শিক্ষক দিবসে 'পার্শ্বশিক্ষকদের' বিষয় এনে মমতাকে খোঁচা ধনখড়রের
শিক্ষক দিবসে 'পার্শ্বশিক্ষকদের' বিষয় এনে মমতাকে খোঁচা ধনখড়রের
মাঝে ক'দিন চুপচাপ ছিলেন, সরকার বনাম রাজ্যপালের দ্বৈরথ দেখেনি রাজ্যবাসী। তবে সমস্ত নীরবতা ভেঙে তিনি ফের বলে উঠলেন। পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়ের কথা হচ্ছে। শিক্ষক দিবস উপলক্ষে এবার পার্শ্বশিক্ষকদের টেনে এনে মমতা সরকারকে খোঁচা দিলেন ধনকড়৷

ধনকড়ের ট্যুইট-বাণ
আজ ধনকড় ট্যুইট করেন, 'শিক্ষক দিবস উপলক্ষে আমি প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি তথা ভারতরত্ন ডাঃ সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণানের প্রতি শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করছি। একইসঙ্গে কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি সমস্ত শিক্ষকদের যাঁরা কিনা সামাজিক উন্নতির মেরুদণ্ড৷' এরপরের লাইনেই স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিতে খোঁচা দেন ধনকড়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ট্যাগ করে লেখেন, 'পার্শ্বশিক্ষক এবং চুক্তিভিত্তিক শিক্ষকদের ওপর হওয়া অবিচার বন্ধ হওয়ার সময় এসেছে।'
এই ট্যুইটের রেশ কাটতে না কাটতেই সন্ধ্যায় আরও একটি ট্যুইট করেন ধনকড়। তাতে একটি সরকারি নির্দেশিকার ছবি পোস্ট করে লেখেন, ' হুগলি থেকে ৩০০ কিলোমিটার দূরে মালদহের একটি মাদ্রাসায় শ্রীমতী অনিমা নাথ নামক এক শিক্ষিকাকে বদলি করার কী তাৎপর্য রয়েছে? আর এটা কোনও বিচ্ছিন্ন উদাহরণও নয়।' এক্ষেত্রেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ট্যাগ করে ধনকড় লেখেন, আমি আশা করব মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রতিশোধমূলক পদক্ষেপ নেবেন না৷
এ আর নতুন কী!
রাজ্যপালের সঙ্গে রাজ্য সরকারের সংঘাত নতুন কিছু নয়। এর আগেও বহু ইস্যুতে তৃণমূল সরকারের সঙ্গে সংঘাতে জড়িয়েছেন ধনকড়। পরিস্থিতি মাঝেমধ্যে এতটাই উত্তপ্ত হয়েছে যে তাঁকে 'বিজেপির দালাল'ও বলেছেন তৃণমূল নেতারা। তবে ধনকড় রয়েছেন তাঁর অবস্থানেই৷ তিনি নিজের ছন্দে ব্যাটিং করে গিয়েছেন।
কিছুদিন আগেই বাণিজ্য সম্মেলন নিয়ে রাজ্যকে খোঁচা দিয়েছিলেন জগদীপ। তার পালটা দিয়েছিলেন কুণাল ঘোষও। রবিবাসরীয় আমেজে অবশ্য শিক্ষক দিবসে জগদীপের এই ট্যুইটের কোনও প্রত্যুত্তর পাওয়া যায়নি শাসকদলের তরফ থেকে।












Click it and Unblock the Notifications