সিঙ্গুর আন্দোলনের ১৪ বছর পর শাপমোচন! টাটাদের বিনিয়োগ-আহ্বান তৃণমূল সরকারের
সিঙ্গুর আন্দোলনের ১৪ বছর পর শাপমোচন! টাটাদের বিনিয়োগ-আহ্বান তৃণমূল সরকারের
সিঙ্গুর আন্দোলনের জেরে বাংলার রাজনৈতিক পট পরিবর্তন হয়েছিল। টাটারা ছেড়ে চলে গিয়েছিল বাংলা। ২০০৬-০৭ সালের সেই ঘটনার পর ২০১১ সালে রাজ্যে এসেছিল পরিবর্তন। সেই পরিবর্তনের পরও ১০ বছর কেটে গিয়েছে। অবশেষে ফের টাটাদের বাংলায় বিনিয়োগের আহ্বান জানাল তৃণমূল সরকার।

সিঙ্গুরের লড়াই টাটাদের বিরুদ্ধে ছিল না
২০০৬-০৭ সালে বিরোধী তৃণমূলের আন্দোলনের জেরে বাংলা ছেড়ে টাটাদের প্রকল্প গুটিয়ে নিয়ে যেতে হয়েছিল। তার ১৪ বছর পর বাংলায় তৃতীয়বারের জন্য ক্ষমতায় এসে সেই টাটাদেরই রাজ্যে বিনিয়োগের আহ্বান জানালেন শিল্প-বাণিজ্যমন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। তিনি বলেন, সিঙ্গুরের লড়াই টাটাদের বিরুদ্ধে ছিল না, ছিল বাম সরকারের জমি অধিগ্রহণ নীতির বিরুদ্ধে।

টাটাদের সঙ্গে শত্রুতার অবসান অবশেষে
টাটারা সিঙ্গুর ছেড়ে টাটার ন্যানো কারখানা নিয়ে চলে গিয়েছেন গুজরাতের সানন্দে। তারপর সেই জমি আন্দোলনকে পাথেয় করে বাংলায় ক্ষমতার হাতবদল ঘটে। ৩৪ বছরের বাম সরকারের অবসান ঘটিয়ে ক্ষমতায় আসে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল। এতদিন পর টাটাদের সঙ্গে শত্রুতার অবসান ঘটাল বাংলার তৃণমূল সরকার।

টাটাকে কোনও দোষও দিইনি, বলেন পার্থ
রাজ্যের শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেন, আমাদের কাছে সমস্যা ছিল বাম সরকার জমি অধিগ্রহণের নীতি নিয়ে। যে পদ্ধতিতে জমি অধিগ্রহণ হয়েছিল, তা সঠিক ছিল না। টাটার সঙ্গে আমাদের কোনও শত্রুতা নেই। টাটার বিরুদ্ধে আমরা লড়াই করিনি। আমরা টাটাকে কোনও দোষও দিইনি।

তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক টাটা সেন্টার তৈরির আগ্রহ প্রকাশ
পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেন, রাজ্যে বিনিয়োগের জন্য আগ্রহ দেখিয়েছে টাটা। রাজ্যের আধিকারিকদের সঙ্গে টাটার যোগাযোগ রয়েছে। টাটার অনেক প্রকল্পই রাজ্যে আছে। এরপরেও যদি টাটা বড়মাপের কোনও বিনিয়োগ করতে চায়, তবে রাজ্যের তরফে কোনও অসুবিধা নেই। সম্প্রতি টাটা গোষ্ঠী তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক টাটা সেন্টার তৈরির আগ্রহ প্রকাশ করেছে।












Click it and Unblock the Notifications