শিল্পীর রং-তুলির টানে অভিনব ভাবনা মমতার! প্রতিবাদ এবার মোদীর ‘অন্দরমহলে’ও
প্রতিবাদ কি শুধুই মুখে করা যায়! প্রতিবাদ করা যায় রং-তুলিতেও। তেমনই এক ঘটনায় সাক্ষী থেকেছে কলকাতা। তিনি চাইছেন এই প্রতিবাদকে একেবারে মোদীর কাছে পৌঁছে দিতে।
প্রতিবাদ কি শুধুই মুখে করা যায়! প্রতিবাদ করা যায় রং-তুলিতেও। তেমনই এক ঘটনায় সাক্ষী থেকেছে কলকাতা। গান্ধীমূর্তির পাদদেশে সিএএ-এনআরসি-এনপিআরের বিরুদ্ধে যে প্রতিবাদ ফুটে উঠেছিল, তা এবার সংরক্ষণ করে প্রদর্শনী করতে চাইছেন মমতা। তিনি চাইছেন এই প্রতিবাদকে একেবারে মোদীর কাছে পৌঁছে দিতে।

বাংলার শিল্পীদের আঁকা নীরব প্রতিবাদ
কোনওমতেই গান্ধীমূর্তির পাদদেশে বসে বাংলার শিল্পীদের আঁকা নীরব প্রতিবাদকে বিক্রি করা যাবে না। তা সংরক্ষণে জোর দিয়ে আপাতত কলকাতা ও দিল্লিতে একটি করে প্রতিবাদ-প্রদর্শনী করার কথা ভাবছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি চাইছেন আজীবন প্রতিবাদের স্মারক হিসেবে ওই ছবিগুলি সংগৃহীত করতে।

কলকাতার রাজপথে দাঁড়িয়ে ছবিতে প্রতিবাদ
সিএএ-এনআরসির বিরুদ্ধে আন্দোলনে নেমে কলকাতার রাজপথে দাঁড়িয়ে ছবি এঁকেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ছবি এঁকেছিলেন বাংলার তাবড় শিল্পীরা। কে ছিলেন না সেই প্রতিবাদ-মঞ্চে। শুভাপ্রসন্ন থেকে শুরু করে যোগেন চৌধুরী, মনোজ মিত্র, সৌমিত্র কর, ভবতোষ সুতার, প্রদোষ পাল, অভিজিৎ মিত্রের মতো অনেক প্রথিতযশা শিল্পী।

৩৬-৩৬ ইঞ্চির ক্যানভাসে প্রায় ৪০টি ছবি
৩৬-৩৬ ইঞ্চির ক্যানভাসে প্রায় ৪০টি ছবি সেদিন আঁকা হয়েছিল নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন ও প্রস্তাবিত এনআরসির প্রতিবাদে। সেই দুর্মূল্য ছবি সংরক্ষণের ভাবনার পাশাপাশি প্রদর্শনীও করতে চাইছেন মমতা। কলকাতার পাশাপাশি রাজধানী দিল্লির বুকেও প্রদর্শনীর আয়োজন করে প্রতিবাদে সামিল হবে তৃণমূল।

দেশ-বিদেশের মানুষের কাছে পৌঁছতেই প্রতিবাদ
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই প্রতিবাদকে কলকাতার রাজপথ থেকে তুলে নিয়ে যাতে চাইছেন রাজধানী দিল্লির বুকে। দেশ-বিদেশের মানুষের কাছে এই প্রতিবাদকে উপস্থাপিত করতে চাইছেন মমতা। একইসঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, কেউ যদি চান, বিশেষ মর্যাদা দিয়ে এই প্রতিবাদকে সংরক্ষিত করে রাখতে কোনও প্রদর্শাশালায়, তবে তিনি দিতেও রাজি। কিন্তু কোনও অর্থের বিনিময়ে এই প্রতিবাদকে দেওয়া হবে না।












Click it and Unblock the Notifications