সবুজ সঙ্কেত পেলেই উড়তে তৈরি NDRF-এর উদ্ধারকারী বিমান, ইঞ্জিনিয়ারদের নিয়ে তৈরি ভারতীয় সেনাও

ক্রমশ উপকূলের দিকে এগোচ্ছে ঘূর্ণিঝড় ইয়াস। আগামী ২৪ ঘন্টায় তা প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে পরিবর্তিত হবে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। দিঘা থেকে প্রায় সাড়ে ৬০০ কিমি দূরে এই মুহূর্তে অবস্থান করছে এই সাইক্লোন। ইতিমধ্যেই উপকূল এলাকায় বৃষ

ক্রমশ উপকূলের দিকে এগোচ্ছে ঘূর্ণিঝড় ইয়াস। আগামী ২৪ ঘন্টায় তা প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে পরিবর্তিত হবে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। দিঘা থেকে প্রায় সাড়ে ৬০০ কিমি দূরে এই মুহূর্তে অবস্থান করছে এই সাইক্লোন। ইতিমধ্যেই উপকূল এলাকায় বৃষ্টির সঙ্গে চলছে প্রবল হওয়া।

তবে এখনও পর্যন্ত আছড়ে পড়ার স্থান নির্দিষ্ট করে বলতে পারেনি আবহাওয়া দফতর। তবে মনে করা হচ্ছে যে সাগর এবং পারাদ্বীপ উপকূলে এই ঝড় আছড়ে পড়তে চলেছে। ঝড়ের মোকাবিলাতে প্রস্তুত রাজ্য প্রশাসন।

তৈরি রাখা হল জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর বিমান

তৈরি রাখা হল জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর বিমান

ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের মোকাবিলায় জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী পাঠাচ্ছে কেন্দ্র। পশ্চিমবঙ্গে জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী বা এনডিআরএফের ৯৯টি দল পাঠাচ্ছে কেন্দ্র। কলকাতা, হাওড়া, পূর্ব মেদিনীপুর, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনায় এনডিআরএফের এই সব দলকে পাঠানো হয়েছে। এছাড়াও অন্ধ্রপ্রদেশ এবং ওডিশাতেও ইতিমধ্যে পৌঁছে গিয়েছে জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা টিমের সদস্যরা। ইতিমধ্যে রাজ্য সরকারের সঙ্গে বৈঠক করেছেন জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর ডিজি সত্যপ্রধান। টুইট করে তিনি জানান, উদ্ধারকাজের জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর বিমান। সাগর ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় নজরদারি জোরদার করেছে এনডিআরএফ।একাধিক জায়গায় ড্রোনের মাধ্যমে নজরদারি চলছে।

বিপর্যয় মোকাবিলায় প্রস্তুত ভারতীয় সেনাও

বিপর্যয় মোকাবিলায় প্রস্তুত ভারতীয় সেনাও

ইতিমধ্যে ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় প্রস্তুত রয়েছে ভারতীয় সেনাবাহিনীও। সেনার ৮ কলম সেনা ও একটি ইঞ্জিনিয়ার টাস্ক ফোর্সকে প্রস্তুত রাখা হয়েছে।পাশাপাশি ওড়িশার জন্য ২ কলম সেনাকে প্রস্তুত রাখা হয়েছে। প্রয়োজন হলে উদ্ধারকাজে আরও সেনা লাগানো হতে পারে বলেও সেনাবাহিনী সূত্রে জানানো হচ্ছে। অন্যদিকে কোস্ট গার্ড এবং ভারতীয় নৌবাহিনীকেও তৈরি রাখা হয়েছে। তৈরি রয়েছে ভারতীয় এয়ারফোর্সকেও।

ঘূর্ণিঝড়ের অবস্থান

ঘূর্ণিঝড়ের অবস্থান

সকাল সাড়ে পাঁচটার সময় তা পূর্ব মধ্য বঙ্গোপসাগরে ১৬.৩ ডিগ্রি উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৯.৭ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমাংশে অবস্থান করছিল। যা আন্দামানের পোর্ট ব্লেয়ার থেকে ৬০০ কিমি উত্তর-উত্তর পশ্চিম, ওড়িশার পারাদ্বীপ থেকে ৫৪০ কিমি দক্ষিণ দক্ষিণ পূর্ব, বালাসোর থেকে ৬৫০ কিমি দক্ষিণ দক্ষিণ-পূর্ব এবং পশ্চিমবঙ্গের দিঘা থেকে ৬৩০ কিমি দক্ষিণ দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থান করছিল।

উত্তর-উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হওয়ার সম্ভাবনা

উত্তর-উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হওয়ার সম্ভাবনা

সকালে যে জায়গায় ঘূর্ণিঝড় অবস্থান করছিল, সেই সময়ের গতিপ্রকৃতি অনুযায়ী, তা উত্তর-উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হওয়ার সম্ভাবনা। এরপর তা আরও ঘনীভূত হয়ে আগামী ২৪ ঘন্টায় প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে চলেছে। এরপরেও তা উত্তর-উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হবে। আরও ঘনীভূত হবে। এবং ২৬ মে সকালে উত্তর পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে উত্তর ওড়িশা এবং পশ্চিমবঙ্গ উপকূলের কাছে পৌঁছে যাবে।

দুপুর নাগাদ আছড়ে পড়তে পারে

দুপুর নাগাদ আছড়ে পড়তে পারে

আবহাওয়া দফতরের শেষ দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এই ঘূর্ণিঝড় উত্তর ওড়িশা এবং পশ্চিমবঙ্গ উপকূল অতিক্রম করবে (পারাদ্বীপ থেকে সাগরদ্বীপের মধ্যে কোনও এক জায়গা) ২৬ মে দুপুর নাগাদ। এর আগে প্রথম ২৬ মে সকাল, পরবর্তী সময়ে ২৬ মে সন্ধেয় ঘূর্ণিঝড়ের আছড়ে পড়ার কথা বলা হয়েছিল। এবার বলা হল দুপুরের কথা। ২৩ মে দুপুরে বলা হয়েছিল ২৫ ও ২৬ মে ঘূর্ণিঝড়ের বেগ থাকতে পারে বিভিন্ন জায়গায় ঘন্টায় ১৪৫ কিমি, ১৭০ কিমি, ১৮৫ কিমি এবং ১২০ কিমি। আর ২৭ মে শক্তি হারিয়ে ফের নিম্নচাপে পরিণত হলে ঘন্চায় ৬৫ কিমি পর্যন্ত বেগ থাকতে পারে। কিন্তু ২৩ মে রাতের বলা হয়েছে, ২৫ ও ২৬ মে ঘূর্ণিঝড়ের বেগ বিভিন্ন জায়গায় থাকতে পারে ঘন্টায় ১২০ কিমি, ১৬০ কিমি, ১৮৫ কিমি, ১৪৫ কিমি পর্যন্ত। আর শক্তি হারিয়ে ২৭ মে প্রথমে ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হলে বেগ থাকতে পারে ঘন্টায় ৯০ কিমি এবং পরে নিম্নচাপে পরিণত হলে ঘন্টায় ৬০ কিমি বেগে।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+