নবমী-দশমীতে বাংলার করোনা গ্রাফ কোনদিকে! একনজরে কিছু তুলনামূলক পরিসংখ্যান
দুর্গাপুজোর আবহে দাপট ধরে রাখল করোনরা থাবা। রাজ্যে গত কয়েকদিনে যে দানবীয় থাবা করোনাভাইরাস বসিয়েছে,তা আরও খানিকটা উদ্বেগে রাখছে রাজ্যকে। এদিকে গত ২০ অক্টোবর থেকে রাজ্যে করোনার পরিস্থিতি কার্যত একইভাবে বাড়ছে রাজ্যে। বিজয়ার রাতে ২৬ অক্টোবর করোনা ভাইরাস (corona virus) আক্রমণের পরিস্থিতি পশ্চিমবঙ্গে কেমন, দেখে নেওয়া যাক।

২৬ অক্টোবর সোমবারের করোনা পরিস্থিতি
সোমবারের নতুন করে করোনা সংক্রমণ ফের ৪ হাজারের উপরে। এদিনের স্বাস্থ্য বুলেটিন বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৪,১২১ জন। প্রসঙ্গত গত ২০ অক্টোবর থেকে এক টানা এই নিয়ে ৪ হাজারের আক্রান্তের সংখ্যা রাজ্যে দেখা যাচ্ছে।

নবমীর রাতের করোনা রিপোর্ট কী বলেছে?
এর আগে নবমীর রাতে অর্থা ২৫ অক্টোবর রবিবারের বলা হয়েছে, রাজ্যে গত ২৪ ঘন্টায় নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৪,১২৭ জন। ফলে সমোট আক্রান্তের সংখ্যা ৩, ৪৯, ৭০১ জন। অ্যাক্টিভ কেসের সংখ্যা ৩৭,০১৭ জন। এখনও পর্যন্ত সুস্থ হয়ে গিয়েছেন ৩, ০৬, ১৯৭ জন। নবমীর রিপোর্ট বলেছে , বিগত ২৪ ঘন্টায় ৩, ৮৫৭ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গিয়েছেন।সুসঅথতার সবচেয়ে বেশি হার কলকাতায়। সেখানের পরিসংখ্যান ৯৫৪। এর পরেই রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা। সেখানের পরিসংখ্যান ৯৩১। এরপরেই রয়েছে দক্ষিণ ২৪ পরগনা, সেখানে সুস্থতার সংখ্যা ৩২০।

পজিটিভি রেট
সোমবারের রাজ্যের করোনা পরিসংখ্যান বলছে, এদিন বাংলার পজিটিভি রেট ছিল ৯.৭৬ শতাংশ। প্রসঙ্গত, কোনও একটি এলাকায় যত বেশি কোভিড টেস্ট হয়, তারমদ্যে প্রতি ১০০ জনে যত জনের কোভিড রিপোর্ট পজিটিভ আসে তাকেই বলে পজিটিভিটি রেট। রবিবার এই হার ছিল সোমবারের মতো ৯.৭৬। ফলে সেদিক থেকে পরিস্থিতি একই রয়েছে প্রায়।

২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনার মৃত্যু
সোমবারের বুলেটিনে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে মৃত্যু হয়েছে ৫৯ জনের। মৃতের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি উত্তর ২৪ পরগনায়। সেখানে ১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। কলকাতায় হয়এছে ১৪ জনের প্রয়াণ। দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। পশ্চিম মেদিনীপুরে মারা গিয়েছেন ৬ জন। হাওড়ায় ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications