শ্মশানকে কেউ কখনও ভালোবাসি বলতে পারে? ছবির 'রহস্য ফাঁস' করলেন মমতা
নীল-সাদা রঙে ইতিমধ্যে সাজিয়ে তোলা হয়েছে গোটা তিলোত্তমাকে! আরও কীভাবে শহরকে সাজিয়ে তোলা যায় সেই লক্ষ্যে দিন-রাত কাজ করছে কলকাতা পুরসভা। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে চলছে একাধিক কাজ।
সম্প্রতি শহরের বিভিন্ন অংশে এলাকার নাম দিয়ে 'আই লাভ----' বোর্ড লাগানো হচ্ছে। এমনকি বিভিন্ন ওয়ার্ডের নাম দিয়েও ওই বোর্ড বসানো হচ্ছে। আর এহেন বোর্ড লাগানো নিয়ে বিতর্ক রয়েছেই। আর এর মধ্যেই সম্প্রতি বেশ কিছু ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায়ে ভাইরাল হয়েছে। আর সেই ছবিতে দেখা যাচ্ছে 'আই লাভ কেওড়াতলা মহাশ্মশান' লেখা রয়েছে।

আর এই ছবি সামনে আসার পর থেকেই সোশ্যাল মিডিয়া জুড়ে কমেন্টের বন্যা। ছবিটিকে বিশ্বাস করে কেউ সরকারের সমালোচনা করছেন তো কেউ আবার ব্যক্তিগত মতামত জানান। আর এর মধ্যেই পুরো বিষয়টি মুখ্যমন্ত্রীর নজর আসে। আর যা দেখে রীতিমত ক্ষুব্ধ হন তিনি। শুধু তাই নয়, মুখ্যমন্ত্রীর কড়া বার্তা, শ্মশানকে কেউ কখনও ভালোবাসি বলতে পারে?
আজ নবান্ন থেকে অ্যাম্বুল্যান্স উদ্বোধন করেন রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান। আর এরপরেই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন তিনি। আর সেখান থেকেই ছবি নিয়ে একেবারে কড়া বার্তা দেব মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
তিনি বলেন, একটা ভুয়ো খবর গত কয়েকদিন ধরেই রটানো হচ্ছে। যা কখনও বরদাস্ত করা হবে না বলেও দাবি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কথায়, শ্মশান তো শেষের জায়গা। বিচ্ছেদের জায়গা। যেখানে হৃদয় ভারী হয়ে আসে বলেও দাবি তাঁর। আর সেখানকে কি কেউ ভালোবাসতে পারে? প্রশ্ন তোলেন মুখ্যমন্ত্রী। আর এরপরেই এমন ফলক কেওড়াতলা মহাশশ্মানে বানানো হয়নি বলে স্পষ্ট জানিয়ে দেন তিনি। পাশে দাঁড়িয়ে বিষয়টিতে সহমত দেন মেয়র ফিরহাদ হাকিম।
তবে ফেক নিউজ নিয়ে কড়া বার্তা দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, আমাকে বদনাম করতে পারেন। এমনকি কুৎসাও আমার নামে করতে পারেন। কিন্তু ভুয়ো খবর কোনও ভাবেই বরদ্বারস্থ করা হবে না বলে এদিন জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

এমনকি ভুয়ো খবর, উসকানিমূলক বক্তব্যের বিরুদ্ধে পুলিশ প্রশাসনকে কড়া পদক্ষেপ নেওয়ার কথাও জানিয়েছেন তিনি। বুজ্যো খবরের ক্ষেত্রে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও দাবি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। তবে এই ছবি পোস্ট করে অনেক বিজেপি নেতাই প্রশাসনকে টেনে রীতিমত কটাক্ষ ছুঁড়ে দিয়েছেন সোশ্যাল মিডিয়াতে।
অন্যদিকে এদিন নবান্ন থেকে রামনবমীতে অশকান্তি নিয়েও কথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী। বলেন, মুঙ্গের থেকে লোক এনে অশান্তি করা হয়েছে বাংলাতে।












Click it and Unblock the Notifications