মেঘালয়ের পর ত্রিপুরায় যাচ্ছেন মমতা-অভিষেক, গেমপ্ল্যান তৈরি হবে বিধানসভা নির্বাচনের

২০২৩-এর শুরুতেই ত্রিপুরা ও মেঘালয়ে বিধানসভা নির্বাচন। সম্প্রতি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁদের ব্যাটেল গ্রাউন্ড হিসেবে বেছে নিয়েছিলে মেঘালয়কে। এবার তাঁরা ত্রিপুরায় যাচ্ছেন।

২০২৩-এর শুরুতেই ত্রিপুরা ও মেঘালয়ে বিধানসভা নির্বাচন। সম্প্রতি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁদের ব্যাটেল গ্রাউন্ড হিসেবে বেছে নিয়েছিলে মেঘালয়কে। এবার তাঁরা ত্রিপুরায় যাচ্ছেন। ত্রিপুরায় আগে পা দিয়েও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যাচ্ছেন অনেক পরে।

ত্রিপুরায় যাচ্ছেন মমতা-অভিষেক,তৈরি হবে বিধানসভার গেমপ্ল্যান

ত্রিপুরায় তৃণমূল সম্প্রতি বেছে নিয়েছে তাঁদের রাজ্য সভাপতিকে। মমতার হাত ধরে দিল্লিতে প্রাক্তন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি পীযুষকান্তি বিশ্বাস তৃণমূলে যোগ দেন। তারপরই তাঁকে তৃণমূল ত্রিপুরার রাজ্য সভাপতি মনোনীত করে। সেইসঙ্গে রাজ্য কমিটি গঠন হয় তৃণমূলের। রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়কে দেওয়া হয় ত্রিপুরার ইনচার্জের দায়িত্ব।

বাংলায় ২০২১-এর বিধানসভা নির্বাচনের পরই ভিনরাজ্যে নজর দিয়েই ত্রিপুরাকে সবার প্রথম বেছে নিয়েছিল তৃণমূল কংগ্রেস। ত্রিপুরায় নতুন ইউনিট তারা গড়তে শুরু করেছিল। এমনকী মাঝে তারা পুরসভা নির্বাচনেও অংশ নিয়েছিল। ভোটও বাড়িয়ে নিতে সমর্থ হয়েথিল ২০ শতাংশে। কিন্তু এরপর উপনির্বাচনে অংশ নিয়ে মুখ থুবড়ে পড়ে তৃণমূল।

তারপর ত্রিপুরা তৃণমূলে নেমে আছে বিরাট ধাক্কা। সাড়ে তিনমাস রাজ্য সভাপতি-হীন ছিল ত্রিপুরা তৃণমূল। ত্রিপুরার ভার ছিল রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় ও সুস্মিতা দেবের উপর। ত্রিপুরায় নতুন ইউনিট গড়ার পর সুবল ভৌমিককে রাজ্য সভাপতি করা হয়েছিল। তাঁর বিজেপি যোগের সম্ভবানা তৈরি হতেই তাঁকে অপসারিত করা হয়।

সাড়ে তিনমাস তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য সভাপতি শূন্য থাকার পর অতি সম্প্রতি রাজ্য সভাপতি করা হয়েছে প্রাক্তন কংগ্রেসি পীযুষকান্তি বিশ্বাসকে। এরপর তৃণমূল কংগ্রেস ত্রিপুরায় পূর্ণাঙ্গ রাজ্য কমিটি ঘোষণা করে। তৈরি হয় ব্লক কমিটিও। রাজ্য সভাপতি হিসেবে পীযুষকান্তি বিশ্বাস রাজ্য কমিটি বেছে নেন। এর পাশাপাশি বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে নির্বাচনী কমিটিও গঠন করা হয়।

তৃণমূলের নির্বাচনী কমিটিতে রয়েছেন রাজ্যসভার সাংসদ তথা অসমের নেত্রী সুস্মিতা দেব এবং ত্রিপুরা প্রাক্তন প্রদেশ সভাপতি আশিসলাল সিংহ। আর রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়কে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ত্রিপুরার। তাঁকে ত্রিপুরার ইনচার্জ করা হয়েছে। অর্থাৎ পীযুষকান্তি বিশ্বাসের উপরে থাকবেন তিনি। সর্বভারতীয় তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্বের প্রতিনিধি হিসেবে তিনি ত্রিপুরা দায়িত্ব পালন করবেন।

আর ত্রিপুরায় ঘর গুছিয়ে নেওয়ার পর এই প্রথম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যাচ্ছেন। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় উপনির্বাচনে গোহারা হওয়ার আগে পর্যন্ত ত্রিপুরায় পড়েছিলেন। কিন্তু তারপর থেকে ত্রিপুরা সফর করেননি। তিনিও যাচ্ছেন। মেঘালয়ের পর মমতা-অভিষেক একসঙ্গে ত্রিপুরায় সভা করবেন। ত্রিপুরায় রোডম্যাপ তৈরি করে দেবেন বিধানসভা নির্বাচনের আগে।

এখানে উল্লেখ্য, সুবল ভৌমিক রাজ্য সভাপতি থাকাকালীন যাঁরা দলের পদ থেকে সরে গিয়েছিলেন, পীযুষকান্তি বিশ্বাস সভাপতি হয়ে নয়া কমিটিতে তাঁদেরকেই ফিরিয়ে আনা হয়েছে। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য আশিসলাল সিংহ। যখন তৃণমূলের কিছু ছিল না ত্রিপুরায়, তখন আশিসলাল সিংহই অস্তিত্ব টিকিয়ে রেখেছিলেন। কিন্তু সুবল ভৌমিক আহ্বায়ক হয়ে আসার পর থেকেই আশিসলাল সিংহ ব্রাত্য হয়ে যান। পুরনোদের ফিরিয়ে এনে ত্রিপুরায় লড়াই দেওয়ার পরিকল্পনা সেরে ফেলেছেন।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+