Travel: সীমান্তের হেরিটেজ গ্রাম, ইতিহাস আর প্রকৃতির মেলবন্ধন দেখতে ঘুরে আসুন এই অফবিট লোকেশনে
মোমো-থুক্কার স্বাদের সঙ্গে পরিচিত হয়ে গিয়েছে বাঙালি। উত্তর-পূর্বের একচেটিয়া এই খাবার বাঙালির মন জয় করে নিয়েছে। শুধু খাবার যে তাই নয় উত্তরপূর্বের পর্যটনও বাঙালির কাছে জনপ্রিয়। অসম, নাগাল্যান্ড, মণিপুর, মেঘালয় বেড়াতে পছন্দ করেন না এমন বাঙালি পর্যটক মেলা কঠিন।
এখন তো আবার উত্তর পূর্বের একেবারে সীমান্তের রাজ্য অরুণাচল প্রদেশে পর্যটকদের ভিড় বাড়ছে। নতুন নতুন রাস্তা তৈরি হওয়ার কারণে অরুণাচল প্রদেশ এখন পর্যটকদের অন্যতম পছন্দের জায়গায় পরিণত হয়েছে। অনেকই আবার বলতে শুরু করেছেন উত্তর-পূর্বের কাশ্মীর। অরুণাচলের জনপ্রিয়তা বাড়লেও মাঝে মিজোরাম-লাগাল্যান্ডে আবার পর্যটকের সংখ্যা খুব বেশি নেই।

কিন্তু এখানে পর্যটনের খনি রয়েছে বললে ভুল হবে না। এই উত্তরপূর্বের একটি ছোট রাজ্য মিজোরাম। আদিবাসী অধ্যুষিত এলাকা। মায়ানমারের সঙ্গে ভারতের সীমান্ত ভাগ করে নেয় এই রাজ্যে। এখানকার একটি একেবারে অনামী জায়গা হল কওচুয়াহ রোপুই। যেিট ইউনেস্কো হেরিটেজের তকমা মেয়েছে।
কওচুয়াহ রোপুই শব্দের অর্থ মহান প্রবেশ পথ। এটি একটি হারিয়ে যাওয়া সভ্যতা। এখানকার প্রধান আকর্ষণ প্রস্তর লিপি। যেখানে ১৭১টি পাথরের গায়ে খোদাই করা রয়েছে মানুষস, ফুল, বিভিন্ন প্রাণীর অবয়ব। সেই সঙ্গে বেশ কয়েকটি গুহাও রয়েছে। আর্কিয়লজিকাল সার্ভে অব ইন্ডিয়া এই জায়গাটির সংরক্ষণ করছে। ২০১২ সাল থেকে এই জায়গাটির রক্ষণাবেক্ষণ করছে তারা।
আদিম মানব সভ্যতার নিদর্শন এগুলি এমনই দাবি করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই এই নিয়ে গবেষণা চালাচ্ছেন ঐতিহাসিকরা। এর কাছেই রয়েছে মিজোরামের সবচেয়ে পরিচ্ছন্ন শহর বিয়াট। সেখানে উত্তর-পূর্বের সব সুস্বাদু খাবারের স্বাদ নিতে পারবেন। এখান থেকে কিছু দূরেই রয়েছে মিজোরামের সবচেেয় উঁচু জলপ্রপাত ভানতাং। এর কাছাকাছি যাওয়া সম্ভব নয় পর্যটকদের পক্ষে সেকারণে ওয়াচ টাওয়ারের বন্দোবস্ত রয়েছে। সেখান থেকে জলপ্রপাতের অসাধারণ ভিউ পাওয়া যায়।
কাজেই আর দেরি না করে প্ল্যানিংটা করে ফেলুন কবে কোথায় কখন পৌঁছে যাবেন এই ইউনেস্কো হেরিটেজে। সামনেই কিন্তু পুজোর ছুটি। এখন থেকেই প্ল্যানিং সেরে নিন। কারন অগাস্ট মাস থেকেই বুকিং শুরু হয়ে যােব ট্রেনের।












Click it and Unblock the Notifications