West Bengal Panchayat Election Results 2023: সিপিএম ৬-৮ শতাংশ ভোট কেটে তৃণমূলকে জিতিয়ে দিয়েছে, তোপ সুকান্তের
পঞ্চায়েত নির্বাচনের গণনা যত এগিয়েছে, ততই স্পষ্ট হয়েছ তৃণমূলের বিরাট জয়। কিছু অর্থে বিজেপি বা সিপিএম-কংগ্রেস উল্লেখযোগ্য ফল করলেও বিরোধীরা সে অর্থে লড়াই দিতে ব্যর্থ। এই পরিস্থিতিতে সিপিএমের বিরুদ্ধে কার্যত বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার।
পঞ্চায়েতে নীচুতলায় বহু ক্ষেত্রে সিপিএমের সঙ্গে বিজেপির সমঝোতা হয়েছিল বলে অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার পঞ্চায়েত নির্বাচনের গণনা শেষ হতে না হতেই বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার সিপিএমকে নিশানা করলেন। তিনি বলেন, সিপিএমই জিতিয়ে দিয়েছে তৃণমূলকে।

সুকান্ত মজুমদারের কথায়, সিপিএম ও তৃণমূলের বোঝাপড়া ছিল। সিপিএম বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ৬ থেকে ৮ শতাংশ ভোট পেয়ে তৃণমূলকে জিতিয়ে দিয়েছে। সিপিএম ভোট পাওয়ায় তৃণমূলের সুবিধা হয়েছে। ফলে সামান্য ব্যবধানে বিজেপি হেরেছে। সুকান্ত বলেন, স্বল্প ব্যবধানে বিজেপির হার নেহাত কম আসনে হয়নি এবার পঞ্চায়েতে।
এদিন উত্তর দিনাজপুরের ইটাহের ঝটিকা সফরে যান বিজেপির রাজ্য সভাপতি। সেখানে গিয়ে তিনি সিপিএমকে নিশানা করেন। তিনি বলেন, অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যাচ্ছে পঞ্চায়েত নির্বাচনে তৃণমূল এক নম্বরে রয়েছে। আর বিজেপি দু-নম্বরে। তা হয়েছে সিপিএমের কল্যাণে। সিপিএম ভোট কেটে সুবিধা করে দিয়েছে তৃণমূলের।
রাজ্যের বেশিরভাগ জেলাতেই তৃণমূল এক নম্বরে। আর দূরবর্তী দ্বিতীয় স্থানের লড়াই চলছে বিজেপি ও কংগ্রেস-বাম-আইএসএফের মধ্যে। কোথাও দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে বিজেপি, কোথাও দ্বিতীয় স্থানে কংগ্রেস-বাম-আইএসএফ। এই অবস্থায় সুকান্ত মজুমদারের দাবি গুরুত্বহীন বলে মনে করছে বামেরা।
কেননা তাঁরা বহু ক্ষেত্রেই বিজেপিকে টপকে দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে। সেখানে সিপিএমের সহযোগিতার কোনো প্রশ্নই নেই। বিজেপি তৃতীয় স্থানে নেমে গিয়েছে বহু ক্ষেত্রে। তাই বিজেপি হেরে এখন সিপিএমের দিকে আঙুল তুলছে বলে অভিযোগ। সেই অভিযোগের কোনো ভিত্তি নেই।
পঞ্চায়েত নির্বাচনের নীচুতলায় বহু ক্ষেত্রেই বিজেপির সঙ্গে অলিখিত সমঝোতা হয়েছিল সিপিএম ও বামের। কিন্তু এখন সেই সিপিএমকেই দোষারোপ করছে বিজেপি। বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার আঙুল তুলেছে সিপিএমের দিকে। সিপিএমকেই দায়ী করেছে তৃণমূলের বিরাট জয়ের জন্য।
এখানে উল্লেখ্য, একুশের ভোটে বিজেপি পর্যুদস্ত হওয়ার পর বিজেপি পিছু হটেছে বাংলায়। পরবর্তী নির্বাচনগুলিতে দেখা গিয়েছে বিরোধী হিসেবে বামেরাই উঠে এসেছে। সম্প্রতি সাগরদিঘিতেও বাম-কংগ্রেস প্রার্থীর কাছে পরাজয় স্বীকার করেছে তৃণমূল। তাহলে সিপিএম বা কংগ্রেসকে আর তৃতীয় বা চতুর্থ শক্তি হিসেবে দেখার কোনো অর্থ নেই বিজেপির।












Click it and Unblock the Notifications