শিশির অধিকারী তৃণমূল না বিজেপিতে, মোদীর সভার আগে জল্পনার পারদ তুঙ্গে
শিশির অধিকারী তৃণমূল না বিজেপিতে, মোদীর সভার আগে জল্পনার পারদ তুঙ্গে
শুভেন্দু অধিকারী বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর থেকেই প্রশ্ন উঠছিল শিশির অধিকারীর অবস্থান নিয়ে। তিনি তৃণমূলে না বিজেপিতে তা তাঁর কথা শুনে বোঝার উপায় নেই। কাগজে-কলমে এখনও তিনি জেলা তৃণমূলের চেয়ারম্যান। কিন্তু কথা বার্তায় তাঁর সমর্থন ছেলে শুভেন্দুর দিকেই। এমনকী ছেলের সমর্থনে মোদীর সভাতেও উপস্থিত থাকতে তাঁর কুণ্ঠা নেই।

মোদীর সভায় উপস্থিতির ব্যাপারে ইঙ্গিতবাহী বার্তা শিশিরের
শিশির অধিকারী শুধু জেলা তৃণমূলের চেয়ারম্যান। তারপর তিনি তৃণমূলের সাংসদ। কিন্তু শুভেন্দু অধিকারীর তৃণমূল ত্যাগের পর একাধিকবার প্রকাশ্যেই দলের বিরুদ্ধে তোপ দেগেছেন তিনি। তারপর আগামী ২৪ মার্চ কাঁথিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সভার আগে তাঁকে আমন্ত্রণ জানালেন লকেট চট্টোপাধ্যায় বাড়িতে যান। তিনিও মোদীর সভায় উপস্থিত থাকার ব্যাপারে ইঙ্গিতবাহী বার্তা দেন।

শিশির অধিকারীর অবস্থান কি ধীরে ধীরে স্পষ্ট হচ্ছে
তবে মোদীর সভা যত এগিয়ে আসছে, ততই শিশির অধিকারীর অবস্থান ধীরে ধীরে স্পষ্ট হচ্ছে। তিনি ফের জানিয়ে দিলেন সুযোগ পেলেই প্রধানমন্ত্রীর সভায় তিনি হাজির থাকবেন। এমনকী শুভেন্দুর হয়ে তিনি সক্রিয়ভাবে প্রচার শুরু করবেন বলেও জানিয়েছেন। আগে বলেছিলেন ছেলে যা বলবে তাই করব, তবে শুভেন্দু তাঁকে সম্মতি দিয়েছেন বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

মেদিনীপুরের লোক জানে অধিকারীরা ভোগী কি ত্যাগী
শিশিরবাবুকে রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে প্রশান্ত করা হতেই উত্তেজিত হয়ে তিনি বলে বসেন, কে বলেছে আমি তৃণমূলে আছি? লোক বলে নাকি? যেদিন শুভেন্দু দল ছেড়ে দিয়েছে, তারপর থেকে বাপ-ঠাকুরদা তুলে গালাগাল দিচ্ছে তৃণমূল। আমাদের বলছে মীরজাফর। কার কী খেয়েছি, কী করেছি জানি না। মেদিনীপুরের লোক জানে আমরা ভোগী কি ত্যাগী।

সত্যিই জানি না আমার রাজনৈতিক অবস্থান কী, খেদ শিশিরের
শিশির অধিকারীর কথায়, আমি সত্যিই জানি না আমার রাজনৈতিক অবস্থান কী। শুধু এটুকু জানি, যেলে যদি ডাকে আমি প্রচারে যাব। হতে পারে খোদ দলনেত্রীর বিরুদ্ধে শুভেন্দু এবার ভোটে দাঁড়িয়েছেন, তবু তিনি পিছপা হবেন না। শুভেন্দুর থেকেও কড়া ভাষায় দলের বিরুদ্ধে কথা বলেছেন তাঁর পিতৃদেব শিশির অধিকারী।

আমরা ঘরে বসে ‘সিনেমা’ দেখছি, কটাক্ষের সুরে শিশির
শিশির অধিকারী রীতিমতো কটাক্ষের সুরে দলনেত্রীর উদ্দেশ্যে বলেছেন, যা কীর্তি করেছেন সেটা রীতিমতো লজ্জার। জেলার পক্ষে লজ্জা, নন্দীগ্রামের পক্ষে লজ্জা। তিনি কী পড়েছেন, কোথায় পড়েছেন। ডাক্তার বলছে কিছু হয়নি। দুদিন আগে বলেছিলেন চারজন ধাক্কা মেরেছে। আবার যখন প্রতিবাদ হল বলছেন, দরজায় ধাক্কা লেগেছে। আমরা ঘরে বসে সেই সিনেমা দেখছি।












Click it and Unblock the Notifications