ফের আইনি জটিলতায় নিয়োগ-প্রক্রিয়া! উচ্চ প্রাথমিকে সিঙ্গল বেঞ্চের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে মামলা
ফের আইনি জটিলতার মধ্যে উচ্চ প্রাথমিকে নিয়োগ প্রক্রিয়া। উচ্চ প্রাথমিকে সিঙ্গল বেঞ্চের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে ফের মামলা। মামলাকারী আবেদনকারীদের দাবি, স্বচ্ছতার সঙ্গে এখনও নিয়োগ প্রক্রিয়া হয়নি। এখনও গাফিলতি রয়েছে। এমনটাই অভিযো
ফের আইনি জটিলতার মধ্যে উচ্চ প্রাথমিকে নিয়োগ প্রক্রিয়া। উচ্চ প্রাথমিকে সিঙ্গল বেঞ্চের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে ফের মামলা। মামলাতে অংশ নেওয়া আবেদনকারীদের দাবি, স্বচ্ছতার সঙ্গে এখনও নিয়োগ প্রক্রিয়া হয়নি। এখনও গাফিলতি রয়েছে। এমনটাই অভিযোগ আবেদনকারীদের। বিচারপতি সুব্রত তালুকদার, সৌগত ভট্টাচার্যর ডিভিশন বেঞ্চে এই সংক্রান্ত মামলা দায়ের করা হয়েছে। মূলত হাইকোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চের নির্দেশ চ্যালেঞ্জ করেই এই মামলা দায়ের করা হয়েছে।
সূত্রের খবর, চলতি সপ্তাহের শেষে এই সংক্রান্ত মামলার শুনানি হতে পারে। তবে নতুন করে আইনি জটিলতায় কি ফের আটকে যেতে বসেছে নিয়োগ? চিন্তার কালো মেঘ হাজার চাকরীপ্রার্থীদের কপালে।

এসএসির ওয়েবসাইটে তালিকা, স্থগিতাদেশ তুলে নেয় হাইকোর্ট
শিক্ষক নিয়োগে একের পর এক অসঙ্গতির অভিযোগে কলকাতা হাইকোর্ট সাত দিনের মধ্যে স্কুল সার্ভিস কমিশনকে নতুন করে ইন্টারভিউয়ের তালিকা প্রকাশ করতে নির্দেশ দিয়েছিল। সেইমতো এসএসির ওয়েবসাইটে তালিকা প্রকাশ করা হয়। আদালতে সেই তালিকা পেশ করা হয়। তারপরই নিয়োপ্রক্রিয়ায় স্থগিতাদেশ তুলে নেওয়া হয়।

ভুল থাকলে দু-সপ্তাহের মধ্যে কমিশনকে জানাতে হবে
বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় ইন্টারভিউয়ের যে তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে, তার ভিত্তিতে নিয়োগপ্রক্রিয়া দ্রুত শুরু করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিচারপতি বলেন, পাঁচ বছর ধরে নিয়োগপ্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়নি। আমি চাই না নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অযথা বিলম্ব হোক। তাই স্থগিতাদেশ তুলে নিয়ে তিনি কমিশনকে দ্রুত নিয়োগের নির্দেশ দিয়েছেন। বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় আরও বলেন, ২০১৬ সালে যাঁরা আবেদন করেছিলেন, তাঁদের অনেকের বয়স-সীমা পেরিয়ে গিয়েছে। তাঁদের পাঁচ বছর ছাড় দেওয়া হোক। আর তালিকায় যদি ভুল থাকে, তবে দু-সপ্তাহের মধ্যে কমিশনকে জানাতে পারবেন প্রার্থীরা। কমিশনকে আট সপ্তাহের মধ্যে অভিযোগ খতিয়ে দেখতে হবে।

১২ সপ্তাহের মধ্যে সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া মিটিয়ে ফেলতে হবে
হাইকোর্ট জানায়, কমিশনকে সম্পূর্ণ বিষয়টি খতিয়ে দেখে চিঠি বা ইমেল করে প্রার্থীকে জবাব দিতে হবে। সব মিলিয়ে ১২ সপ্তাহের মধ্যে সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া মিটিয়ে ফেলতে হবে। কমিশন চাইলে বিশেষ আধিকারিক নিয়োগ করতে পারেন, এই বিশেষ আধিকারিক প্রার্থীদের অভিযোগ খতিয়ে দেখবেন। অন্যথায় প্রার্থীদের আদালতের দরজা খোলা।

তালিকা দেখে খুশি নন আবেদনকারীরা
সদ্য উচ্চ প্রাথমিকে তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। ওই তালিকা দেখে খুশি নন আবেদনকারীরা। বিক্ষোভকারীদের দাবি, যোগ্যতার প্রামাণ্য নথি আপলোড করা সত্ত্বেও অনেকের ক্ষেত্রে তা দেখানো হয়নি। অ্যাকাডেমিক স্কোরেও গরমিল রয়েছে বলে বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ। আগামী সপ্তাহে ডিভিশন বেঞ্চে এই সংক্রান্ত মামলার শুনানি রয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications