তৃণমূলের ভোট লুঠের সাক্ষী তিনি! কোথায় কোথায় কারচুপি ফাঁস করলেন শুভেন্দু অধিকারী
শুভেন্দু অধিকারী (suvendu adhikari) ২০ বছরের বেশি সময় তৃণমূলে (trinamool congress) কাটিয়েছেন। খুব কাছ থেকে সব ধরনের কাজ পরিচালনা করেছেন। কাঁথির সভাতেও তৃণমূলের অন্দরমহলের কথা বলতে শুরু করেছিলেন। বলেছিলেন, এখন সবে ট্রেল
শুভেন্দু অধিকারী (suvendu adhikari) ২০ বছরের বেশি সময় তৃণমূলে (trinamool congress) কাটিয়েছেন। খুব কাছ থেকে সব ধরনের কাজ পরিচালনা করেছেন। কাঁথির সভাতেও তৃণমূলের অন্দরমহলের কথা বলতে শুরু করেছিলেন। বলেছিলেন, এখন সবে ট্রেলার দেখছেন, এখনও সিনেমা বাকি রয়েছে। তৃণমূলের অন্দরমহলের সব খবরই তিতি আস্তে আস্তে বলবেন। যেমনটি করলেন ঝাড়গ্রামে।

দাঁতনের সভা থেকে নিশানা করেছিলেন অভিষেককে
গত রবিবার অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ডায়মন্ডহারবারে গিয়ে বলেছিলেন, নিজের লোকসভা কেন্দ্রে নিকটতম প্রার্থীর সঙ্গে তাঁর ব্যবধান সাড়ে তিনলক্ষের মতো। সাতটি বিধানসভার সবকটিতেই এগিয়ে তিনি।ষ বিধানসভা নির্বাচনে এই সাতটির অন্তত একটি নিয়ে দেখাক বিজেপি, চ্যালেঞ্জ করেছিলেন তিনি। সেদিনই দাঁতনের সভা থেকে জবাব দিয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেছিলেন, ডায়মন্ডহারবারে ১৬০০ বুথের মধ্যে ৩০০ বুথে জিতে তিন লক্ষ ব্যবধান হয়েছে। পঞ্চায়েত নির্বাচনে ডায়মন্ডহারবারে কেউ মনোনয়ন জমা দিতে পারেনি বলেও অভিযোগ করেছিলেন তিনি। ৯৩% আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় তৃণমূল জয়লাভ করেছিল বলেও মনে করিয়ে দিয়েছিলেন তিনি। তৃণমূলকে উপরে ফেলতে ডায়মন্ড হারবারে গিয়ে সভা করে অভিষেকের মন্তব্যের জবাব তিনি দেবেন বলেও জানিয়েছিলেন।

ঝাড়গ্রামের সভা থেকে তৃণমূলের ফল নিয়ে 'বেফাঁস' শুভেন্দু
বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর সোমবার প্রথমবার শুভেন্দু অধিকারী গিয়েছিলেন ঝাড়গ্রামে। সেখানে তিনি বলেন, পঞ্চায়েত নির্বাচনে ঝাড়গ্রাম ও পুরুলিয়া জেলা পরিষদ জিতেছিল তৃণমূল। রাতের অন্ধকারে পুলিশ নিয়ে যাওয়া হয়েছিল গণনা কেন্দ্রে। যার জেরে বিজেপি হেরে যায়। সেই ঘটনার সাক্ষী তিনি বলেছেন শুভেন্দু অধিকারী।

বিজেপির স্থানীয় নেতারাই কাফি
সভায় শুভেন্দু অধিকারী জানান, ঝাড়গ্রামে যে চারটি বিধানসভা কেন্দ্র আছে, তার প্রত্যেকটাতেই বিজেপির অন্নত ৫০ হাজার করে ভোটে জিতবে। তিনি সেখানে গিয়েছেন মার্জিন বাড়ানোর জন্য। কেননা বিজেপিকে জেতানোর জন্য স্থানীয় নেতা কর্মীরাই কাফি, মন্তব্য করেন শুভেন্দু অধিকারী।

পাত্তা দিচ্ছেন না ছত্রধর আর তাঁকে কালো পতাকা দেখানোকে
শুভেন্দু অধিকারীর ঝাড়গ্রামে যাওয়ার সময় রাস্তায় ঝাড়গ্রাম জেলাপরিষদের কর্মাধ্যক্ষ মামুনি মুর্মু-সহ তৃণমূলের নেতাকর্মীরা গাড়রো মোড়ে কালো পতাকা নিয়ে বিক্ষোভ দেখায় এবং শুভেন্দু অধিকারী গোব্যাক স্লোগান দেয়। শুভেন্দু অধিকারী বিষয়টিকে গুরুত্ব দিতে নারাজ। তিনি বলেছেন, পাঁচজন স্লোগান দিচ্ছিল। তাঁদের সবাইকেই তিনি চেনেন। কিন্তু এঁদের মধ্যে তিনজন তাঁকে দেখেই মাথা নামিয়ে নেয় বলে মন্তব্য করেছেন শুভেন্দু অধিকারী। ঝাড়গ্রামে ছত্রধর মাহাত প্রভাব প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, যারা ঝাড়গ্রাম শহর মাসাধিককাল অবরুদ্ধ করে রেখেছিল, তাঁদের সম্পর্কে তিনি কোনও কথা বলবেন না।












Click it and Unblock the Notifications