মোদী-মমতার মধ্যে কোনও ফারাক নেই, কেন এমন কথা বললেন প্রাক্তন এই মন্ত্রী
কৃষক নীতির প্রশ্নে মমতা ও মোদী একই গোত্রের। কেন্দ্রে মোদীর সরকার যা করার চেষ্টা করছেন, রাজ্যে তৃণমূল সরকারই সেই কাজ করে চলেছে।
নরেন্দ্র মোদীর বিজেপি হোক বা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল কংগ্রেস- দুই দলের মধ্যে কোনও পার্থক্য নেই। দুজনের নীতিই এক বলে মনে করেন দিল্লির প্রাক্তন মন্ত্রী। বিশেষ করে কৃষক নীতির প্রশ্নে দুজনেই একই গোত্রের। কেন্দ্রে মোদীর সরকার যা করার চেষ্টা করছেন, রাজ্যে তৃণমূল সরকারই সেই কাজ করে চলেছে।

ভাঙড় পরিদর্শন করে দুজনকেই দ্ব্যর্থহীনভাষায় বিঁধলেন আম আদমি পার্টির প্রাক্তন মন্ত্রী যোগেন্দ্র যাদব। বিশিষ্ট এই সমাজকর্মী মনে করেন, ভাঙড়ে গিয়ে জমি আন্দোলন বিষয়ে যেটুকু জেনেছি, তাতেই আমার ধারণা হয়েছে, কৃষক-নীতিতে মোদী ও মমতা একই জায়গায় দাঁড়িয়ে। তিনি ভাঙড়ের মাটিতে দাঁড়িয়ে কড়া সমালোচনা করেন রাজ্যের তৃণমূল সরকারের।
যোগেন্দ্র যাদব মমতাকে বার্তা দেন, তিনি যেন ভুলে না যান জমি ও কৃষক আন্দোলনকে পাথেয় করে রাজ্যে ক্ষমতায় এসেছেন। কিন্তু ক্ষমতা দখলের পর তিনি যদি কৃষক নীতিতে একই পন্থা নেন, মানুষ তাঁকে ছেড়ে কথা বলবে না। এমনকী তিনি মন্তব্য করেন, ভাঙড়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার যে অবস্থান নিয়েছে, তাঁর মুখে আর মোদী সরকারের সমালোচনা মানায় না। উভয়েই এই প্রশ্নে একই জায়গায় দাঁড়িয়ে।
যোগেন্দ্র যাদব তাঁর স্বরাজ অভিযান-সহ ১৭টি কৃষক ও খেতমজুর সংগঠনের সমন্বয় কমিটির তরফে ভাঙড় পরিদর্শন করেন। সঙ্গে ছিলেন কৃষকসভার সর্বভারতীয় নেতা হান্নান মোল্লা, সিপিআইয়ের রাজ্য সম্পাদক তথা কৃষকসভার নেতা প্রবোধ পাণ্ডা প্রমুখ, সিপিআইএমএলের কৃষকনেতা কার্তিক পাল প্রমুখ।
রবিবার থেকে চতুর্থ দফার জাঠা কর্মসূচি শুরু হল। এই জাঠা কর্মসূচি উপলক্ষে কলকাতায় ও ঝাড়গ্রামে পৃথক দুটি সভা হয় এদিন। ২০ নভেম্বর দিল্লিতে জাঠা পরিক্রমা শেষ হবে। সেই অনুষ্ঠানে ভাঙড়ে গুলিকাণ্ডে মফিজুর ও আলমগীরের পরিবারকে হাজির করা হবে বলে জানান যোগেন্দ্র। সেই মঞ্চ থেকে সম্মিলিতভাবে আওয়াজ তোলা হবে রাজ্য ও কেন্দ্রের কৃষক নীতির বিরুদ্ধে। ডাক দেওয়া হবে একযোগে আরও বৃহত্তর আন্দোলনের।












Click it and Unblock the Notifications