Travel: জঙ্গলের মাঝে গাছবাড়িতে নিশিযাপন, হাতিদের সঙ্গে কাটিয়ে যান কটাদিন, কলকাতার কাছেই রয়েছে সেই জায়গা
হাতিরা ঘুরে বেড়াবো আপনার আশপাশে। জঙ্গলে ঘুরবেন হাতির পিঠে আবার তাঁদের নিজের হাতে স্নান করাতেও পারবেন। এমন অভিজ্ঞতা কখনও সঞ্চয় করেছেন বেড়াতে গেলে। অনেকেই বলবেন দক্ষিণ ভারতের কথা। কিন্তু না কলকাতার কাছেই রয়েছে সেই সুযোগ।
আলিপুরদুয়ারের গরুমারা জাতিয় উদ্যানে ধূপঝোড়া এলিফ্যান্ট পার্ক তৈরি করেছে বনদফতর। সেখানে মূলত দলছুট হাতিদের আশ্রয় দিয়ে তাঁদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। তারাই জঙ্গলে সাফারি করায়। এই এলিফ্যান্ট পার্কে তাঁদের সঙ্গে সময় কাটানোর সুযোগ পাবেন পর্যটকরা।

একেবারে জঙ্গলের মাঝখানে রয়েছে কয়েকটি ট্রি হাউস। চারপাশে ঘন জঙ্ঘল। ভয় নেই পুরো জায়গাটি ইলেকট্রিক ফেনসিং দিয়ে সুরক্ষিত রয়েছে। কোনও বন্য জন্তু এই বনবাংলোর ধারেকাছে ঘেঁসতে পারবে না। রাতের অন্ধকারে হাতিরা প্রায়ই মূর্তি নদীতে জল খেতে আসে। এই গাছবাড়িতে বসে সেই মূর্তি নদীতে হাতিদের আনাগোনা উপভোগ করতে পারবেন। সে এক রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতা।
এখান থেকে এলিফ্যান্ট সাফারিও করা যায়। ধূপঝোড়া এলিফ্যান্ট ক্যাম্পের অ্যতম আকর্ষণ হল এই গাছবাড়ি। নতুন করে সাজিয়ে তোলা হয়েছে এই গাছবাড়িকে। গাছবাড়ির কাছে প্রায়ই হরিণ-হাতিদের আনাগোনা দেখা যায়। সহজে বুকিং পাওয়া যায় না এখানে। মাত্র ৬টি গাছবাড়ি রয়েছে এখানে। সামনে সবুজ ঘাসের লন। পিছনে গভীর জঙ্গল।
এখােন যাঁরা থাকেন তাঁদের কাছে উপরি পাওনা এই ক্যাম্পে হাতিদের সঙ্গে সময় কাটাোর সুযোগ পাবেন পর্যটকরা। এখানে মূর্তি নদীতে হাতিদের স্নান করানোর সময় তাদের সঙ্গে সময় কাটােত দেওয়া হয়। বনদফতরের কর্মীরা হাতিদের স্নান করায় মূর্তি নদীতে সেসময় তাদের সঙ্গে স্নান করাতে হাত লাগাতে পারেন আপনিও। সে এক অমূল্য অভিজ্ঞতা।












Click it and Unblock the Notifications