Travel: নীল আকাশ-কাঞ্জনজঙ্ঘা আর সামনে চা-বাগান, বেড়িয়ে আসুন উত্তরবঙ্গের একেবারে অফবিট এই লোকেশনে
উত্তরবঙ্গ মানেই পাহাড়। আর দার্জিলিং-কালিম্পং-কার্শিয়াং। আর সেই দার্জিলিংয়ের কাছেই রয়েছে ছোট্ট একটি পাহাড়ি গ্রাম। যার নামটা ভারী অদ্ভুত। বাদামতাম। একটি চা বাগানকে কেন্দ্র করেই তৈরি হয়েছে গ্রামটি। এর সঙ্গে আবার ব্রিটিশ আমোলের ইতিহাসো জড়িয়ে রয়েছে।
দার্জিলিং শহর থেকে এই গ্রামের দূরত্ব মাত্র ২১ কিলোমিটার। দার্জিলিং থেকে লেবং হয়ে সেখানে যেতে হয়। লেবং বাজার পড়ে পথে। ছোট্ট একটা বাজার। সেখানে চা-কফি-মোমো সবই পাওয়া যায়। শাক-সবজি থেকে শুরু করে নিত্য প্রয়োজনীয় সব জিনিসি পাওয়া যায় এখানে।

লেবং বাজার থেকে ডান দিকে যে রাস্তাটি চলে গিয়েছে সেই রাস্তা দিয়েই পৌঁছে যাওয়া যায় বাদামতাম গ্রামে। পথে পড়বে বাদামতাম টি এসস্টেট। মনোরকম সেই জায়গা। আরেকটি কিছুদূর এগোলেই পৌঁছে যাওয়া যায় মাঝেটার। সেখানে আবার দুই নদীর সঙ্গম। রঙ্গিত এবং রুংটুং খোলা। তার উপরে রয়েছে ব্রিটিস আমোলের তৈরি হ্যাঙ্গিং ব্রিজ।
কাছেই রয়েছে বাদামতাম ভিউ পয়েন্ট। ভোর ভোর সেখানে পৌঁছে যান। কাঞ্জনজঙ্ঘার সূর্যোদয় অসাধারণ লাগে সেখানে। মাউন্ট জানুর সাক্ষাৎও পেয়ে যেতে পারেন কপাল ভাল থাকলে। সবটাই নির্ভর করছে আবহাওয়ার উপরে। দার্জিলিং থেকে আধঘণ্টার মধ্যেই পৌঁছে যাওয়া যায় বাদামতাম কাজেই কেই সাইড সিইং করতে চাইলেও এখানে চলে আসতে পারেন। শেয়ার জিপেও যাতায়াত করা যায়। এনজেপি থেকে রোহিনী হয়ে সরাসরি এলে দূরত্ব ৮৫ কিলোমিটার। লেবং পর্যন্ত শেয়ার গাড়িতে এসে। সেখান থেকে আবার বাদামদাম শেয়ার গাড়িতে আসতে পারেন।

মূলত চা বাগানের জঙ্গে কাঞ্চনজঙ্ঘার এই সুন্দর সহাবস্থানের কারণেই বাদামতামের সৌন্দর্য এতো। এখানে খুব বেশি পর্যটকের আনাগোনা নেই। একেবারেই নেই বললেই হোল। থাকার জায়গাও তেমন িকছু নেই। দুটো মাত্র হোম স্টে রয়েছে এখানে। যেখানে পর্যটকদের আগে থেকে বুকিং করে রাখতে হয়। স্পট বুকিং পাওয়া যায় না। আগে থেকে বুক করে আসাই সেকরনে ভাল। আগে থেকে বলে রাখলে এখানে হোমস্টের পক্ষ থেকে গাড়ির ব্যবস্থা করে দেওয়া হয়।












Click it and Unblock the Notifications