তৃণমূল উপপুরপ্রধানের ইস্তফা! পুরুলিয়ায় রাজনৈতিক সমীকরণ বদলের ইঙ্গিত ভোটের মুখে
তৃণমূল উপপুরপ্রধানের হঠাৎ ইস্তফায় রাজনৈতিক মহলে জল্পনা চরমে উঠল। পুরুলিয়ার ঝালদা পুরসভার উপপুরপ্রধান তৃণমূল নেতা কাঞ্চন পাঠক কেন হঠাৎ করে পদত্যাগ করলেন, তা নিয়ে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।
তৃণমূল উপপুরপ্রধানের হঠাৎ ইস্তফায় রাজনৈতিক মহলে জল্পনা চরমে উঠল। পুরুলিয়ার ঝালদা পুরসভার উপপুরপ্রধান তৃণমূল নেতা কাঞ্চন পাঠক কেন হঠাৎ করে পদত্যাগ করলেন, তা নিয়ে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। জল্পনা শুরু হয়েছে, তাঁর দলত্যাগ নিয়েও। তৃণমূলে এবার টিকিট নাও মিলতে পারে, এমন আশঙ্কা থেকেই কি তাঁর পদত্যাগ?

পুরভোটের মুখে পদত্যাগ
শনিবার উপ পুরপ্রধান কাঞ্চন পাঠক ঝালদা পুরসভার চেয়ারম্যানকে উদ্দেশ্য করে ইস্তফাপত্র লেখেন। কেন তিনি পুরভোটের মুখে পদত্যাগ করবেন, তা নিয়ে চর্চা চলছে। গুঞ্জন উঠেছে তিনি দলত্যাগ করে কংগ্রেসে যোগদান করতে পারেন। সম্প্রতি ঝালদা পুরসভার ১২ নম্বর ওয়ার্ডের বিজেপি কাউন্সিলরও কংগ্রেস যোগদান করতে চলেছেন।

ইস্তফার পর পুরসভার চেযারম্যানের বার্তা
শনিবার ইস্তফার পর থেকে কাঞ্চনের সঙ্গে যোগাযোগ করাও যায়নি। ঝালদা পুরসভার চেযারম্যান প্রদীপ কর্মকার জানান, এ বিষয়টি তাঁর জানা নেই। কারণ তিনি দলের বৈঠকে জেলায় রয়েছেন। তিনি পুরসভায় ছিলেন না। তাই খোঁজ খবর নিয়ে বিষয়টি জানাতে পারবেন না বলে তিনি জবাব দেন।

শারীরিক অসুস্থতার কারণেই পদ ছাড়লেন
ইস্তফাপত্রে কাঞ্চন লেখেন, তিনি শারীরিক অসুস্থতার কারণেই পদ ছাড়ছেন। তিনি তিন নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর। ফরওয়ার্ড ব্লকের প্রার্থী হিসেবে তিনি জয়লাভ করেছিলেন, তারপর তৃণমূলে যোগদান করে তিনি উপপুরপ্রধান হয়েছিলেন। এবার তিনি পুরভোটের আগে কি দল পরিবর্তন করে আবার রাজনৈতিক সমীকরণ বদলে দিতে চাইছেন।

তৃণমূলে তাঁর টিকিট অনিশ্চিত বলেই
তিন নম্বর ওয়ার্ড এবার মহিলা সংরক্ষিত। আর তিনি বর্তমানে জনসংযোগ-বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছেন বলে অভিযোগ। ফলে তৃণমূলে তাঁর টিকিট একপ্রকার অনিশ্চিত। তাই তিনি দল পরিবর্তন করে তৃণমূল শিবিরকে ঝটকা দিতে পারেন। উল্লেখ্য, এই পুরুলিয়া জেলায় বিজেপির উত্থান ঘটেছে। তৃণমূল ব্যাকফুটে থেকে এই জেলায় লড়াই চালা্চ্ছে।












Click it and Unblock the Notifications