বিজেপির মায়া কাটিয়ে নেতা ফিরলেন তৃণমূলে, জেলাপরিষদের দখল নিয়ে তৃণমূল গেরুয়া শিবিরের চাপানউতোর তুঙ্গে
বিজেপির মায়া কাটিয়ে নেতা ফিরলেন তৃণমূলে, জেলাপরিষদের দখল নিয়ে তৃণমূল গেরুয়া শিবিরের চাপানউতোর তুঙ্গে
আট মার্চ কলকাতায় হেস্টিংসে বিজেপির (bjp) অফিসে দলবদলকারীদের তালিকায় ছিলেন তিনিও। যদিও মালদহ (malda) জেলা পরিষদের নেতা সন্তোষ চৌধুরী জানিয়েছেন, তিনি তৃণমূলেই (trinamool congress) ছিলেন। তাঁর নামে অপপ্রচার করা হয়েছে। অন্যদিকে বিজেপির দাবি তৃণমূলে ভয় দেখিয়ে সিদ্ধান্ত পরিবর্তনে বাধ্য করেছে।

মালদহ জেলা পরিষদ তাদের হাতে, দাবি করেছিল বিজেপি
৮ মার্চ মালদহ জেলাপরিষদের বড় দলবদল হয় কলকাতায়। ৩৮ আসনের জেলপরিষদের ১৪ জন তৃণমূল সদস্য বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন বলে দাবি করা হয়েছিল ঘাসফুল শিবিরের তরফ থেকে। টিকিট পেয়েও প্রথমে বেঁকে বসেছিলেন জেলাপরিষদের কর্মাধ্যক্ষ সরলা মুর্মু। ৮ মার্চ তিনি হেস্টিংসে বিজেপির পার্টি অফিসে গিয়ে বিজেপির পতাকা তুলে নেন। একইসঙ্গে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিয়েন জেলা পরিষদের সভাধিপতি গৌরচন্দ্র মণ্ডল-সহ জেলা পরিষদের ১৪ জন সদস্য। তার আগে অবশ্য জেলাপরিষদের ৬ জন বিজেপি সদস্য ছিল। তাঁদের মধ্যে উজ্জ্বল চৌধুরী তৃণমূলে যোগ দেন। এরপরেও সংখ্যার নিরিখে জেলাপরিষদ ছিল বিজেপির হাতে। কেননা জেলাপরিষদের ম্যাজিক ফিগার হল ১৯।

তৃণমূলে ফিরেছেন এক জেলাপরিষদ সদস্য
সপ্তাহ কাটতে না কাটতেই জেলাপরিষদ সদস্য সন্তোষ চৌধুরী বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে ফেরার কথা জানিয়েছেন। তিনি মালদহের হরিশ্চন্দ্রপুরের নয় নম্বর আসন থেকে নির্বাচিত। সন্তোষ চৌধুরী জানিয়েছেন, তিনি তৃণমূলের সঙ্গেই রয়েছেন। তাঁর নামে মিথ্যা প্রচার করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন ওই নেতা। প্রসঙ্গত সন্তোষ চৌধুরী বিজেপিতে যোগ দেওয়ার খবর পাওয়ার পরেই তাকে গদ্দার অ্যাখ্যা দিয়ে তৃণমূল কর্মীরা সোশ্যাল মিডিয়ায় লাগাতার পোস্ট করেছিলেন। এর বিরুদ্ধেও সরব হতে দেখা গিয়েছে সন্তোষ চৌধুরীকে। ফলে দলে ফেরার পরেই গোষ্ঠী কোন্দল দেখা গিয়েছে মালদহ তৃণমূলে।

নেতার সাফাই
সন্তোষ চৌধুরী অবশ্য দাবি করেছেন, যেদিন দলত্যাগ হয়, সেদিন তিনি অনুপস্থিত ছিলেন। অনুপস্থিত থাকার কারণ হিসেবে তিনি বলেছেন, কাজের জন্য কয়েকদিন তিনি বাইরে ছিলেন। তিনি তৃণমূলে ছিলেন, আছেন এবং থাকবেন দাবি করে বলেছেন, চাঁচলের তৃণমূল প্রার্থী নীহাররঞ্জন ঘোষের হয়ে তিনি প্রচারে নামবেন।

পাল্টা দাবি বিজেপির
সন্তোষ চৌধুরী তৃণমূলে থাকার কথা জানানোয় মালদহ জেলা পরিষদ দখল নিয়ে তৃণমূল এবং বিজেপির মধ্যে লড়াই আরও তীব্র হল। বিজেপির তরফ থেকে দাবি করা হয়েছে, দল পরিবর্তনের জন্য নির্দিষ্ট কাগজে স্বাক্ষর করেছিলেন। তৃণমূল ভয় দেখিয়ে সন্তোষ চৌধুরীকে সিদ্ধান্ত পরিবর্তনে বাধ্য করেছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে বিজেপির তরফে। জেলা তৃণমূল সভানেত্রী মৌসম নূর জেলা পরিষদ তৃণমূলের হাতে থাকার কথা দাবি করলেন, পাল্টা জেলা পরিষদের সভাপতি গৌর মণ্ডল দাবি করেছেন, অনাস্থা আনলেই তিনি সংখ্যা গরিষ্ঠতার প্রমাণ দেবেন।












Click it and Unblock the Notifications