মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ‘আরএসএসের দেবী দুর্গা’! জ্যোতি বসুর দৃষ্টান্ত তুলে বিঁধলেন সুজন
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ‘আরএসএসের দেবী দুর্গা’! জ্যোতি বসুর দৃষ্টান্ত তুলে বিঁধলেন সুজন
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আরএসএসের দেবী দুর্গা বলে সম্বোধন করলেন বিধানসভার বাম পরিষদীয় দলনেতা সুজন চক্রবর্তী। যাদবপুরের সিপিএম বিধায়ক কলকাতার বুকে 'গোলি মারো শালো কো' স্লোগান প্রসঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে একহাত নিলেন। তিনি বলেন, বাংলার বুকে তাঁর ক্ষমতায় থাকলে বিজেপির হিম্মত হত না ওই স্লোগান তোলা।

মমতাদেবীর ১০ দিন সময় লাগল কেন!
সুজন চক্রবর্তী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সমালোচনায় বলেন, কেন মমতাদেবীর দিল্লি হিংসায় সরব হতে ১০ দিন সময় লেগে গেল। যখন রাষ্ট্রসংঘ থেকে বিদেশের সমস্ত সংস্থাও বলে দিয়েছে দিল্লির হিংসা আদতে গণহত্যা, তখন গিয়ে আমাদের মুখ্যমন্ত্রী সরব হয়েছেন দিল্লির ঘটনায়। বলছেন, এটা জেনোসাইড। বলছেন পরিকল্পিত গণহত্যা।

অমিত শাহের সভার জন্য রাজকীয় বন্দোবস্ত
অমিত সুজন বলেন, এতদিন তিনি অপেক্ষা করছিলেন অমিত শাহের সঙ্গে একান্তে কথা বলার জন্য। একান্তে কথাবার্তা বলার পর, একসঙ্গে লাঞ্চ করার পর তাঁকে বাংলায় স্বাগত জানিয়েছেন, তাঁর সভার জন্য রাজকীয় বন্দোবস্ত করে দিয়েছেন। তারপর তাঁর সভাতে যোগদানকারীরা তুলেছেন ‘গোলি মারো' স্লোগান।

জ্যোতি বসু থাকলে বুকের পাটা হত না
সুজনের কথায়, জ্যোতি বসু থাকলে বুকের পাটা হত না বাংলার বুকে ওই স্লোগান তোলার, অমিত শাহেরও সাহত হত না ইন্ধন দে্ওয়ার। বাংলার কুর্সিতে এখন ‘আরএসএসের দেবী দুর্গা' রয়েছেন বলেই অমিত শাহ পার পেয়ে গেলেন হিংসা ছড়িয়েও। জ্যোতি বসু থাকলে পারতেন না অমিত শাহরা।

‘গোলি মারো শালো কো’ স্লোগানে গ্রেফতার
উল্লেখ্য, কলকাতার শহিদ মিনারে অমিত শাহের সভায় যোগ দিতে মিছিল করে আসার সময় বিজেপি নেতা-কর্মীরা স্লোগান তুলেছিলেন ‘গোলি মারো শালো কো'। সেই স্লোগানের পরই বিতর্ক চরমে ওঠে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে পুলিশ প্রশাসন তৎপর হয়ে গ্রেফতার করেন তিনজনকে।












Click it and Unblock the Notifications