মমতার নির্বাচিত প্রার্থীর বিরোধিতা, তৃণমূল ছাড়লেন প্রভাবশালী সংখ্যালঘু নেতা
মমতার নির্বাচিত প্রার্থীর বিরোধিতা, তৃণমূল ছাড়লেন প্রভাবশালী সংখ্যালঘু নেতা
প্রার্থী তালিকা ঘোষণার আগে তৃণমূলের (trinamool congress) ভাঙন দেখেছে বঙ্গবাসী। আর প্রার্থী তালিকায় ঘোষণার পরেও ভাঙন (split) লেগেই রয়েছে ঘাসফুল শিবিরে। এদিনও তৃণমূল ছাড়ছেন উলুবেড়িয়ায় (uluberia) প্রভাবশালী সংখ্যালঘু নেতা। উলুবেড়িয়া পূর্বে তৃণমূলের তরফে প্রাক্তন ফুটবলার বিদেশ বসুকে প্রার্থী করায় শীর্ষ নেতৃত্বের কটাক্ষ করেছেন এই নেতা।

বহিরাগত তত্ত্বে জেরবার তৃণমূল
তৃণমূলের তরফে বিজেপিকে আক্রমণ করা হয়েছিল, রাজ্যে ভিন রাজ্যের নেতাদের আসা নিয়ে। বিজেপির সভাপতি জেপি নাড্ডাকেও বহিরাগত বলে আক্রমণ করা হয়েছে। এবার সেই বহিরাগত তত্ত্বেই জেরবার তৃণমূল। সূত্রের খবর অনুযায়ী, স্থানীয় দ্বন্দ্ব মেটাতে তৃণমূলের তরফে অনেক কেন্দ্রেই স্থানীয় দাবি অমান্য করে রাজ্য নেতৃত্বের তরফে প্রার্থী ঠিক করা হয়েছে। যা নিয়েই বেধে গণ্ডগোল। যেমন উলুবেড়িয়া পূর্ব কেন্দ্রে প্রার্থী করা হয়েছে প্রাক্তন ফুটবলার বিদেশ বসুকে। বিদেশ বসুকে বহিরাগত বলে তোপ দেগেছে স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বের একাংশ।

দল ছেড়েছেন প্রভাবশালী সংখ্যালঘু নেতা
বিদেশ বসুকে উলুবেড়িয়া পূর্ব কেন্দ্রের প্রার্থী করার বিরোধিতা করে এবার দল ছাড়লেন উলুবেড়িয়া পুরসভায় বিদায়ী উপ পুরপ্রধান তথা প্রশাসকমণ্ডলীর সদস্য আব্বাসউদ্দিন খান। এদিন তিনি দলীয় সদস্যপদ এবং অন্য সব পদ থেকে ইস্তপা দিয়েছেন। দলের কাছে বিষয়টি নিয়ে প্রতিবাদ জানিয়েও কোনও ফল পাওয়া যায়নি বলে অভিযোগ করেছেন তিনি। সূত্রের খবর অনুযায়ী, গত কয়েকমাস আগে থেকেই ওই নেতা তৃণমূলের সর্বোচ্চ নেতৃত্বের কাছে এই আসনটির জন্য দরবার করে এসেছেন। বিষয়টি নিয়ে তৃণমূলের তরফে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

দলত্যাগী নেতা যোগ দিতে পারেন আইএসএফ-এ
সূত্রের খবর অনুযায়ী আব্বাসউদ্দিন খান আইএসএফ-এ যোগ দিতে পারেন। প্রসঙ্গ উল্লেখ্য বাম-কংগ্রেস-আব্বাসের জোটে আব্বাসের দল আইএসএফকে এই আসনটি ছাড়া হয়েছে। তারা এখনও এই আসনে প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করেনি। অন্যদিকে আব্বাসউদ্দিন খানও বিষয়টি নিয়ে কোনও মন্তব্য করেননি এখনও।

এর আগেও হাওড়ায় তৃণমূলে ভাঙন
গত একমাসের বেশি সময়ে হাওড়ায় তৃণমূলে একাধিকবার ভাঙন দেখা গিয়েছে। দল ছেড়েছিলেন রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়, বৈশালী ডায়মিয়া, প্রাক্তন মেয়র রথীন চক্রবর্তীরা। পরবর্তী সময়ে দল ছাড়েন জটু লাহিড়ীর মতো বর্ষীয়ান নেতাও। তৃণমূলের তরফ অবশ্য দাবি করা হয়েছে এইসব নেতাদের সঙ্গে জনগণ নেই।












Click it and Unblock the Notifications