তৃণমূলে ফেরার আর্জি ১৮ নেতা-নেত্রীর! বিধানসভা ভোটের পর ধস নেমেই চলেছে বিজেপিতে
একুশের বিধানসভা ভোট মিটতেই উল্টো স্রোত বইতে শুরু করেছে বাংলার রাজনীতিতে। ভোটের আগে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগদানের হিড়িক পড়েছিল। এবার ঘরওয়াপসির আবেদন জড়ো হচ্ছে। দলে ভাঙন সত্ত্বেও বিরাট জয় পেয়েছে তৃণমূল।
একুশের বিধানসভা ভোট মিটতেই উল্টো স্রোত বইতে শুরু করেছে বাংলার রাজনীতিতে। ভোটের আগে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগদানের হিড়িক পড়েছিল। এবার ঘরওয়াপসির আবেদন জড়ো হচ্ছে। দলে ভাঙন সত্ত্বেও বিরাট জয় পেয়েছে তৃণমূল। এখন তাই দলবদলুদের ঘরে ফেরানো নিয়ে ধীরে চলো নীতি নিয়েছে তারা।

বিজেপি নেতাদের দল ছাড়ার হিড়িক
ভোট পরবর্তী সময়ে বিজেপি নেতারা দল ছাড়ছেন আর তৃণমূলে যোগদানের আবেদন করছেন। দীপেন্দু বিশ্বাস থেকে শুরু করে সোনালি গুহ, সরলা মুর্মু, অমল আচার্যদের পর নিচতুলার নেতা-নেত্রীদের মধ্যেও তৃণমূলে ফেরার প্রবণতা তৈরি হয়েছে। এদিন মালদহের ১৮ জন পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য ঘরওয়াপসির আবেদন করেন।

বিজেপির শীর্ষ স্তরেও ভাঙনের সম্ভাবনা
রাজ্য বিজেপির শীর্ষ স্তরেও ভাঙনের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এমনকী মুকুলের বাড়িতেও সেই ভাঙন-সম্ভাবনা প্রবেশ করেছে। মুকুল-পুত্র শুভ্রাংশু রায় বেসুরো বাজতে শুরু করেছেন। সব্যসাচী দত্ত থেকে শুরু করে অনেক রাজ্যস্তরের নেতার কণ্ঠেও শোনা যাচ্ছে বিসর্জনের করুণ সুর। এই অবস্থায় একটা পঞ্চায়েত সমিতিতে ভাঙন ধরাও বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ।

বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে ফিরতে আবেদন
ভোটের পর বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে ফিরতে নেতৃত্বের কাছে আবেদন জানিয়েছেন মালদহের রতুয়া পঞ্চায়েত সমিতির ১৮ জন সদস্য। মালদহের দলত্যাগী নেতারা তৃণমূলের কাছে আবেদন জানানোর পর জেলা নেতৃত্ব সময় নিয়েছে ভেবে দেখার জন্য। তৃণমূলে জেলা সভানেত্রী মৌসম বেনজির নুর এখন রাজ্য নেতৃত্বের অনুমতির অপেক্ষায় রয়েছেন।

পঞ্চায়েত সমিতির ১৮ সদস্যের তৃণমূলে ফেরার আর্জি
পঞ্চায়েত সমিতির ওই ১৮ সদস্য ভোটের আগেই তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে গিয়েছিলেন। ভোট মিটতেই তাঁরা ঘরে ফেরার তোড়জোড় শুরু করলেও কঠিন সময়ে পাশে না থাকার কারণে তাঁদের বিরুদ্ধে কঠোর হতে পারে তৃণমূল। মৌসম দলে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নিতে চাইছেন। আর বিজেপির গোবিন্দচন্দ্র মণ্ডল জানান, আমরা জোর করে কাউকে দলে নিইনি। কেউ যেতে চাইলে বাধাও দেব না।












Click it and Unblock the Notifications