কবে ভারত ছাড়বে করোনা, কী বলছেন জ্যোতিষীরা
কবে ভারত ছাড়বে করোনা, কী বলছেন জ্যোতিষীরা
সৃষ্টি ও ধ্বংস একটি প্রতিপদ শব্দ অর্থাৎ সৃষ্টি হলে তার শেষও আছে। তাই করোনা ভাইরাস নিয়ে অহেতুক আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। কারণ ইতিহাস বলছে এর পূর্বে বহু মারণ ভাইরাস একএক সময়ে রাজত্ব করে মানব বিজ্ঞানের কাছে পরাজয় স্বীকার করেছে। যাই হোকদেখে নেওয়া যাক জ্যোতিষতত্ত্ব কী বলছে।
জ্যোতিষের আদি ও সৃষ্টিকর্তা হল সূর্য বা রবি। সূর্যকে কেন্দ্র করে গ্রহ এবং ছায়াগ্রহ(যেমন রাহু ও কেতু)-এর ফল, তাৎপর্য, কারকতা, পরাশর, হোররি, বরাহমিহির, কালিদাসী এবং জৈমিনি বা ভৃগু সংহিতায় গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। তৎসহ ২৭ টি নক্ষত্র, যোগ, চন্দ্র কলা গ্রহস্পুট ইত্যাদি।

লম্বা সময় ধরে চলছে কালসর্প যোগ
জ্যোতিষ অনিন্দ্য ভারতী বলছেন, ২০১৯ থেকে ২০২০-এর লম্বা সময় ধরে কালসর্প (রাহু+কেতুর একপার্শ্বে সমস্ত গ্রহ) যোগ চলছে। ২০১৯-এর ২৬ ডিসেম্বর(৯ পৌষ) ভারত-সহ সংলগ্ন বেশ কিছু দেশে সূর্যগ্রহণ হয়েছিল। প্রসঙ্গত আমাবস্থায় সূর্যগ্রহণ এবং পূর্ণিমাতে(১০ জানুয়ারি, ২০২০) চন্দ্রগ্রহণ হয়। পূর্ব পুরুষরা বলে থাকেন গ্রহণের মুহুর্তে খাওয়া নিষেধ। পরিষ্কার ভাবে থাকতে, রাস্তায় ওই সময় না বেরোতে ইত্যাদি।

অ্যালিয়েন করোনার উৎপত্তি
যাই হোক এই গ্রহণই যে ২০২০তে মারণ হয়ে দাঁড়াবে তা কেউ ভাবতেও পারেনি। স্বভাবতই শাঁখের কতার নির্লিপ্ত কালসর্প দোষ যা মিথুন ও ধনু রাশিকে বেষ্টন করে বসে রয়েছেন। তার ওপর কালসর্প-সহ সূর্যগ্রহণ যা ধনুরাশিতে ঘটেছিল এই ২৬ ডিসেম্বর ২০১৯ অর্থাৎ অ্যালিয়েন করোনার উৎপত্তি। অদৃশ্য এই রাক্ষস বা অসুর ক্রমশ সর্বগ্রাসী হয়ে উছতে থাকলো ১০ জানুয়ারি ২০২০ থেকে। জানা গেল এই রাক্ষস বা ধ্বংসের সৃষ্টিকারী শনি, রবির সঙ্গেও চন্দ্র যুক্ত হয়ে বিষযোগে এর রূপ দান।
শুরু করোনা যুদ্ধ, একের পর এক শক্তিশালী দেশ পরাজিত ও ধূলিস্মাৎ হতে শুরু করল। বিজ্ঞানী, চিকিৎসক, মনোবিদ, জ্যোতিষী সবাই ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় এর চরিত্রের বহুরূপিতার কাছে দিকভ্রষ্ট হয়ে উঠল। কিন্তু আমরা কেউ হার মানলাম না। জীবকূলকে একসঙ্গে বাঁচানোর জন্য শুরু হল লকডাউন অর্থাৎ প্রত্যোকের জন্য কোয়ারেন্টাইন।
ধনী, দরিদ্র, শিক্ষিত, অশিক্ষিত, সব পেশার মানুষেরা এক ছাদের তলায় এসে পড়ল, শুরু হল বাঁচার লড়াই। আশা আত্মবিশ্লেষণ করা নিজেদের মনের কোনের ময়লা আর অনাদায়ী ঘরের ও সমাজের গুরু দায়িত্ব নিতে অঙ্গীকরাবদ্ধ হল সবাই।

অপেক্ষা মে মাসের
জ্যোতিষ অনিন্দ্য ভারতী বলছেন, সবাই অপেক্ষায় আছে মে মাসের জন্য। যেখানে শনি ও বৃহস্পতি পরস্পর মকর রাশিতে বক্রী অবস্থান করে মাস বা গণমৃত্যুর হার এবং সংক্রমণ কমাতে শুরু করবে। সঙ্গে মিথুনে রাহুল মঙ্গলের ( মৃগশিরা নক্ষত্র) নক্ষত্রে অবস্থান করবে। করোনা নিধন শুরু হবে। এইভাবে ক্রমান্বয়ে ২১ জুন ২০২০ ভোর ৬ ঘ. ৪১ মি ১৫ সেকেন্ডে মিথুন রাশিতে সূর্যগ্রহণ অর্থাৎ দীর্ঘ ৬ মাসের যুদ্ধে করোনার সহস্র মুখ ধ্বংস হতে শুরু করবে।
আশা করা যাচ্ছে করোনার সঠিক প্রতিষেধক তৈরি হবে। ক্রমান্বয়ে জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর বৃহস্পতির মার্গী কালসর্প খণ্ড ও স্বাভাবিক গতি এবং রাহুল রাশি বদলে মিথুন থেকে বৃষ ও কেতুর ধনু থেকে বৃশ্চিকে আসা সময়ের অপেক্ষা, নতুন জীবানু মুক্ত ও সুশৃঙ্খলবদ্ধ পৃথিবীর বাস্তুতন্ত্রের জন্য।












Click it and Unblock the Notifications