৮৩২৪ জনের নিয়োগ অবৈধ, SSC নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় জানাল সুপ্রিম কোর্ট
৮ হাজার ৩২৪ জন শিক্ষকের নিয়োগ অবৈধ বলে জানাল সুপ্রিম কোর্ট। এসএসসি এর আগে প্রায় ৭ হাজার জনকে নিয়োগ অবৈধ বলে জানানো হয়েছিল। এবার প্রশ্ন উঠছে ৮৩২৪ জন শিক্ষকের নিয়োগ অবৈধ হলে পুরো প্যানেল কেন বাতিল করা হল তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।
আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যকে প্রশ্ন করে প্রধানবিচারপতির বেঞ্চ যে এসএসসির দেওয়া তথ্যে ৮৩২৪ জনের যদি নিয়োগ অবৈধ হয় তাহলে কেন পুরো প্যানেল বাতিল করা হল। বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য দাবি করেছেন এসএসসি যাঁদের নিয়োগ বৈধ বলে দাবি করেছে তার মধ্যে কতজনের নিয়োগ বৈধ তা নিয়ে প্রশ্ন থাকছে। তিনি পাল্টা দাবি করেছেন পুরো নিয়োগ প্রক্রিয়াটাই অবৈধ।

সুপ্রিম কোর্টের সওয়ালের জবাবে আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য বলেছেন, যোগ্য এবং অযোগ্য চাকরি প্রার্থী কারা সেটা হলফ নামা দিয়ে জানাতে হবে এসএসসিকে। তবে সেটা মানা যেতে পারে। নইলে যাঁদের যাঁদের নিয়োগ বৈধ বলে দাবি করা হচ্ছে তাতে গলদ থেকে যায়। কারণ যোগ্য প্রার্থী কারা অযোগ্য কারা তার কোনও প্রমাণ এখনও পেশ করেনি এসএসসি।
সুপ্রিম কোর্ট বলেছে এই নিয়োগ প্রক্রিয়ায় সম্ভবত কোনও অপরাধ মূলক পরিকল্পনা রয়েছে। শুনানির প্রথম ভাগে শার্ষ আদালতকে এসএসসি জানিয়েছিল প্রায় ৭ হাজার জন প্রার্থীর নিয়োগ অবৈধ। এবং প্রায় ১৯ হাজার জনের নিয়োগ বৈধ। আদালতলে এক প্রকার মেনে নেয় এসএসসি যে অবৈধ নিয়োগ হয়েছে। আদালত SSC-র কাছে জানতে চায় সুপ্রিম কোর্ট যে কিসের ভিত্তিতে তাঁরা বৈধ এবং অবৈধ নিয়োগ বলছেন। SSC আদালতে জানায় নাইসার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে এই বৈধ এবং অবৈধ নিয়োগের ভাগ করতে পেরেছে তারা।
কলকাতা হাইকোর্ট ২০১৬ সালের নিয়োগ সম্পূর্ণ বাতিলের নির্দেশ দেয়। তাতে প্রায় ২৬ লক্ষ শিক্ষকের নিয়োগ বাতিল হয়ে গিয়েছিল। হাইকোর্টের সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয় এসএসসি। সেই মামলায় কলকাতা হাইকোর্ট নির্দেশ দিয়েছিল যাঁরা ২০১৬ সালের মেয়ার পেরিয়ে যাওয়ার পরে নিয়োগ হয়েছিলেন তাঁদের ১২ শতাংশ সুদ সহ বেতনের টাকা ফেরত দিতে হবে। যেটা কার্যত অনৈতিক বলে সুপ্রিম কোর্টে জানিয়েছে এসএসসি। এদিন সুপ্রিম কোর্টে এসএসসির পক্ষ থেকে অবৈধ নিয়োগের পরিসংখ্যান দিয়ে জনানো হয় যে তারা তাঁদের পক্ষে সওয়ল করবেন না। তবে বেতন ফেরতের নির্দেশ সঠিক নয়।












Click it and Unblock the Notifications