eSIM: শুরু হতে চলেছে ই-সিমের যুগ! কীভাবে কাজ, কীভাবেই বা ব্যবহার
eSIM: যুগের পরিবর্তনের সঙ্গে মানুষও পরিবর্তনশীল। পরিবর্তন হচ্ছে প্রযুক্তিতে। স্মার্টফোনে ডেটা কানেক্টিভিটির জন্য সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ হল সিম কার্ড। এই সিমকার্ড ব্যবহারকারীদের সনাক্ত করে। যুগের এগিয়ে যাওয়ার সঙ্গে এই সিমেও পরিবর্তন আসছে। বাজারে ট্রেন্ড ই-সিমের। যা ফিজিক্যাল সিম কার্ডের প্রতিস্থাপন শুরু করেছে।
এই ই-সিম ফিজিক্যাল সিমের প্রয়োজনীয়তাকে দূর করে দিচ্ছে। যার ফলে লোকেরা কোনও ফিজিক্যাল সিম কার্ড ইনস্টল না করে কোনও ঝামেলা ছাড়াই টেলিকম পরিষেবা ব্যবহারের বিকল্প পাচ্ছেন। কিন্তু সত্যিই কি ই-সিমের যুগ এসেছে?

এব্যাপারে এয়ারটেলের সিইও গোপাল ভিট্টল জানিয়েছেন, অনেক ক্ষেত্রেই ফিজিক্যাল সিম কার্ডের চেয়ে ই-সিম ভালো। সব বড় টেলিকম কোম্পানিগুলি ই-সিম অফার করছে। কারণ ফোন চুরি রোধ করা থেকে শুরু করে ডেটা স্থানান্তরে ই-সিমের অনেক সুবিধা রয়েছে।
কোনও ব্যবহারকারী যদি নিজের ফোনে ই-সিম ব্যবহার করেন, তাহলে এর হারানো বা চুরির ভয় কমে যায়। যে কেউ একটি ফিজিক্যাল সিম কার্ড ফেলে দিতে কিংবা ভেঙে ফেলতে পারে। কিন্তু ই-সিমের ক্ষেত্রে তা সম্ভব হবে না। একইভাবে ফোন হারিয়ে গেলে কিংবা চুরি হওয়ার পর চা চালু করতে গেলে সঙ্গে সঙ্গে ট্র্যাক করা সম্ভব।
এক্ষেত্রে যেহেতু সিম কার্ডটি ফোনের ভার্চুয়াল সফটঅয়্যারের অংশ, তাই ফোনের অবস্থান সনাক্ত করতে কোনও সমস্যা হয় না।
অন্যদিকে এই ই-সিম পরিষেবার সঙ্গে আন্তঃসংযুক্ত ডিভাইসগুলি একই নম্বরে লিঙ্ক করার বিকল্প রয়েছে। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, মোবাইল ফোন থেকে স্মার্টওয়াচ, সব ডিভাইস আন্তঃসম্পর্কযুক্ত হতে পারে। এগুলির সবকটিতেও টেলিকম পরিষেবা পাওয়া যায়।
এর অর্থ হল, কোনও ব্যবহারকারী যদি ফোনের পরিবর্তে শুধুমাত্র একটি স্মার্টওয়াচ ব্যবহার করেন কিংবা অনেকগুলি ফোন থাকে, তাহলে ই-সিম সবগুলিকে সংযোগ দিতে পারে।
কোন ব্যবহারকারী যদি ই-সিম ব্যবহার শুরু করতে চান, তাহলে প্রথমে ফোনে তা ব্যবহারে সমর্থ কিনা তা পরীক্ষা করে দেখতে হবে। যদি সেই ফোন ই-সিম ব্যবহারে সমর্থ হয়, তাহলে টেলিকম অপারেটরের সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে। প্রায় সবকটি বেসরকারি টেলিকম সংস্থা ফিজিক্যাল সিমের পরিবর্তে বিকল্প ই-সিম নিয়ে হাজির।












Click it and Unblock the Notifications