তৃণমূলে ফিরতে চাইছেন রাজীব! সোশ্যাল মিডিয়ায় বিস্ফোরক বার্তায় বাড়ল জল্পনা
বিজেপিতে (bjp) এবার বেসুরো রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় (rajib banerjee)। এদিন দলের বৈঠকে না গিয়ে কার্যত দলের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট করে নিজের অবস্থানের কথা লিখেছেন রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। এব্যাপারে কা
বিজেপিতে (bjp) এবার বেসুরো রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় (rajib banerjee)। এদিন দলের বৈঠকে না গিয়ে কার্যত দলের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট করে নিজের অবস্থানের কথা লিখেছেন রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। এব্যাপারে কার্যত তিনি মুকুল রায়ের পুত্র শুভ্রাংশু রায়ের কথাই তুলে ধরেছেন। যা নিয়ে শোরগোল শুরু হয়ে বিজেপির অন্দরমহলে।

শুভ্রাংশুর আত্ম সমালোচনার উপদেশ
গতমাসের একেবারে শেষের দিকে এখনও বিজেপিতে থাকা শুভ্রাংশু রায় বলেছিলেন, জনগণের সমর্থন নিয়ে আসা সরকারের সমালোচনা করার আগে আত্মসমালোচনা করা বেশি প্রয়োজন। তারপর সংবাদ মাধ্যমের সঙ্গে সাক্ষাৎকারে তিনি ধর্ম নিয়ে প্রচারের বিরোধিতা করেন। তিনি বলেন, ভোটের প্রচারে একটা ধর্ম নিয়ে প্রচার করে এসেছেন, অন্য ধর্মের কথা বলেননি।

সোশ্যাল মিডিয়ায় বেসুরো রাজীব
এদিন দলের বৈঠকের পরেই ফেসবুক পোস্ট করেন রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে তিনি বলেন, সমালোচনা তো অনেক হলো। মানুষের বিপুল জমসমর্থন নিয়ে আসা নির্বাচিত সরকারের বিরোধিতা করতে গিয়ে কথায় কথায় দিল্লি আর ৩৫৬ ধারার জুজু দেখালে বাংলার মানুষ ভালভাবে মেনে নেবে না। তিনি বলেছেন, সকলের উচিত, রাজনীতির ঊর্ধ্বে উঠে কোভিড এবং ইয়াস এই দুই দুর্যোগে বিপর্যস্ত বাংলার মানুষের পাশে দাঁড়ানো। সূত্রের খবর অনুযায়ী, ঘনিষ্ঠ মহলে রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপির উগ্র হিন্দুত্ববাদ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন। দলে সমন্বয়ের অভাব নিয়েও তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বলে জানা গিয়েছে।

রাজীবকে নিয়ে দলের অবস্থান
এদিন হেস্টিংসের বৈঠকে রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়কে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল বলেই বিজেপি সূত্রের খবর। তবে বৈঠকের পরে দলের রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ জানিয়েছেন, রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় দলের কোনও পদাধিকারী ছিলেন না। আর তিনি ব্যক্তিগত অসুবিধার কথা জানিয়েছেন। এরপরেই তিনি জানান, দলের নতুন শৃঙ্খলারক্ষা কমিটি তৈরির কথা। যেখানে রয়েছেন, বাঁকুড়ার সাংসদ সুভাষ সরকার, বিশ্বপ্রিয় রায়চৌধুরী এবং রথীন বসু। পাশাপাশি সোশ্যাল মিডিয়ায় নেতানেত্রীরা মন্তব্য করা নিয়েও নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। এদিন সোশ্যাল মিডিয়ায় রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্যের পরে দলের অপর নেতা সায়ন্তন বসু জানিয়েছেন, কোন পরিস্থিতিতে এই মন্তব্য তা খতিয়ে দেখা হবে। পুরোটা না জেনে তিনি কোনও মন্তব্য করতে পারবেন না বলেও জানান।

মানিয়ে নিতে পারছেন না বিজেপির রাজনীতির সঙ্গে
শুভ্রাংশু রায়ই হোন কিংবা রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় এঁরা কেউই দীর্ঘদিন বিজেপির রাজনীতি করেননি। ফলে তাঁরা বিজেপির ধর্ম, হিন্দুত্ব এইসব মেনে নিতে পারছেন না বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেশকরা। ভবিষ্যতে এই নেতারা কী করেন এখন সেটাই দেখার।












Click it and Unblock the Notifications