ইঁদুর থেকে পিঁপড়ে, বাস্তু মতে বাড়িতে এসব প্রাণী থাকা শুভ না অশুভ জানেন কি?
ইঁদুর থেকে পিঁপড়ে, বাস্তু মতে বাড়িতে এসব প্রাণী থাকা শুভ না অশুভ জানেন কি?
জ্যোতিষ এবং বাস্তু শাস্ত্র মতে আলাদা আলাদা জিনিসপত্রের মতই আমাদের জীবনের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে আলাদা আলাদা প্রাণীর গুরুত্বও। প্রাণী বা জীব ভেদে তাদের উপস্থিতি বা বাড়িতে হঠাত আগমনের প্রভাব সরাসরি গিয়ে পড়ে সেই বাড়ির সদস্যদের উপর। প্রায় প্রতিটি বাড়িতেই নানা রকমের প্রাণী বা কীট পতঙ্গের আস্তানা থাকে। এর মধ্যে রয়েছে ইঁদুর, টিকটিকি, পিঁপড়ে, ছুঁচো ইত্যাদি প্রাণী। কিন্তু বাড়িতে এই প্রাণীদের উপস্থিতি বা বাসা তৈরি করা অনেক শুভ বা অশুভ লক্ষণের দিকে ইঙ্গিত দেয়। বাস্তু মতে দেখে নেওয়া যাক এরমধ্যে কোন কোন প্রাণী বাড়িতে বাসা করলে তার কেমন প্রভাব পড়ে।

বাড়িতে ইঁদুরের বাসা
আপাত ভাবে দেখতে গেলে ইঁদুরকে একটি শুভ প্রাণী হিসেবেই বিবেচিত করা হয়। পুরাণ ও শাস্ত্র অনুযায়ী, ইঁদুর হল ভগবান গণেশের বাহন। যে কোনও বাড়িতে ইঁদুর থাকা স্বাভাবিক এবং এতে তেমন কোনও ক্ষতি হয় না। কিন্তু হঠাৎ করে বাড়িতে ইঁদুরের সংখ্যা বেড়ে যাওয়া বা ঘরে ইঁদুরের বড় বাসা তৈরি করা একদম ভালো নয়। এইরকম হওয়া ইঙ্গিত দেয় যে শত্রুরা সেই বাড়ির কোনও না কোনও সদস্যের বড় কোনও ক্ষতি করতে পারে। এছাড়া ইঁদুরের সংখ্যা বেড়ে গেলে অপ্রীতিকর ঘটনার ইঙ্গিত দেয়। ইঁদুর বারবার বাড়ির নানা জিনিস কামড়ে নষ্ট করলে তা জীবনে সুখ সমৃদ্ধি কমে যাওয়ার লক্ষণ বোঝায়। বাড়িতে প্রচুর ইঁদুরের উপস্থিতিও রোগের ইঙ্গিত দেয়। তবে মনে রাখতে হবে যে কোনও পরিস্থিতিতেই ইঁদুর মারা ঠিক নয়, বরং কল পেতে সেগুলিকে ঘর থেকে বের করে দেওয়াই ভালো।

ঘরে ছুঁচোর প্রবেশ
ছুঁচোকে দেবী লক্ষ্মীর রূপ হিসাবে বিবেচনা করা হয়। তাই কোনও বাড়িতে এর আগমন একটি শুভ লক্ষণ। এটি বাড়িতে সুখ এবং সমৃদ্ধি বৃদ্ধির লক্ষণ। বিশেষ করে সন্ধ্যার সময় যদি কোনও ছুঁচো ঘরে প্রবেশ করে তবে তা খুবই শুভ বলে মনে করা হয়। তবে খেয়াল রাখতে হবে ঘরে ছুঁচো ঢুকলে সেটি যেন ক্ষুধার্ত না থাকে। তাই ভাঁড়ার ঘরের বাইরে সামান্য কিছু খাবার রেখে দেওয়া উচিত।

টিকটিকির ডাক
ধনী বা নির্ধন যে কোনও বাড়িই হোক না কেন, সেখানে টিকটিকি আসা এবং বাসা করাটা খুবই স্বাভাবিক। বাড়িতে টিকটিকির বাসা থাকা একপক্ষে শুভ বলে মনে করা হয়। কারণ সেটি অনেক বিষাক্ত পোকামাকড় খেয়ে ফেলে। যার কারণে বাড়িতে রোগ বালাইয়ের সম্ভাবনা কমে যায়। এছাড়াও টিকটিকিকে সত্যতার প্রতীক বলে মনে করা হয়। তাই এটি বাড়িতে এলে তা উন্নতির লক্ষণ ইঙ্গিত করে। তবে দেখতে হবে যাতে এর ডিম বা মল কোনও খাবারে না পড়ে।

পিঁপড়ের বাসা
যে কোনও বাড়িতেই কম বেশি পিঁপড়ে থাকে। তবে বাড়িতে আলাদা আলাদা পিঁপড়ের উপস্থিতি আলাদা আলাদা প্রভাব ফেলে। কালো পিঁপড়ে বাড়িতে থাকা শুভ প্রভাবের লক্ষণ বয়ে নিয়ে আসে। কিন্তু লাল পিঁপড়ে থাকা খুব একটা শুভ বলে মনে করা হয় না।
(এই সকল তথ্য সম্পূর্ণ জ্যোতিষ ও বাস্তু শাস্ত্রের উপর নির্ভরশীল)












Click it and Unblock the Notifications