• search

সাহিত্যিক শক্তিপদ রাজগুরুর জীবনাবসান

  • By Ananya Pratim
Subscribe to Oneindia News
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS
For Daily Alerts
    রাজগুরু
    কলকাতা, ১২ জুন: প্রয়াত হলেন সাহিত্যিক শক্তিপদ রাজগুরু। বয়স হয়েছিল ৯২ বছর। বৃহস্পতিবার সকালে তিনি মারা যান।

    বাংলা সাহিত্যের জগতে শক্তিপদ রাজগুরু একটি অবিস্মরণীয় নাম। ১৯২২ সালের পয়লা ফ্রেব্রুয়ারি তিনি জন্মগ্রহণ করেন বাঁকুড়া জেলার গোপবন্দি গ্রামে। ছোটো থেকেই অসাধারণ মেধাবী ছিলেন। শোনা যায়, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বড় বড় কবিতাগুলি অনর্গল মুখস্থ বলে যেতে পারতেন। মুর্শিদাবাদের পাঁচথুপি টি এন ইনস্টিটিউশন থেকে ম্যাট্রিকুলেশন পাশ করেন। উচ্চশিক্ষা কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে। পড়াশুনোর পাশাপাশি তিনি আরও যেটা ভালোবাসতেন, তা হল ভ্রমণ। সুযোগ পেলেই বেরিয়ে পড়তেন।

    'দিনগুলি মোর' হল শক্তিপদ রাজগুরুর প্রথম উপন্যাস। ১৯৪৫ সালে এটি প্রকাশিত হয়। উদ্বাস্তুদের বারোমাস্যা এর বিষয়বস্তু। অন্যান্য বিখ্যাত সৃষ্টি হল 'মেঘে ঢাকা তারা', 'মণি বেগম', 'অন্তরে অন্তরে', 'জীবন কাহিনী', 'অনুসন্ধান', 'অমানুষ', 'বাঘিনী' ইত্যাদি। সারা জীবনে একশোটিরও বেশি উপন্যাস লিখেছেন। তিনি বলতেন, বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় ও তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখাই তাঁর ওপর সবচেয়ে বেশি প্রভাব ফেলেছে। শিশু-কিশোরদের কথাও মাথায় রাখতেন তিনি। তাই 'পটলা' চরিত্র সৃষ্টি করেছিলেন। তিনি বিশ্বাস করতেন, মানুষের বয়স বাড়ার বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে জীবন ক্রমশ জটিলতর হয়ে ওঠে। তাই ভিতরে যদি একটা শিশুসুলভ মন লুকিয়ে রাখা যায়, তা হলে সুখী হওয়া যায়।

    শক্তিপদবাবুর কিছু উপন্যাস অবলম্বনে সিনেমাও তৈরি হয়েছে। যেমন 'মেঘে ঢাকা তারা' সিনেমায় রূপান্তরিত করেছিলেন ঋত্বিক ঘটক। এ ছাড়া 'অমানুষ', 'এক বরসাত কি রাত' ইত্যাদি সিনেমা তৈরি হয়েছিল তাঁর গল্প অবলম্বনে। শক্তিপদ রাজগুরুর লেখাগুলি হিন্দি, তামিল, মলয়ালম ও মারাঠি ভাষায় অনূদিত হয়েছে। ছোটোনাগপুরের জঙ্গল, দণ্ডকারণ্যের সবুজভূমি তাঁকে টানত বারবার। অবসর পেলেই ছুটে যেতে এই জায়গাগুলিতে। শক্তিপদ রাজগুরুর প্রয়াণে গভীর শোক ব্যক্ত করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

    English summary
    Popular writer Shaktipada Rajguru passes away

    Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
    সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

    We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more