Travel:পলাশরাঙা লালমাটির দেশে শিকারায় ভ্রমণ! দোলের ছুটিতে ঘুরে আসুন কলকাতার কাছে এই মিনি কাশ্মীরে
বসন্ত মানেই পুরুলিয়া। বাঙালির এখন নয়া ডেস্টিনেশনে পরিণত হয়েছে এই জায়গা। আগে বসন্ত মানেই ছিল শান্তিনিকেতন। সেখানে বসন্ত উৎসব দেখতে পৌঁছে যেতেন সকলে। কিন্তু হঠাৎ করেই বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এখন সাধারণের প্রবেশ নিষিদ্ধ করে দিয়েছে সেই বসন্ত উৎসবে।
তাই প্রকৃতির রঙের খেলা দেখতে এখন পর্যটকরা পৌঁছে যান পুরুলিয়া। সেও লালমাটির দেশ। তার সঙ্গে লাল হয়ে যায় প্রকৃতি। পলাশ, শিমূল আর কৃষ্ণচূড়ার রঙে রঙিন হয়ে ওঠে আকাশ। প্রকৃতিই এখানে রঙের হোলি খেলা শুরু করে দেয়। আর প্রকৃতির সঙ্গে হোলি খেলতে হাজির হয়ে যান পর্যটকরা।

পুরুলিয়া মানেই আমরা জানি অযোধ্যা পাহাড়। অনেক হোটেল রিসর্ট ইকো রিসর্ট এখন তৈরি হয়ে গিয়েছে পুরুলিয়ায়। ভরা গ্রীষ্ম বাদ দিলে বর্ষা শুরু হতেই পুরুলিয়ায় ভিড় করতে শুরু করেন পর্যটকরা। ভরে ওঠে হোটেল রিসর্ট। কিন্তু সবসময় অযোধ্যা পাহাড়ে ভিড় না করে চলে আসতে পারেন এমন এক জায়গায় যেখানে খুব কম পর্যটকই এসেছে।
বলা চলে লালমাটির দেশে এক টুকরো কাশ্মীরের দেখা পেতে হলে আসতেই হবে এই জায়গায়। ভাবছেন পুরুলিয়ায় আবার কাশ্মীর কীভাবে হতে পারে। তারপরে আবার এই ভরা বসন্তে। যেখানে উত্তাপ ধীরে ধীরে বাড়তে শুরু করেছে। সেটাই বড় চমক। পুরুলিয়ার সেই জায়গাটির নাম সাহেব বাঁধ। যেখােন দেখা মেলে কাশ্মীরের মতো শিকারা।
ডাল লেকে যেমন শিকারায় ভ্রমণ করতে পারেন পর্যটকরা। ঠিক সেরকমই পুরুলিয়ার এই সাহেব বাঁধেও শিকারায় ভ্রমণের সুবিধা রয়েছে। একেবারে ডাল লেকের মতোই পাহাড় পরিবেষ্টিত এই সাহেব বাঁধে শিকারা ভ্রমণের আনন্দ পাবেন পর্যটকরা। ছবির মতো সুন্দর রাস্তা। সবুজ পাহাড়ের বাঁকে বাঁকে উঠে গিয়েছে রাস্তা। কালো সর্পিল পিচের রাস্তা ধরে সোজা চলে আসুন এই সাহেব বাঁধে।
তবে শুধু সাহেব বাঁধই নয় এখানে আরও অফবিট লোকেশন রয়েছে। তার মধ্যে অন্যতম পুরুলয়া জু। যেখানে ধীরে ধীরে বন্য জন্তুর সংখ্যা অনেকটাই বেড়েছে। সাজিয়ে গুছিয়ে সুন্দর করে তোলা হয়েছে চিড়িয়াখানাটি। রয়েছে মার্বেল লেক। এখানে এলে মনে হবে আপনি আর দেশে নেই। বিদেশের কোনও জায়গায় চলে এসেেছন। অপরূপ সুন্দর সেই জায়গািট।












Click it and Unblock the Notifications