নাকা চেকিং নিয়ে কড়া নির্দেশিকা লালবাজারের! রাস্তায় বেরিয়ে বিপদে পড়তে না চাইলে জেনে রাখুন
করোনা পরিস্থিতিতে রাত ১১ টা থেকে সকাল পাঁচ টা পর্যন্ত কার্ফু জারি করা রয়েছে। আর এই সময়ে পুলিশ প্রশাসনের তরফে মাঝে মধ্যেই রাস্তার বিভিন্ন অংশে নাকা চেকিং করা হয়। শুধু তাই নয়, স্বাধীনতা দিবস কিংবা ভোটের আগে দিন শহরের রাস্ত
করোনা পরিস্থিতিতে রাত ১১ টা থেকে সকাল পাঁচ টা পর্যন্ত কার্ফু জারি করা রয়েছে। আর এই সময়ে পুলিশ প্রশাসনের তরফে মাঝে মধ্যেই রাস্তার বিভিন্ন অংশে নাকা চেকিং করা হয়। শুধু তাই নয়, স্বাধীনতা দিবস কিংবা ভোটের আগে দিন শহরের রাস্তায় এই চেকিং চালানো হয়।

কলকাতা এবং রাজ্য পুলিশের তরফে এক চেকিং চালানো হয়। মূলত নাশকতার বিষয়টি খেয়াল রেখে কিংবা দুর্ঘটনা কমানোর উদ্দেশেই রাস্তার বিভিন্ন জায়গাতে কলকাতা পুলিশের তরফে এই চেকিং চালানো হয়। আর এই চেকিংয়ের নামে অনেক সময়ে সাধারণ মানুষকে হেনস্তার অভিযোগ ওঠে।
পুলিশের একাংশ চেকিংয়ের নামে ক্ষমতা জাহিরের চেষ্টা চলে বলে অভিযোগ ওঠে। গাড়ির কাগজ ঠিক থাকলে বিভিন্ন কারণ দেখিয়ে জরিমানা করা হয়ে থাকে। প্রশ্নের মুখে পড়তে হয় পুলিশের মানবিক মুখকে। আর এবার সেদিকে তাকিয়েই বড়সর সিদ্ধান্ত কলকাতা পুলিশের।
বিশেষ করে সাধারণ মানুষকে হেনস্তার হাত থেকে বাঁচাতে বিশেষ তৎপরতা পুলিশ প্রশাসনে। আর সেদিকে তাকিয়ে এবার নয়া নির্দেশিকা জারি করল কলকাতা পুলিশ। বিশেষ করে হেনস্তা রুখতে বিশেষ তৎপরতা। ইতিমধ্যে নাকা চেকিং সংক্রান্ত নয়া নির্দেশিকা বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। ট্রাফিক বিভাগের তরফে সব ট্রাফিক গার্ডের ওসি এবং এওসিকে নির্দেশিকা পাঠানো হয়েছে। সেখানে স্পষ্ট বলা হয়েছে, যে পুলিশ কর্মীদের গাড়ির নথিপত্র পরীক্ষা করার অনুমোদন নেই, তাঁদের গাড়ির নথিপত্র পরীক্ষা করার দায়িত্বে বহাল করা যাবে না।
লালবাজারের একেবারে কড়া নির্দেশ, কেবলমাত্র সাব ইনস্পেক্টর ও সার্জেন্টরাই নথিপত্র পরীক্ষা করার অনুমোদন পাবেন। যাঁদের এক্তিয়ার নেই, তাঁরা গাড়ির কাগজ দেখতে পারবেন না। এমনকি চাইতেও পারবেন তাঁরা। কড়া ভাবে এই নির্দেশিকা মানার কথা বলা হয়েছে কলকাতা পুলিশের তরফে। নির্দেশিকাতে পরিষ্কারভাবে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে এই নির্দেশ অমান্য হলে বিভাগীয় শাস্তির মুখে পড়তে হবে।
শুধু তাই নয়, নির্দেশিকা কেন অমান্য করা হয়েছে সেই বিষয়ে জবাবদিহিও করতে হবে। সংশ্লিষ্ট যে ট্র্যাফিক গার্ডের বিরুদ্ধে এহেন অভিযোগ উঠবে সেই গার্ডের উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের এই বিষয়ে জবাবদিহি করতে হবে বলে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে গাড়ি চালকদের প্রতি সহানুভূতি দেখানোর কোনও জায়গা নেই, সাফ নির্দেশিকাতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি চেকিংয়ের সময় আইন অমান্যকারী চালক যদি বাজে ব্যবহার করেন, তাহলে তা বডি ক্যামেরায় তুলে রাখতে হবে। এমনটাও জানানো হয়েছে কলকাতা পুলিশের তরফে জারি করা নির্দেশিকাতে। তবে এহেন নির্দেশিকা ঘিরে বিভিন্ন ধরনের জল্পনা তৈরি হয়েছে।
একাংশের মতে, ব্যাপক ভাবে সিভিক ভলেন্টিয়ার নিয়োগ করা হয়েছে। ট্রেনিং ছাড়াই কার্যত চলছে কাজ। অনেক সময়এতে তাঁদের দিয়ে অনেক কাজ করানো হচ্ছে। ফলে সাধারণ মানুষকে হেনস্তা বাড়ছে। এমনকি সিভিক পুলিশের কাজ নিয়ে ক্ষুব্ধ একাংশ। তা ঠেকাতেই এহেন সিদ্ধান্ত? ঊঠছে প্রশ্ন।












Click it and Unblock the Notifications