বিজেপির 'প্রভাবশালী' নেতার বাড়িতে রমরমিয়ে মধুচক্রের আসর! দরজা খুলে পুলিশ যা দেখল জানলে চমকে যাবেন
বিজেপির 'প্রভাবশালী' নেতার বাড়িতে রমরমিয়ে মধুচক্রের আসর! দরজা খুলে পুলিশ যা দেখল জানলে চমকে যাবেন
বাংলাতে বড়সড় মধুচক্রের আসর ফাঁস! তাও আবার কিনা বিজেপি নেতার বাড়িতে। আর এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। আর এই ঘটনাতে এখনও পর্যন্ত তিনজনকে গ্রেফতার করছে পুলিশ। ধৃত ওই তিনজনকে জেরা শুরু করেছে পুলিশ। কীভাবে দিনের পর দিন পুলিশকে চোখে দুলো দিয়ে ওই এলাকাতে এভাবে মধুচক্র চলত তা জেনার চেষ্টা করা হচ্ছে।

বিজেপি নেতার ভাড়া বাড়িতে চলত অপরাধ
জানা গিয়েছে, বিজেপি নেতার ভাড়া বাড়িতে দিনের পর দিন চলছিল এই মধুচক্র। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে আজ সোমবার হানা দেয় পুলিশ। আর সেই মধুচক্রের আসর থেকে এক যুবতী ও দুই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে পুলিশ। যদিও এই ঘটনায় অভিযুক্ত বিজেপি নেতা বর্তমানে পলাতক। যদিও অভিযুক্ত ওই নেতার খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে পুলিশ।

পুলিশ স্বতপ্রণোদিত মামলা দায়ের করেছে
এই ঘটনায় ইতিমধ্যে পুলিশ স্বতপ্রণোদিত মামলা দায়ের করেছে। উত্তর ২৪ পরগনার গাইঘাটা থানা এলাকার এই ঘটনায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
পুলিশ এবং স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, রবিবার রাতে গাইঘাটা থানার রামপুর এলাকার বিজেপির মন্ডল সভাপতি বিশ্বজিৎ ঘোষের একটি ভাড়া বাড়ি রয়েছে।

পুরুষ ও মহিলাদের আনাগোনা ছিল।
অভিযোগ, ওই বাড়িতে প্রায়ই বাইরের পুরুষ ও মহিলাদের আনাগোনা ছিল। সন্দেহ, সেখানে দেহ ব্যবসার আসর বসতো এবং তার শুটিংও হতো। রবিবার রাতেও মধুচক্রের আসর বসে। স্থানীয় মানুষেরা ওই বাড়িতে বহিরাগতদের যাতায়াত করতে দেখা যায়।
স্থানীয়দের কাছ থেকে সেই খবর পেয়ে গাইঘাটা থানার পুলিশ সেখানে হানা দেয়। পুলিশ সেখানে দুজন পুরুষ এবং একজন মহিলাকে আপত্তিজনক অবস্থায় দেখতে পায়।

অভিযোগে পরে পুলিশ তাদের গ্রেফতার করে
মধুচক্রের আসর বসানোর অভিযোগে পরে পুলিশ তাদের গ্রেফতার করে। ধৃতদের বাড়ি গাইঘাটা এবং হালিশহর এলাকায়। সোমবার তাদেরকে বনগাঁ মহকুমা আদালতে তোলা হলে বিচারক তাদের জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন। অন্যদিকেএই ঘটনা সম্পর্কে অভিযুক্ত বিজেপি নেতা বিশ্বজিৎ ঘোষ জানান ওই বাড়িটি তার কেনার কথা থাকলেও শেষ পর্যন্ত তিনি বাড়িটিকে নেননি ফলে বাড়িটি তার নয়। রাজনৈতিক কারণে তাকে ফাঁসানো হয়েছে। তবে এই ঘটনাতে চরম অস্বস্তিতে স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব। খোদ দলের এহেন নেতার কাজে চরম অস্বস্তিতে বিজেপি নেতৃত্ব। তবে এই ঘটনা একেবারে মাঠে নেমে পড়েছে শাসকদল তৃণমূল। স্থানীয় এক তৃণমূল নেতার দবি, এটাই বিজেপির সংস্কৃতি। মা-বোনেদের সম্মান দিতে জানেনা তাঁরা। আর এই কারনে বাংলার মানুষ তাঁদের প্রত্যাখ্যান করেছে। আগামীদিনে দিল্লির মসনদ থেকেও তাঁদের দেশের মানুষ ছুঁড়ে দেবে বলে দাবি তৃণমূলের ।












Click it and Unblock the Notifications