পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে ফের উত্তপ্ত ক্যানিং, শহরের মধ্যেই আক্রান্ত আমরার সদস্যদের উপরে হামলা

Subscribe to Oneindia News

ক্যানিং-এর মারদাঙ্গার রাজনীতি যে চলবে তা ফের একবার বোঝা গেল। যে মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায় সৌজন্যের রাজনীতির কথা বারবার বলে আসছেন তার ছিঁটেফোটাও প্রতিফলিত হচ্ছে না তৃণমূল কর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে। বুধবার সকালে ক্যানিং শহরেই তৃণমূল নেতা বলে পরিচয় দেওয়া দু'জনের নেতৃত্বে ভেঙে গুড়িয়ে দেওয়া হল আক্রান্ত আমরার মাইক। এমনকী, মাইকিং-এর জন্য ব্যবহৃত অটোতেও ভাঙচুর চালানো হয় বলেও অভিযোগ।

পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে ফের উত্তপ্ত ক্যানিং, শহরের মধ্যেই আক্রান্ত আমরার সদস্যদের উপরে হামলা

১৫ ফেব্রুয়ারি ক্যানিং-এ অবস্থান বিক্ষোভ কর্মসূচি নিয়েছে আক্রান্ত আমরা। ক্যানিং-এ তৃণমূল গোষ্ঠীদ্বন্ধে নিহত ছাত্র রিজাউলের খুনিদের ধরার দাবিতে এই অবস্থান হবে এসডিও অফিসের সামনে। যেখানে হাজির থাকার কথা আক্রান্ত আমরা-র অভিভাবক অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি অশোক গঙ্গোপাধ্যায়ের। এছাড়াও থাকার কথা আক্রান্ত আমরা-র সদস্য অম্বিকেশ মহামাত্র, সাহিত্যিক মন্দাক্রান্তা সেনের। এই উপলক্ষ্যে বুধবার সকাল থেকে ক্যানিং শহরে মাইকিং শুরু করে আক্রান্ত আমরা।

ক্যানিং শহরের এসবিআই-এর কাছে আচমকাই আক্রান্ত আমরার অটো গাড়িটি ঘিরে দাঁড়ায় কয়েক জন। এদের মধ্যে দু'জন গোপাল কুণ্ডু ও সুভাষ কুণ্ডু বলে পরিচয় দেয়। এদের সঙ্গে ছিল আরও ১০ থেকে ১২ জন যুবক। গোপাল ও সুভাষ নিজেদেরকে তৃণমূল নেতা বলেও পরিচয় দেয়। মাইকিং বন্ধের জন্য শাসানির সঙ্গে সঙ্গে চলতে হুঁশিয়ারি। অটো থেকে নামিয়ে নেওয়া হয় আক্রান্ত আমরার সদস্য মইদুল ইসলাম এবং তাঁর সঙ্গীকে। অভিযোগ এরপর দু'জনকে মারধর করে মাইক ভেঙে দেওয়া হয়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিষয়ে কিছু খারাপ কথা বললে দেখে নেওয়া হবে বলেও হুমকি দেয় এই দুই নেতা। আক্রান্ত আমরার সদস্যদের বাড়ি ফিরে যেতেও বলা হয়। জানা গিয়েছে গোপাল কুণ্ডু দিঘীর পার গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান অন্নপূর্ণা কুণ্ডুর স্বামী।

পরে, আক্রান্ত আমরার সদস্য মইদুল এবং তাঁর সঙ্গী ক্যানিং থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। এই হামলার ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছেন আক্রান্ত আমরার সদস্য অম্বিকেশ মহাপাত্র। তৃণমূলের মারদাঙ্গার রাজনীতির কড়া সমালোচনা করেছেন সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তীও।

মাস খানেক আগে তৃণমূল কংগ্রেসের দুই সংগঠনের মধ্যে প্রকাশ্যে গুলির লড়াই হয়। এর মাঝখানে পড়ে মৃত্যু হয় স্কুল ছাত্র রিজাউল মোল্লা এবং হাসান আলি লস্করের। চতুর্থ শ্রেণির ছাত্র রেজাউল ঘটনার সময় মা-এর সঙ্গে স্কুল থেকে বাড়ি ফিরছিল। আলমগীর নামে আরও এক ছাত্রের পা-এও গুলি লাগে। এই গুলি চালনার ঘটনায় অভিযুক্ত খোদ রিজাউলের স্কুলের প্রধান শিক্ষক তপু মাহাতো। তিনি আবার চড়বিদ্যা গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূল প্রধান-এর ছেলে।

English summary
Again canning is in headline for its violance. This time members of Akranto Amra is allegedly beaten up by some supporters and leaders of Trinamul Congress.

Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.