Aditya L1:প্রথম সাফল্য আদিত্য এল ওয়ানের, সৌরশিখা- অতি বেগুনি রশ্মির তথ্য পাঠালো সূর্যযান
ভারতের বিজ্ঞান সাধনায় আরও একধাপ এগলো ইসরো। ভারতীয় মহাকাশ বিজ্ঞানীরা চাঁদের পাশাপাশি সূর্যকে নিয়েও গবেষণা করছেন। ভারতের সূর্যযান আদিত্য এল ওয়ান গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাঠালো। সৌরশিখা, অতি বেগুনি রশ্মি সহ একাধিক বিষয়ে তথ্য পাঠালো সে।
আদিত্য এল ওয়ান মিশন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভারতের কাছে। সৌরযান ল্যাগ্রেঞ্জ পয়েন্টের উদ্দেশ্যে পাড়ি জমিয়েছে। আদিত্য এল ওয়ান মহাকাশযানটি হাই এনার্জি এল ওয়ান অরবিটিং এক্স-রে স্পেকট্রোমিটার, সাতটি পেলোডের মধ্যে একটি। তার লক্ষ্যে চলার পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ করেছে সে। প্রথম ধাপেই অভাবনীয় সাফল্য পেয়েছে আদিত্য।

২৯ অক্টোবর আদিত্য এল ওয়ান একটি রেকর্ড করেছে। এই সূর্যের শিখা কী? সূর্যের মধ্যে প্রতিক্ষণে প্রচুর বিস্ফোরণ হচ্ছে। এই সূর্যশিখা হল সূর্য থেকে উদ্ভূত শক্তি এবং বিকিরণের তীব্র বিস্ফোরণ। এর ফলে এক্স রে ও অতি বেগুনি রশ্মি বার হয়। চুম্বক শক্তির মুক্তির কারণে এই ঘটনা ঘটে।
ইউআর রাও স্যাটেলাইট সেন্টার, ইসরো, বেঙ্গালুরু-এর স্পেস অ্যাস্ট্রোনমি গ্রুপ HEL10S নামক যন্ত্রটি বিশেষভাবে তৈরি করেছে। সূর্য থেকে উচ্চশক্তির এক্স-রে নির্গত হয়। সেইসব নিরীক্ষণের জন্য এটি বানানো হয়েছে। ১০ ঘণ্টা ধরে এই নিরীক্ষণ প্রক্রিয়া চলে। আলোর বক্ররেখার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে।
এই কৃতিত্ব এক কদম এগিয়ে দিল ভারতের বিস্ফোরক শক্তি প্রকাশ, ইলেকট্রন ত্বরণ নিয়ে কাজের ক্ষেত্র। গত ২৭ অক্টোবর HEL10S নামক যন্ত্রটিকে চালু করা হয়েছে। সম্পূর্ণ যন্ত্রটি চালু হতে কিছুটা সময় লাগে। যন্ত্রটি সম্পূর্ণ কাজ শুরু করলে বিপ্লব ঘটিয়ে দিতে পারে।
সূর্যের আলোর বিবর্তন, তার মধ্যে ঘটে চলা ঘটনা, বিচ্ছুরণ প্রভৃতি সম্পর্কে প্রচুর তথ্য পাওয়া যাবে। আগামী দিনে আরও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যাবে যাত্রাপথে। এমনই আশা করছেন মহাকাশ বিজ্ঞানীরা।
এই ফলাফল কেবল সূর্য সম্পর্কে জ্ঞান বাড়াবে না। পাশাপাশি ভূ-চৌম্বকীয় ঝড়ের পূর্বাভাস দেবে। অনন্ত বিস্তৃত মহাকাশের আবহাওয়ার আঁচ পাওয়া যাবে। মহাকাশ ভ্রমণ এবং স্যাটেলাইট অপারেশনগুলির নিরাপত্তা ও দক্ষতা বাড়বে।












Click it and Unblock the Notifications