ড্রাই হয়ে যেতে পারে শহরের পাম্পগুলি! অনির্দিষ্টকালের জন্যে ধর্মঘটে বন্ধ হচ্ছে পেট্রোল এবং ডিজেল সরবরাহ
ট্রান্সপোর্ট রেট অস্বাভাবিক হারে কমিয়ে দেওয়া হয়েছে! ইন্ডিয়ান অয়েলের পক্ষ থেকে নয়া টেন্ডার ডাকা হয়েছে। আর এই টেন্ডারে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আর তাতে ক্ষুব্ধ তেল ট্যাঙ্কার মালিকরা। আর এরপরেই ধর্মঘটের ডাক দেওয়া হয়ে
ট্রান্সপোর্ট রেট অস্বাভাবিক হারে কমিয়ে দেওয়া হয়েছে! ইন্ডিয়ান অয়েলের পক্ষ থেকে নয়া টেন্ডার ডাকা হয়েছে। আর এই টেন্ডারে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আর তাতে ক্ষুব্ধ তেল ট্যাঙ্কার মালিকরা। আর এরপরেই ধর্মঘটের ডাক দেওয়া হয়েছে তেল ট্যাঙ্কার মালিকদের তরফে।

আর এর ফলে ব্যাপক প্রভাব পড়বে জ্বালানিতে। কারণ অনিরিদিষ্টকালের জন্যে ডাকা এই ধর্মঘটের ফলে সম্পূর্ণ ভাবে বন্ধ থাকবে পেট্রোল-ডিজেল সরবরাহ। আর তেল সরবরাহ যদি বন্ধ হয়ে যায় তাহলে একটা সময়ের পর শূন্য হয়ে যাবে কলকাতা এবং হাওড়ার পেট্রোল পাম্পগুলিও। ফলে আগামিদিনে রাস্তায় গাড়ী বের করা কঠিন হয়ে পড়বে বলে মনে করা হচ্ছে।
ওয়েস্টবেঙ্গল ট্যাঙ্কার অ্যাসোসিয়েশনে তরফে জানানো হয়েছে যে, ট্রান্সপোর্ট রেট অস্বাভাবিক হারে কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। এর ফলে আর গাড়ি চালানো সম্ভব নয়। আর সেদিকে তাকিয়ে এই ধর্মঘটের পথে তাঁরা হাঁটতে বাধ্য হয়েছেন বলে দাবি তেল ট্যাঙ্কার মালিকদের।
রাজ্যের প্রায় কয়েক হাজার ট্রাক এই ধর্মঘটে সামিল হয়েছে। জানা গিয়েছে এই ধর্মঘটের প্রভাব পড়েছে মৌরিগ্রামে ইন্ডিয়ান অয়েল ডিপোতে। এই ডিপো থেকে প্রত্যেকদিন অসংখ্য তেল ট্যাঙ্কার তেল ভরে থাকে। কিন্তু এই ধর্মঘট হওয়ার পর আজ বৃহস্পতিবার কোনও ট্যাঙ্কারে তেল ভরা হয়নি। ফলে ব্যাপক প্রভাব পড়েছে।
জানা যাচ্ছে, তেল সরবরাহ কার্যত স্তব্ধ হয়ে যাওয়ার কারণে হাওড়া, কলকাতা, উত্তর ২৪ পরগণা, দক্ষিণ ২৪ পরগণা এবং নদিয়ার একাংশে তেল সরবরাহ করা যায়নি। ফলে একাধিক পেট্রোল পাম্প আজ বন্ধ রয়েছে। আশঙ্কা, এমন পরিস্থিতি যদি ক্রমশ চলতে থাকে তাহলে ধীরে ধীরে সমস্ত পাম্পগুলি বন্ধ হয়ে যাবে। ওয়েস্ট বেঙ্গল পেট্রল ডিলয়ার্স অ্যাসোসিয়েশন মনে করছে শুধু কলকাতাতে প্রত্যেক দিন পেট্রোল এবং ডিজেলের চাহিদা ব্যাপক। প্রত্যেকদিনই তেল ভরতে হয়।
এই অবস্থায় অ্যাসোসিয়েশন মনে করছে, সন্ধ্যের পর থেকে কলকাতা এবং হাওড়ার পাম্পগুলি ড্রাই হতে শুরু করবে। আর এই মধ্যেই আন্দোলনকারী সংগঠনের হুঁশিয়ারি এই বিষয়ে কোনও ব্যবস্থা না নিলে আগামিদিনে আরও বড়সড় আন্দোলনের পথে হাঁটা হবে। ৬০ টিরও বেশি তেল ট্যাঙ্কার ধর্মঘটে সামিল হয়েছে। তাতেই এই অবস্থা।
এই অবস্থায় আন্দোলনে আরও বড় আকার নিলে কলকাতা সহ বিস্তীর্ণ অঞ্চলে ক্রমশ জ্বালানির আকাল ভয়ঙ্কর হবে বলে মনে করা হচ্ছে। অন্যদিকে ইতিমধ্যে কলকাতায় পেট্রোলের দাম ১০০ টাকা পেরিয়ে গিয়েছে। যা নিয়ে মানুষের পকেটে ব্যাপক ভাবে টান পড়ছে। আর এই অবস্থায় এই ধর্মঘট পরিস্থিতিকে আরও ভয়ঙ্কর করে তুলবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।












Click it and Unblock the Notifications