দুরন্ত ঘূর্ণিঝড় ‘আম্ফান’ এক্সট্রিমসেভিয়ার সাইক্লোন! টেক্কা দেবে দুই পূর্বসূরি আয়লা ও বুলবুলকে
দুরন্ত ঘূর্ণি ‘আম্ফান’ এক্সট্রিমসেভিয়ার সাইক্লোন! টেক্কা দেবে দুই পূর্বসূরি আয়লা ও বুলবুলকে
ধেয়ে আসছে সুপার সাইক্লোন আম্ফান (কেউ উমপুন বা আমফান-ও বলছেন)। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন এই আম্ফান আয়লা ও বুলবুলের থেকে অনেক বেশি শক্তিশালী। তবে ১৯৯৯ সালের ওড়িশার পারাদ্বীপের ঘূর্ণিঝড়ের থেকে কম শক্তিশালী এই আম্ফান। আশঙ্কা করা হচ্ছে বাংলায় সম্প্রতি যে দুই ঝড় আছড়ে পড়েছিল, সেই বুলবুল ও আয়লার থেকেও ভয়ঙ্কর ক্ষতি করতে পারে।

ঘূর্ণিঝড় আয়লা
২০০৯ সালে বাংলার বুকে আছড়ে পড়েছিল ঘূর্ণিঝড় আয়লা। ঘণ্টায় ১১২ কিমি বেগে আছড়ে পড়েছিল দুই ২৪ পরগনার বিস্তীর্ণ সমুদ্র উপকূলে। ২০০৯-এর ২৫ মে তছনছ হয়ে গিয়েছিল আয়লা। সেই ক্ষত এখনও শুকোয়নি বাংলার। এখনও সেই ক্ষতে প্রলেপ লাগানোর কাজ চলছে। তারপরও আরও এক ঘূর্ণি হানা দিয়ে গিয়েছে বাংলার বুকে

ঘূর্ণিঝড় বুলবুল
২০১৯ সালের ৯ নভেম্বর ঘূর্ণিঝড় ফের আছড়ে পড়ে বাংলার উপকূলে। এবার সাগরের অদূরেই বকখালি ও ঝড়খালিতে তাণ্ডব চালায়। তবে ঘণ্টায় ১৩০ কিলোমিটার বেগে পশ্চিমবঙ্গের উপকূলে প্রবেশ করলেও, তার ক্ষমতা অনেকটা লোক করে দেয় সুন্দরবনের ম্যানগ্রোভ অরণ্য। ফলে খুব বেশি ক্ষতিসাধন করতে পারেনি বুলবুল।

পারাদ্বীপের ঘূর্ণিঝড়
তবে ১৯৯৯ সালের পারাদ্বীপের ঘূর্ণিঝড় লেভেল ফাইভ স্তরে পৌঁছে গিয়েছিল। সেই ঝড়ের গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ১৬০ কিমি। তিরিশ বছরের ইতিহাসে এমন ঝড় আসেনি ভারতের কোনও রাজ্যে। এই ঘূর্ণিঝড়ে প্রায় ১০ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছিল। এরপর ২০০৭-এ গোনু এবং ২০১৯-এ কিয়ার দুরন্ত ঘূর্ণি নিয়ে ধেয়ে এলেও, তা আছড়ে পড়েনি স্থলভাগে আরব সাগরেই দুর্বল হয়ে পড়ে ঝড় দুটি।

ঘূর্ণিঝড় আম্ফান
ঘূর্ণিঝড় আম্ফানকে পারাদ্বীপের সমগোত্রীয় ঝড় বলে ব্যাখ্যা করছেন বিশেষজ্ঞরা। আয়লা দ্বিতীয় স্তরের ঝড়। কিন্তু পারাদ্বীপের মতো আম্ফানকে পঞ্চম স্তরের ঝড় বলে মনে করছেন আবহবিদরা। এই দুই ঝড়কে এক্সট্রিমসেভিয়ার সাইক্লোন বলে অভিহিত করা হচ্ছে। আয়লাকে টেক্কা দেবে আম্ফান।












Click it and Unblock the Notifications