়িতে থাকা ৩০০০ বাদ্যযন্ত্র ভেঙে গুঁড়িয়ে দিয়েছে দুষ্কৃতিরা। এক কাপড়ে স্ত্রী এবং ছেলেকে নিয়ে ঘর ছাড়তে হয়েছে শিল্পীকে। এই স্বাধীনতা কি বাংলাদেশ চেয়েছিল? এই নিয়ে এবার প্রশ্ন উঠতে শুরু করে দিয়েছে।

গোটা বা়ড়ি ভেঙে তছনছ করে দেওয়া হয়েছে। শিল্পীর বাড়িতে থাকা ৩০০০ বাদ্যযন্ত্র ভেঙে গুঁড়িয়ে দিয়েছে দুষ্কৃতিরা। এক কাপড়ে স্ত্রী এবং ছেলেকে নিয়ে ঘর ছাড়তে হয়েছে শিল্পীকে। এই স্বাধীনতা কি বাংলাদেশ চেয়েছিল? এই নিয়ে এবার প্রশ্ন উঠতে শুরু করে দিয়েছে।
এ কোন স্বাধীনতা? এবার প্রশ্ন উঠতে শুরু করে বাংলাদেশের অন্দরেই। কোটা সংরক্ষণ নীতির প্রতিবাদে ছাত্রদের আন্দোলনকে সমর্থন করে রাস্তায় নেমেছিলেন বাংলাদেশের অসংখ্য শিল্পী সাহিত্যিকরা। তাতে সামিল ছিলেন জলের গানের প্রধান শিল্পী রাহুল আনন্দও। তারপরেও কেন তাঁর বাড়িতে হামলা চালাল দুষ্কৃতিরা তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।
রাহুল আনন্দের ধানমাণ্ডির বাড়িতে গতকাল রাতে হামলা চালানো হয়। বাড়িতে থাকা প্রায় ৩০০০ বাদ্যযন্ত্র ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। শিল্পীর বাড়িতেই ছিল স্টুজিও। সেটাও ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। জলের গানের অফিসিয়াল স্টুডিও ছিল এই বাড়িটি। এই বাড়িতে বসেই শিল্পী গান লিখতেন, সুর করতেন। গানের রেকর্ডিংও হতো এই বাড়ি থেকেই। সবটাই ভেঙে গুঁডিয়ে দিয়েছে দুষ্কৃতিরা।
ফেসবুক পোস্টে এই ভয়ঙ্কর ঘটনার কথা শেয়ার করেছে জলের গানের সদস্যরাই। সাধারণ জীবন ছিল শিল্পীর। অনুরাগীদের জন্য তাঁর বাড়ির দরজা সবসময় খোলা থাকত। এই বাড়িতে কাটিয়ে গিয়েছেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রোঁও। নিজে এই বাড়িতে বসেই বাদ্যযন্ত্র তৈরি করতেন। সেই সব বাদ্যযন্ত্র ভেঙে চুরমার হয়ে গিয়েছে বলে জানা গিয়েছে। কোনও মতে প্রাণ হাতে করে শিল্পী রাহুল আনন্দ তাঁর স্ত্রী-পুত্রকে নিয়ে বেরিয়ে এসেছিলেন বাড়িটি থেকে। তবে জলের গান বন্ধ হবে না জানিয়ে দিয়েছেন শিল্পীরাই। বাংলাদেশের পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গেও সমান ভাবে জনপ্রিয় এই জলের গান ব্যান্ডটি। দেশ বিদেশে একাধিক জায়গায় এই জলের গানের পরিচিতি রয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications