লকডাউনের বাজারে লক্ষ্যপূরণ পিকের! মমতার বাংলায় ‘সব কি রসোই’-এ বাজিমাত
লকডাউনের বাজারে লক্ষ্যপূরণ পিকের! মমতার বাংলায় ‘সব কি রসোই’-এ বাজিমাত
করোনা ভাইরাসের জেরে দেশজুড়ে লকডাউন আরও বৃদ্ধি করা হয়েছে। এই অবস্থায় মানুষের মুখে অন্ন তুলে দেওয়ার জন্য উঠে এসেছে অনেক সংস্থাই। বসে ছিলেন না তৃণমূলের ভোট কৌশলী প্রশান্ত কিশোরও। তিনি 'সব কি রসোই' নিয়ে ময়দানে নেমে পড়েন। আর প্রথম পর্যায়ে তিনি লক্ষ্যপূরণেও সফল হয়েছেন।

মানুষের হাতের মুঠোয় ‘সব কি রসোই’
প্রশান্ত কিশোরের লক্ষ্য ছিল লকডাউনের প্রথম পর্বে ১৫ লক্ষ মানুষের কাছে খাবার পৌঁছে দেওয়া। সেই মতো তিনি লক্ষ্যের থেকেও বেশি মানুষের হাতে তাঁর ‘সব কি রসোই' তুলে দিয়েছেন। ‘সব কি রসোই' পেয়েছেন দেশের ১৬.৫ লক্ষ মানুষ। অর্থাৎ লক্ষ্যের তুলনায় দেড় লক্ষ বেশি মানুষকে তিনি খাবার দিয়েছেন।

কলকাতায় ৯২ হাজারেরও বেশি মানুষকে ‘সব কি রসোই’
আর এই সাড়ে ১৬ লক্ষের মধ্যে শুধু বাংলার রাজধানী কলকাতায় ৯২ হাজারেরও বেশি মানুষকে ‘সব কি রসোই' দিয়েছেন টিম প্রশান্ত কিশোর। ৫ এপ্রিল থেকে শুরু করে ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত দেশের করোনা দুর্গত মানুষদের পাশে দাঁড়ান তিনি। তাঁর টিম আই প্যাকের সদস্যরা ‘সব কি রসোই' চালু করেন।

৩৩টি শহরে চালু ‘সব কি রসোই’ পরিষেবা
প্রথমার্ধে দেশের ২০-২৫টি শহরে এই ‘সব কি রসোই' নিয়ে হাজির হয়েছিল আই প্যাক। ৩৮টি রান্না ঘর ও ৫৪টি খাদ্য সরবরাহকারী সংস্থার সঙ্গে হাত মিলিয়ে তা শুরু হয়েছিল। পরে ৩৩টি শহরে চালু করা হয় ‘সব কি রসোই' পরিষেবা। যুক্ত করা হয় ১১৩১টি খাদ্য সরবরাহকারী সংস্থাকে।

অংশীদার হয়েছে জোম্যাটো, সুইগির মতো সংস্থাও
প্রশান্ত কিশোরের এই উদ্যোগে অংশীদার হয়েছে জোম্যাটো, সুইগির মতো সংস্থাও। এরকম একাধিক সংস্থা কলকাতা, মুম্বই, পাটনা, বেঙ্গালুরু, চেন্নাইয়ের মতো একাধিক শহরে ‘সব কি রসোই' কাজ করছে। সামাজিক দূরত্ব মেনে দুস্থদের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে মহার্ঘ খাবার।

রাজনীতির বাইরেও পিকের একটা জগৎ রয়েছে
এভাবে্ই পিকে বুঝিয়ে দিয়েছেন, রাজনীতির বাইরেও তাঁর একটা জগৎ রয়েছে। তিনি সামাজিক কাজেও কর্তব্য পরায়নতা ও দায়বদ্ধতার পরিচয় স্থাপন করতে পারেন। এভাবেই বাংলায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভোট কৌশলী বুঝিয়ে দিলেন তাঁর সামাজিক গুরুত্বও। তিনি যে শুধু রাজনীতির অলিন্দেই কৌশলী নন, তিনি যে সমাজের কাজেও পারদর্শী, তার নিদর্শন রাখলেন।












Click it and Unblock the Notifications