২০২১-এ রাজ্য দখলের ছক কষতে জরুরি তলব! দিল্লিতে দিলীপ ঘোষ, মুকুল রায়
বিজেপির (bjp) প্রাক্তন সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ দিল্লিতে ফেরার পরেই জরুরি তলব দিলীপ ঘোষ (dilip ghosh) ও মুকুল রায়ের (mukul roy)। বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি মুকুল রায় ইতিমধ্যেই দিল্লিতে পৌঁছে গিয়ে
বিজেপির (bjp) প্রাক্তন সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ দিল্লিতে ফেরার পরেই জরুরি তলব দিলীপ ঘোষ (dilip ghosh) ও মুকুল রায়ের (mukul roy)। বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি মুকুল রায় ইতিমধ্যেই দিল্লিতে পৌঁছে গিয়েছেন। অন্যদিকে দিলীপ ঘোষ সকালের বিমানে দিল্লিতে যাবেন বলে জানা গিয়েছে। সূত্রের খবর অনুযায়ী জরুরি সাংগঠনিক বৈঠকের কারণের তাঁদের দিল্লিতে তলব করা হয়েছে।

২ দিনের সফরে এসেছিলেন অমিত শাহ
৪ নভেম্বর রাতে দুদিনের সফরে রাজ্যে এসেছিলেন অমিত শাহ। বিমানবন্দরই হোক কিংবা বাঁকুড়া, অমিত শাহ বলেছিলেন, মমতার সরকারের মৃত্যু ঘন্টা বেজে গিয়েছে। বিজেপির প্রাক্তন সর্বভারতীয় সভাপতির দাবি ছিল, আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে রাজ্যের দুই তৃতীয়াংশ আসনে বিজেপির জয় হবেই। কোথাও তিনি বলেছিলেন বিজেপি ২০০-র বেশি আসন পাবে। কার্যত এটাই ছিল তাঁর টার্গেট। এব্যাপারে তিনি বলেছিলেন, ২০১৯-এর লোকসভা নির্বাচনের আগে তিনি বলেছিলেন বিজেপি রাজ্য থেকে ২২ টি আসন পাবে। শেষ পর্যন্ত বিজেপি ১৮ টি আসন পেয়েছিল।

অমিত শাহের দাবিকে কটাক্ষ করেছিলেন অনুব্রত-সহ অনেকেই
যদিও অমিত শাহের দাবিকে কটাক্ষ করেছিলেন অনুব্রত মণ্ডল-সহ অনেকেই। মঙ্গলকোটে দলের বুথ ভিত্তিক সম্মেলন থেকে থেকে অমিত শাহরে উদ্দেশে তিনি বলেছিলেন, একদিন বাংলায় এসেই সবটুকু বুঝে গেলেন। অতটাই সোজা? তিনি আরও বলেছিলেন, ট্রাম্প গেল, মোদীও যাবে। মোদীর সঙ্গে যেই বন্ধুত্ব করেছে, তারাই শেষ হচ্ছে বলেও মন্তব্য করেছিলেন অনুব্রত মণ্ডল।

দিল্লিতে জরুরি তলব
অমিত শাহ দিল্লিতে ফিরে যান ৬ নভেম্বর রাতে। সেই সময়ই ৯ নভেম্বর দিল্লিতে বৈঠকের কথা জানিয়েছিলেন। রবিবার রাতেই দিল্লিতে পৌঁছে গিয়েছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি মুকুল রায় এবং রাজ্য বিজেপি সাংগঠনিক সম্পাদক অমিতাভ চক্রবর্তী। সোমবার সকালের বিমানে দিল্লি যাচ্ছেন দিলীপ ঘোষ। কিন্তু অমিত শাহের সফর শেষের পরেই কেন এই বৈঠক তা নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে।

রাজ্য দখলের ব্লুপ্রিন্ট অমিত শাহের হাতে
রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের একাংশ বলছেন, অনুব্রত মণ্ডলরা যতই কটাক্ষ করুন না কেন, বিজেপির রাজ্য দখলের ব্লুপ্রিন্ট অমিত শাহের হাতে। তিনিই টার্গেটের কথা বলেছেন। ফলে তার পক্ষেই বোঝানোর সুবিধা হবে, কীভাবে এই টার্গেটে পৌঁছনো যেতে পারে। অমিত শাহ দলের বৈঠকে বলেছিলেন শুধু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কিংবা তৃণমূলের সমালোচনা করলেই হবে না, মানুষের কাছেও পৌঁছতে হবে। পাশাপাশি মোদী সরকারের সাফল্যকেও প্রচারে তুলে ধরতে হবে। কীভাবে তা করা হবে, সেই বিষয়গুলি মুকুল রায়, দিলীপ ঘোষেদের সামনে তিনি তুলে ধরতে পারেন বলেই জানা গিয়েছে।

পরিকল্পনা বৈঠক, বলেছেন দিলীপ ঘোষ
এটি যে পরিকল্পনা বৈঠক তা পরিষ্কারই জানিয়েছেন দিলীপ ঘোষ। ২০২১-এর লক্ষ্যে সাংগঠনিক পরিকল্পনা বলতে, সাংগঠনিক পরিবর্তন হতে পারে বলে মনে করছেন অনেকে। কেননা টার্গেটে পৌঁছতে গেলে বুথে বুথে শক্তিশালী সংগঠন তৈরি করতেই হবে গেরুয়া শিবিরকে।












Click it and Unblock the Notifications