এখনও পর্যন্ত বিজেপির জন প্রতিনিধিদের কে কে পেলেন মুকুল রায়ের ফোন, একনজরে তালিকা
এখনও পর্যন্ত বিজেপির জন প্রতিনিধিদের কে কে পেলেন মুকুল রায়ের ফোন, একনজরে তালিকা
শুক্রবার বিজেপির (bjp) মায়া কাটিয়ে তৃণমূলে ফেরেন মুকুল রায় (mukul roy)। রাজ্য রাজনীতিতে দলবদলের কিং মেকার (king maker) বলেই পরিচিত এই নেতা তৃণমূলে (trinamool congress) ফিরতেই বিজেপি শিবির বেশ কিছুটা চাপেই পড়ে যায়। কেননা নামটি হল মুকুল রায়। জানা গিয়েছে পরবর্তী সময়ে মুকুল রায় তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাতে বিজেপি থেকে তৃণমূলে আসার সম্ভাব্য ৩৫ জন পদাধিকারীর নামও তুলেছিলেন। যা নিয়েই জল্পনা বিভিন্ন মহলে।

২০১১-তে ক্ষমতায় আসার পরেই দলবদলে জোর
২০১১-তে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে রাজ্যে ক্ষমতায় আসে তৃণমূল। কিন্তু ক্ষমতায় আসার পরেই কংগ্রেস এবং বামদলগুলি ভাঙিয়ে বিরোধী শক্তিকে কমানোর প্রক্রিয়া শুরু করেছিলেন মুকুল রায়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরামর্শ ছাড়া যে তিনি করেননি তা একরকম স্পষ্টবলেই মনে করেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একটা বড় অংশ। ২০১৬-র নির্বাচনের পরেই একইভাবে দলবদল হয়েছে। কংগ্রেস ও বামদলগুলি থেকে বিধায়করা যোগ দিয়েছিলেন তৃণমূলে। এরপর মুকুল রায় বিজেপিতে যোগ দিতেই দলবদল শুরু হয় বিজেপির অনুকূলে। ২০১৯-এর শুরুতেই মুকুল রায়ের হাত ধরে নিশীথ প্রামাণিক, সৌমিত্র খাঁ, খগেন মুর্মুর মতো অনেকেই বিজেপিতে যোগ দেন এবং সাংসদ নির্বাচিত হন।

একাধিক সাংসদকে ফোন
শুক্রবার দলবদলের পর থেকে মুকুল রায় নাকি বিজেপির একাধিক সাংসদকে ফোন করেছেন। সূত্রের খবর অনুযায়ী, মুকুল রায়ের ফোন ইতিমধ্যেই পেয়েছেন কোচবিহারের সাংসদ নিশীথ প্রামাণিক। সূত্রের খবর অনুযায়ী, বিজেপির তরফে মন্ত্রিসভায় সম্ভাব্য সম্প্রসারণে তাঁর নামও নাকি রয়েছে। ফলে তিনি কতটা সাড়া দিয়েছেন, তার জন্য অপেক্ষা করতে হবে। এছাড়াও একাধিক সাংসদ মুকুর রায়ের ফোন পেয়েছেন বলে সূত্রের খবর।

বিধায়কদের মধ্যে ফোন পেয়েছেন যাঁরা
অন্যদিকে উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গে মিলিয়ে বেশ কয়েকজন মুকুল রায়ের ফোন পেয়েছেন বলে সূত্রের খবর। এর মধ্যে রয়েছেন উত্তরবঙ্গের শিখা চট্টোপাধ্যায়, মিহির গোস্বামী। দক্ষিণবঙ্গের সুদীপ মুখোপাধ্যায়, নরহরি মাহাত, বিশ্বনাথ কারক, বিশ্বজিৎ দাস, সত্যেন রায় ফোন পেয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। বিজেপি সূত্রেও এইসব নামই ঘুরে ফিরে আসছে।

বিজেপির দলত্যাগ আটকাতে সেনাপতি শুভেন্দু
শুভেন্দু অধিকারী ইতিমধ্যেই জানিয়েছেন, তিনি বিধানসভায় দলত্যাগ বিরোধী আইন লাগু করেই ছাড়বেন। এদিন বিকেলে বিজেপি বিধায়কদের নিয়ে রাজ্যপাল ধনখড়ের সঙ্গে দেখা করতে চলেছেন তিনি। সূত্রের খবর অনুযায়ী, এব্যাপারে বিজেপির বেসুরো বিধায়কদের সরাসরি তিনি ফোনও করেন। দলত্যাগ বিরোধী আইন প্রয়োগে রাজ্যপালের কোনও পদক্ষেপ না থাকলেও বিষয়টি যাতে আরও বেশি করে জনসমক্ষে আসে, তার জন্যই এই প্রক্রিয়া বলে জানা গিয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications