শুভেন্দু বিরোধী দলনেতা ২২ জনের সমর্থনে, বাকি ৫৫ জনের ‘নিরপেক্ষ’তায় কীসের বার্তা
শুভেন্দু বিরোধী দলনেতা ২২ জনের সমর্থনে, বাকি ৫৫ জনের ‘নিরপেক্ষ’তায় কীসের বার্তা
ভোট পরবর্তী সময় থেকেই জলপ্না চলছিল বিজেপির তরফে বিরোধী দলনেতার আসনে কে বসবেন। বিরোধী দলনেতা পদের জন্য প্রথম থেকেই শোনা যাচ্ছিল শুভেন্দু অধিকারী ও মুকুল রায়ের নাম। মাঝে মুকুল রায়কে হটিয়ে সামনে চলে আসে গত বিধানসভায় বিজেপির পরিষদীয় দলনেতা মনোজ টিগ্গার নাম। শেষমশ সব জল্পনার অবসান ঘটিয়ে শুভেন্দুই হয়েছেন বিরোধী দলনেতা।
নেতৃত্ব রাজি হতেই সুর নরম, বিরোধী দলনেতা হিসেবে শুভেন্দুর নাম প্রস্তাব মুকুলের

মমতা-জয়ে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী
জ্যের বিরোধী দলনেতা হয়ে ওঠার পিছনে শুভেন্দুর পক্ষে বড় ফ্যাক্টর ছিল নন্দীগ্রামের জয়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারিয়ে নন্দীগ্রামে শুভেন্দুর বিজয়নিশান ওড়ানো নিয়ে যত বিতর্কই থাক, তাঁর সেই জয়ই বিজেপিকে সহায়তা করল শুভেন্দুকে বিরোধী দলনেতা হিসেবে বেছে নিতে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলার মুখ্যমন্ত্রী, আর বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। ফের তাঁরা সামনা-সামনি

মাত্র ২২ জনের সমর্থনে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু
বিজেপি দুই পর্যবেক্ষক নিয়োগ করেছিল বিধানসভার বিরোধী দলনেতা নির্বাচনে। তাঁদের উপস্থিতিতেই বিরোধী দলনেতা হিসেবে বেছে নেওয়া হয় শুভেন্দু অদিকারীকে। মুকুল রায় শুভেন্দু অধিকারীর নাম প্রস্তাব করেন। তারপর বৈঠকে উপস্থিত ৭৭ বিজেপি বিধায়কের মধ্যে মাত্র ২২ জন সেই প্রস্তাবকে সমর্থন করেন। বাকি ৫৫ জন তাহলে কোন পক্ষে?

শুভেন্দুর প্রতি সমর্থন নেই আড়াইগুণ বেশি বিধায়কের?
বিজেপির বাকি ৫৫ জন বিধায়ক নতুন করে কোনও নাম প্রস্তাব করেননি। তাঁরা শুভেন্দু অধিকারীর নামের প্রতি প্রত্যক্ষ সমর্থন না জানালেও পরোক্ষ সমর্থন জানিয়েছেন কারও নাম না উত্থাপন করে। তবে প্রশ্ন উঠে পড়েছে, কেন শুভেন্দুর নামের প্রতি সরাসরি সমর্থন জানালেন না আড়াইগুণ বেশি বিধায়ক?

আদি বিজেপির নেতার প্রতি সমর্থন ছিল ৫৫ জনের!
তবে কি বিজেপির অন্দরে অন্য কোনও সমীকরণ কাজ করছে? কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব শুভেন্দুর নাম চূড়ান্ত করায় বিধায়করা অন্য নাম সামনে আনতে পারলেন না, নীরব থেকে পরোক্ষ সমর্থন জানাতে বাধ্য হলেন শুভেন্দুকে। বিজেপির একটা বড় অংশ চায় না শুভেন্দু বা শুভেন্দুর মতো কেউ বিরোধী দলনেতা হন। তাঁরা আদি বিজেপির নেতাকেই চেযেছিলেন বিরোধী দলনেতার পদে!

শুভেন্দুর মনোনয়নে ৫৫ শতাংশের নীরবতায় প্রশ্ন থেকেই যায়
দুই কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক রবিশঙ্কর প্রসাদ ও দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক ভূপেন্দ্র যাদব ৭৭ জন বিধায়ক ও বিজেপির বঙ্গ নেতৃত্বের সামনে শুভেন্দুকে বেছে নেওয়া হয় বিরোধী দলনেতা হিসেবে। বিজেপির একটা বড় অংশ সঙ্ঘঘনিষ্ঠ আদি বিজেপি নেতা মনোজ টিগ্গাকে চেয়েছিল বিরোধী দলনেতা হিসেবে। তাই কি ৫৫ শতাংশের নীরবতা, প্রশ্ন থেকেই যায়।












Click it and Unblock the Notifications